Ajker Patrika
Add

রুশা চৌধুরী

রুশা চৌধুরী

সকল লেখা
বিভাজিত বোধ

বিভাজিত বোধ

প্রাচীন মানুষ নিঃসঙ্গ অবস্থা থেকে যখন দলবদ্ধ হতে চেয়েছিল তাদের মাথায় কোন প্রয়োজনটা সবচেয়ে বেশি জরুরি ছিল? নিরাপত্তা, নিয়ম, স্বস্তি নাকি একসঙ্গে সবকিছু? হয়তো এভাবেই ধীরে ধীরে একসময় পরিবার তৈরি করে ফেলেছিল মানুষ! এর সঙ্গে তৈরি হয়েছিল সমাজও।

২২ আগস্ট ২০২৫
শ্রাবণ পথ, শরৎ আর মানুষ

শ্রাবণ পথ, শরৎ আর মানুষ

আকাশের দিকে তাকিয়ে কিছুদিন পরেই বৃষ্টিতে নাজেহাল হয়ে ওঠা মানুষদের এমনটাই মনে হবে। বাইরে হয়তো রোদ তখন তেমন কড়া নয়, আবার কড়াও হতে পারে, শেফালির শাখে বিহগ-বিহগী কে জানে কী গেয়ে যাবে!

১১ আগস্ট ২০২৫
আলো-আঁধারে জীবন

আলো-আঁধারে জীবন

মানুষের জীবন এক আশ্চর্য দাঁড়িপাল্লার মতো। এক পাশ কানায় কানায় আনন্দ তো অন্য পাশে সমান সমান বিষাদ।

১৪ জুলাই ২০২৫
জীবনের জাদুবাস্তবতা

জীবনের জাদুবাস্তবতা

এই জীবনে মানুষ হয়ে জন্মানো আর মানুষ হয়ে ওঠা—এই দুইয়ের মাঝে যে সংযোগ, তাকে যদি ‘ম্যাজিক রিয়্যালিজম’ বলি? কথাটির সহজ কোনো মানে কি করা যায়? জীবনের শুরুতে কিংবা বেড়ে উঠতে উঠতে কতটুকুইবা বুঝতে পারা যায়? বোঝাটুকুর জন্যই যে মনের বৃদ্ধি দরকার!

২১ জুন ২০২৫
প্রভাতফেরির কান্না

প্রভাতফেরির কান্না

এমন একটা সময় ছিল, গলায় হারমোনিয়াম নিয়ে আলোর মানুষ হেঁটে যেতেন কেউ, ঘাসের ওপর পা দিয়ে, সঙ্গে আরও মানুষ। চোখে থাকত ভালোবাসার কথামালা—‘আকাশ ভরা সূর্য তারা বিশ্ব ভরা প্রাণ’, বুকের ভেতর আগুন ‘জ্বলে পুড়ে মরে ছারখার তবু মাথা নোয়াবার নয়’ আর কণ্ঠে সেই প্রিয় সুর, যা হৃদয়ের অদৃশ্য তন্ত্রী থেকে বেজে উঠত, ‘আমি ক

০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
বোধ

বোধ

প্রাচীন মানুষ নিঃসঙ্গ অবস্থা থেকে যখন দলবদ্ধ হতে চেয়েছিল, তাদের মাথায় কোন প্রয়োজনটা সবচেয়ে বেশি জরুরি ছিল? নিরাপত্তা, নিয়ম, স্বস্তি নাকি একসঙ্গে সবকিছু? হয়তো এভাবেই ধীরে ধীরে একসময় পরিবার তৈরি করে ফেলেছিল মানুষ! এর সঙ্গে সঙ্গে তৈরি হয়েছিল সমাজও।

২৬ জানুয়ারি ২০২৫
ভালো মানুষ নই রে মোরা

ভালো মানুষ নই রে মোরা

অন্ধ অনুসরণে ব্যস্ত ভেতো বাঙালির বুঝতে বুঝতে আজও বড্ড সময় লেগে যায়। মজ্জাগত এই স্বভাব যে আমাদের ভীষণ প্রবল, ‘তোরা পথের ধারে ব্যথা নিয়ে করিস ঘাঁটাঘাঁটি— কেবল করিস ঘাঁটাঘাঁটি।।’

০৪ ডিসেম্বর ২০২৪
হেমন্তকথায় জীবন

হেমন্তকথায় জীবন

সকালের আলোয় মনটা অকারণে আনমনা হয়ে যায়। মনের কোণে হঠাৎ বেজে ওঠে চেনা গানের সুর—‘কোন পুরাতন প্রাণের টানে...।’ মন ছুটে যায় সেই ছেলেবেলায়, যখন ঋতুবদল ঘটত গানের সুরেই।

