জবি প্রতিনিধি

টানা তৃতীয় দিনের মতো কাকরাইল মোড়ে অবস্থান করছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। চলমান আন্দোলনের কর্মসূচি হিসেবে চার দফা দাবিতে আজ সমাবেশ চলছে। এ সমাবেশে অংশ নিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষক, বিভিন্ন বিভাগের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীরা। আজ শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে কাকরাইল মসজিদের পাশের মোড়ে এই সমাবেশ শুরু হয়।
সাবেক শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশ্নে আমরা আপসহীন। আগেও অধিকার আদায়ে সংগ্রাম করা হয়েছে, এখনো হচ্ছে। কোনো পার্থক্য নাই। শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নিতে হবে। শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার বিচার করতে হবে।’

অর্থনীতি বিভাগের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ড. জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘দেশের সব থেকে বেশি অবহেলিত বিশ্ববিদ্যালয় হলো জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। আমরা এই দ্বিচারিতা আর মেনে নিব না অনেক হয়েছে। আমি প্রধান উপদেষ্টাকে বলব, অতি দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করেন। জুলাই-আগস্ট আন্দোলন করলাম আমরা বৈষম্য দূর করার জন্য কিন্তু আজ দেখি আমাদের ওপরেই বৈষম্য। এ কেমন বিচার।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিপি হিসেবে নয়, আমি একজন সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবে এই মৌলিক অধিকার আদায় করতে চলে এসেছি।’

সকাল ১১টায় এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দিন বলেন, ‘এ দেশের প্রত্যেকটা নাগরিক তাঁদের অধিকার প্রত্যাশা করেন। তিন দিন ধরে আমার শিক্ষার্থীরা খোলা আকাশের নিচে বসে দাবি আদায়ের জন্য আন্দোলন করছে। কিন্তু এখনো সরকারের পক্ষ থেকে কোনো সমাধান আসেনি। অথচ চাইলে প্রথম দিনই তার সমাধান করা যেত। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় নিপীড়িত, বঞ্চিত ও নিষ্পেষিত। আমরা এমন এক স্থানে উপনীত হয়েছি, যেখান থেকে ফিরে যাওয়ার আর কোনো উপায় নেই। আমাদের দাবি পূরণ না হলে এই কাকরাইল মোড় আরেকটি জনদাবি বাস্তবায়নের কেন্দ্রে পরিণত হবে। আমাদের রক্তের ওপর প্রতিষ্ঠিত সরকার যদি হুমকি-ধমকি দেয়, আমরা সেটাকে রুখে দেব।’
শাখা ছাত্রদলের সদস্যসচিব শামসুল আরেফিন বলেন, ‘আমরা একটা ন্যায্য দাবি নিয়ে এসেছি। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত যাব না। তবে আমাদের এই আন্দোলনকে কেউ যদি ভিন্ন পথে প্রবাহিত করতে চায়, তাঁকে ছাড় দেওয়া হবে না। এখানে যারা দাবি নিয়ে এসেছে তারা সবাই জুলাই-এর যোদ্ধা।’
আজ শুক্রবার বাদ জুমা গণ অনশনে বসার কর্মসূচি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

টানা তৃতীয় দিনের মতো কাকরাইল মোড়ে অবস্থান করছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। চলমান আন্দোলনের কর্মসূচি হিসেবে চার দফা দাবিতে আজ সমাবেশ চলছে। এ সমাবেশে অংশ নিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষক, বিভিন্ন বিভাগের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীরা। আজ শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে কাকরাইল মসজিদের পাশের মোড়ে এই সমাবেশ শুরু হয়।
সাবেক শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশ্নে আমরা আপসহীন। আগেও অধিকার আদায়ে সংগ্রাম করা হয়েছে, এখনো হচ্ছে। কোনো পার্থক্য নাই। শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নিতে হবে। শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার বিচার করতে হবে।’

অর্থনীতি বিভাগের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ড. জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘দেশের সব থেকে বেশি অবহেলিত বিশ্ববিদ্যালয় হলো জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। আমরা এই দ্বিচারিতা আর মেনে নিব না অনেক হয়েছে। আমি প্রধান উপদেষ্টাকে বলব, অতি দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করেন। জুলাই-আগস্ট আন্দোলন করলাম আমরা বৈষম্য দূর করার জন্য কিন্তু আজ দেখি আমাদের ওপরেই বৈষম্য। এ কেমন বিচার।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিপি হিসেবে নয়, আমি একজন সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবে এই মৌলিক অধিকার আদায় করতে চলে এসেছি।’

সকাল ১১টায় এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দিন বলেন, ‘এ দেশের প্রত্যেকটা নাগরিক তাঁদের অধিকার প্রত্যাশা করেন। তিন দিন ধরে আমার শিক্ষার্থীরা খোলা আকাশের নিচে বসে দাবি আদায়ের জন্য আন্দোলন করছে। কিন্তু এখনো সরকারের পক্ষ থেকে কোনো সমাধান আসেনি। অথচ চাইলে প্রথম দিনই তার সমাধান করা যেত। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় নিপীড়িত, বঞ্চিত ও নিষ্পেষিত। আমরা এমন এক স্থানে উপনীত হয়েছি, যেখান থেকে ফিরে যাওয়ার আর কোনো উপায় নেই। আমাদের দাবি পূরণ না হলে এই কাকরাইল মোড় আরেকটি জনদাবি বাস্তবায়নের কেন্দ্রে পরিণত হবে। আমাদের রক্তের ওপর প্রতিষ্ঠিত সরকার যদি হুমকি-ধমকি দেয়, আমরা সেটাকে রুখে দেব।’
শাখা ছাত্রদলের সদস্যসচিব শামসুল আরেফিন বলেন, ‘আমরা একটা ন্যায্য দাবি নিয়ে এসেছি। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত যাব না। তবে আমাদের এই আন্দোলনকে কেউ যদি ভিন্ন পথে প্রবাহিত করতে চায়, তাঁকে ছাড় দেওয়া হবে না। এখানে যারা দাবি নিয়ে এসেছে তারা সবাই জুলাই-এর যোদ্ধা।’
আজ শুক্রবার বাদ জুমা গণ অনশনে বসার কর্মসূচি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে