কক্সবাজারের মহেশখালীতে মাছ ধরার ট্রলার ডুবে দুই জেলের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও দুই জেলে নিখোঁজ রয়েছেন। বৃহস্পতিবার ভোরে বঙ্গোপসাগরের সোনাদিয়া চ্যানেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত জেলেরা হলেন—মহেশখালী উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নের খোন্দকারপাড়ার মৃত মতলব হোসেনের ছেলে ফয়েজ আহমদ এবং মেহেরিয়াপাড়ার সোহাগ মিয়ার ছেলে সাইফুল ইসলাম।
নিখোঁজ জেলেরা হলেন—একই ইউনিয়নের জাগিরাঘোনা এলাকার আব্দুর রশিদের ছেলে মহিবুল্লাহ এবং খোন্দকারপাড়া এলাকার মৃত মুজিবুর রহমানের ছেলে নুরুল আলম।
পুলিশ ও স্থানীয় জেলেদের সূত্রে জানা গেছে, কুতুবজোমের ফরিদুল আলমের মালিকানাধীন ‘এফবি তাহসিন’ নামের ট্রলারটি আটজন মাঝিমাল্লা নিয়ে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে যায়। বৃহস্পতিবার ভোরে সোনাদিয়া চ্যানেলে ট্রলারটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে ডুবে যায়।
এ সময় আশপাশে থাকা অন্য মাছ ধরার ট্রলারের জেলেরা উদ্ধার অভিযান চালিয়ে চারজনকে জীবিত উদ্ধার করেন। পরে আরও দুই জেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে দুই জেলের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সুলতান বলেন, স্থানীয় জেলেরা দুই জেলের মরদেহ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে গেছেন। নিখোঁজ দুই জেলের সন্ধানে তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি দল পাঠানো হয়েছে।
ওসি আরও বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ঝোড়ো হাওয়া ও তীব্র ঢেউয়ের আঘাতে ট্রলারটি ডুবে গেছে।’

‘গণমাধ্যম আজ মুক্ত ও স্বাধীন। সাংবাদিকেরা তাদের মতো করে স্বাধীনভাবে কাজ করবেন। সরকারের কাজগুলো ভালো হচ্ছে না কি খারাপ হচ্ছে তা দেখবেন। পাশাপাশি সাংবাদিকের কলমের খোঁচায় যেন কারও ক্যারিয়ার এবং মানসম্মান নষ্ট না হয় সেটাও মাথায় রাখতে হবে।’
১ ঘণ্টা আগে
দ্রুতগতির একটি বালুবাহী ডাম্প ট্রাক একটি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইককে পেছন থেকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ইজিবাইকচালক আব্দুল মান্নান গুরুতর আহত হন। দুর্ঘটনায় তাঁর একটি পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং অপর পা গুরুতর জখম হয়। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তিনি ঘটনাস্থলে গুরুতর অবস্থায় পড়ে থাকেন।
১ ঘণ্টা আগে
মুমিন মিয়া বলেন, ‘আমার ছেলে বিদ্যালয়ে যাওয়ার সময় সাঁকো থেকে পড়ে গিয়ে হাত ভেঙে গিয়েছিল। কিন্তু আমরা নিরুপায়। এখনো এই পথ দিয়েই যাতায়াত করতে হয়।’
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার কামালেরপাড়া এলাকায় অবৈধভাবে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরির প্রায় ৩০টি চুল্লি ধ্বংস করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) গাইবান্ধা পরিবেশ অধিদপ্তর ও উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে অবৈধভাবে স্থাপন করা কয়লা তৈরির চুল্লিগুলো ধ্বংস করে দেওয়া হয়।
২ ঘণ্টা আগে