১৭ নভেম্বর ২০২৪
ঐতিহ্য প্রবচনে বাঙালি

ঐতিহ্য প্রবচনে বাঙালি

বাঙালির জীবনাচরণে নানান উপযোগের কথা বলতে গেলে একটা বিষয় না বললে খুব ফাঁক থেকে যাবে, সেটা হচ্ছে ‘প্রবচন’, যা বাংলার এক অমূল্য রত্নভান্ডার। এখানে ধর্ম নেই, বৈষম্য নেই, ঝগড়া নেই, রাজনীতি নেই।

০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪
মনের শক্তি মনের আলো

মনের শক্তি মনের আলো

আমরা মানুষেরা খুব বিচিত্র। খুব ছোট কোনো কারণেই অনেক বেশি আনন্দিত হয়ে উঠি, আবার কোনো কারণ ছাড়াই মন খারাপের দাওয়াই তলানি পর্যন্ত পান করে বসে থাকি। নিজের আয়নায় না, অন্যের চোখের আয়নায় নিজেকে দেখাটাই বড় হয়ে যায়।

০৩ জুলাই ২০২৪
বাঙালির জীবনে সুর

বাঙালির জীবনে সুর

‘গান তুমি হও বিশ্রী গরম ভুলিয়ে দেওয়া বৃষ্টি, ভাঙাচোরা জীবনটাকে হঠাৎ লাগে মিষ্টি!’ বাঙালির ভালোবাসার কথা বলতে গেলে অনেক কিছুর সঙ্গে যেই নামটা উচ্চারণ করতে হবে তা হচ্ছে, গান!

০১ জুন ২০২৪
‘মানুষ’ হওয়ার মন্ত্র

‘মানুষ’ হওয়ার মন্ত্র

তারপর সে জলের কাছে গেল। যত গভীরে যায়, কে যেন টানে তাকে। নরম জমিনে অতল এক টান। সে আর যেতে চায় না। থাক বাবা, কাজ নেই এমন গভীরের সঙ্গে থাকার।দূরে নিশাচর প্যাঁচা তখন পাখার নিচে ছানাদের ঘুম পাড়িয়েছে। বেঁচেবর্তে থাকা দু-একটা শেয়াল মন খারাপ করে তাদের হারিয়ে যাওয়া স্বজনদের স্মৃতিতে মগ্ন।

০৭ মে ২০২৪
মাছ দিয়ে যায় চেনা

মাছ দিয়ে যায় চেনা

কদিন ধরে খুব ভাবছি, বাঙালির ‘প্রিয়তম চাওয়া’ কী হতে পারে? হঠাৎ মন বলে উঠল, ভাত আর মাছ। এক্ষুনি অনেক বাঙালিই বলে উঠবে, ‘হলো না, হলো না, আরও আছে—কবিতা লেখা, পরচর্চা, রাগ পুষে রাখা, ভালোমতো না জেনে কোনো কিছুতে ঝাঁপিয়ে পড়া...।’ মুচকি হেসে পুঁচকে ছেলে বা মেয়েটা বলবে, ‘আসল বৈশিষ্ট্যটাই বাদ দিলে যে—প্রেম! প

২৬ এপ্রিল ২০২৪
রোমান্টিক বাঙালির স্মৃতিকাতরতা

রোমান্টিক বাঙালির স্মৃতিকাতরতা

‘খেলাঘর বাঁধতে লেগেছি আমার মনের ভিতরে’—এমন করে মনের ভেতরে ঘর বানাতে বাঙালির থেকে ওস্তাদ আর কোনো জাতি কি আছে? আমাদের বাঙালিদের জীবনে সবচেয়ে বেশি যে বিষয়টা বারবার ছুঁয়ে ছুঁয়ে যায়, তার নাম যদি বলতে চাই,

০৯ এপ্রিল ২০২৪
রাঁধুনির পঞ্চ ইন্দ্রিয়

রাঁধুনির পঞ্চ ইন্দ্রিয়

রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত ‘নিমন্ত্রণ’ কবিতায় প্রেমিক তার প্রেমিকাকে চিঠিতে লিখেছিল... ‘জেনো, বাসনার সেরা বাসা রসনায়!’ 

১৩ মার্চ ২০২৪
চিরযৌবনা বুড়ো বসন্ত

চিরযৌবনা বুড়ো বসন্ত

মাঝে মাঝে মানুষের কিছু অকালবোধন হয়, হতেই হয়। এ বছর কেন যেন বসন্তকালটাকে বারবার ‘বুড়ো ঋতু’ বলতে ইচ্ছে করছে। আসলে ঋতুটার এতে কোনো হাত নেই। ঋতুদের প্রাণ-মন সবটা থাকলেও ওরা তো আর মানুষ নয়, তাই নিষ্ঠুরতা করার, কাউকে কষ্ট দেওয়ার ক্ষমতা ওদের তেমন নেই। এসব কাজে সিদ্ধহস্ত শুধু আমরা মানুষেরা।

১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