
ড. মো. শাহজাহান কবীর
ড. মো. শাহজাহান কবীর
সকল লেখা

ধর্মীয় সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় মদিনা সনদ
হিজরতের পর মহানবী (সা.) মদিনায় বসবাসরত সব গোত্রের মধ্যে সুশাসন ও শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি নীতিমালা প্রণয়ন করেন, যা ইতিহাসে ‘মদিনা সনদ’ নামে পরিচিত। মদিনা সনদে মোট ৬১টি ধারা ও উপধারা ছিল।

পরিচ্ছন্নতা আল্লাহর প্রিয় আমল
ইসলামে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতায় বেশ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ‘তাহারাহ’ শব্দের অর্থ পবিত্রতা। এ শব্দটি কুফরি থেকে মুক্ত হওয়ার কথা যেমন বলে, তেমনি তা সব ধরনের বাহ্যিক অপরিচ্ছন্নতা থেকে মুক্ত হওয়াকেও বোঝায়।

ইসলামে মানসিক সুস্থতার গুরুত্ব
ইসলামে মানসিক স্বাস্থ্য আর শারীরিক স্বাস্থ্য সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। মানসিক স্বাস্থ্য বিশ্বাসের ওপর নির্ভরশীল। একজন মানুষের ভালো বা স্বস্তিকর অবস্থা বজায় রাখতে প্রয়োজন স্বাস্থ্যকর এবং ভারসাম্যপূর্ণ জীবন। পবিত্র কোরআনের অনেক আয়াতে আল্লাহ তাআলা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মানসিক স্বস্তি এবং ধৈর্যের বিষয়টি

হাসিমুখে কথা বলা সওয়াবের কাজ
মানবজীবনের প্রতিটি কাজেই রয়েছে কল্যাণ ও সওয়াব। ইসলামে উত্তম কথাও একধরনের সদকা। তাই পারস্পরিক কথাবার্তা বা আলাপচারিতায় সুন্দর ও কোমল ভাষায় সম্বোধন করা মুমিনের কর্তব্য। আল্লাহ তাআলা এরশাদ করেন, ‘মানুষের সঙ্গে উত্তম ব্যবহার করো।’ (সুরা বাকারা: ৮৩)

প্রতিবেশীর সঙ্গে সুসম্পর্কের গুরুত্ব
সমাজে বসবাসরত প্রত্যেক মানুষ একে অন্যকে শ্রদ্ধা-সম্মান করবে এবং পরস্পরের প্রতি সদয় ও সহানুভূতিশীল হবে, এটিই ইসলামের নির্দেশ। মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে এরশাদ করেন, ‘কাছের প্রতিবেশী, দূরের প্রতিবেশী ও সঙ্গী-সাথিদের সঙ্গে উত্তম ব্যবহার করবে।’ (সুরা নিসা: ৩৬)

তাহাজ্জুদ নামাজের অসামান্য ফজিলত
তাহাজ্জুদ নামাজ আল্লাহ তাআলার সঙ্গে বান্দার গভীর সম্পর্ক স্থাপনের অন্যতম মাধ্যম। তাহাজ্জুদের ফজিলত প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ তাআলা এরশাদ করেন, ‘রাতের কিছু অংশে তাহাজ্জুদ নামাজ কায়েম করো; এটা তোমার জন্য এক অতিরিক্ত কর্তব্য। আশা করা যায়, তোমার প্রতিপালক তোমাকে প্রতিষ্ঠিত করবেন মাকামে মাহমুদ তথা প্রশংসিত স্

ইসলামে পরিচ্ছন্নতার গুরুত্ব
ইসলামে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার প্রতি অধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আরবি ‘তাহারাহ’ শব্দের অর্থ পবিত্রতা। তাহারাহ যেমন কুফরি থেকে মুক্ত হওয়ার কথা বলে, তেমনি তা সব রকমের বাহ্যিক অপরিচ্ছন্নতা থেকেও মুক্ত হতে বলে।

উন্নত চরিত্র মুমিনের বৈশিষ্ট্য
অন্তর হলো ভেতরের এমন একটি যন্ত্র, যেখান থেকে মানুষের কর্মধারা প্রকাশিত হয়। সেখান থেকে যদি ভালো ও উপকারী কিছু প্রকাশ হয়, তাকেই উত্তম চরিত্র বলা হয়। যেমন মার্জিত ভাষায় কথা বলা, কাউকে গালি না দেওয়া, দান-খয়রাত করা, দুঃখ-কষ্টে ধৈর্য ধরা, সততা বজায় রাখা, বিনয়ী ও স্পষ্টভাষী, শান্ত ভাব, লজ্জাশীলতা, বীরত্ব,

শাওয়ালের ছয় রোজার গুরুত্ব
আরবি চান্দ্র বছরের দশম মাস শাওয়াল। এ মাস আমল ও ইবাদতের জন্য অত্যন্ত উর্বর। ‘শাওয়াল’ আরবি শব্দ। এর অর্থ হলো উঁচু করা, উন্নতকরণ, পাল্লা ভারী হওয়া ইত্যাদি। প্রতিটি অর্থের সঙ্গেই শাওয়াল মাসের গভীর সম্পর্ক রয়েছে।

রমজান শেষে আমাদের উপলব্ধি
রহমত, মাগফিরাত ও জাহান্নাম থেকে মুক্তির সওগাত নিয়ে এসেছিল মাহে রমজান। রমজানের সিয়াম সাধনা মুসলিম উম্মাহকে পাপাচার, কামাচার ও মিথ্যাচার থেকে বিরত রাখার যে প্রশিক্ষণ দেয়, তা পরবর্তী ১১ মাস জীবনের সব ক্ষেত্রে মেনে চলার মাধ্যমে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ করা যায়। মাহে রমজানের শেষ মুহূর্তে আমাদের উপলব্

জাকাত কেন দিতে হয়
ইসলামের পাঁচ স্তম্ভের অন্যতম হলো জাকাত। নিজের প্রয়োজন মেটানোর পর অতিরিক্ত সাড়ে সাত তোলা সোনা বা সাড়ে ৫২ তোলা রুপা বা সমমানের অর্থ এক চান্দ্রবছর জমা থাকলে প্রাপ্তবয়স্ক বিবেক-বুদ্ধিসম্পন্ন মুসলমানের জন্য জাকাত দেওয়া ফরজ। জাকাত কোনো করুণা বা দয়া-দাক্ষিণ্য নয়; বরং ধনীর সম্পদে বঞ্চিতের অধিকার।

খাওয়াদাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত
সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য নিয়মিত ও পরিমিত খাওয়াদাওয়া করা জরুরি। খাদ্য-পানীয় হালাল হওয়া আবশ্যক। খাওয়াদাওয়ার বেশ কিছু ইসলামি শিষ্টাচার রয়েছে, যা মেনে চললে খাওয়াটাও ইবাদত বলে গণ্য হবে। খাওয়া শুরু করার আগে উভয়

ইসলামে বই পড়া ও জ্ঞানচর্চার গুরুত্ব
মহানবী (সা.)-এর ওপর হেরা গুহায় প্রথম কোরআনের যে আয়াত নাজিল হয়েছিল, তা ছিল পড়াসংক্রান্ত। আল্লাহ তাআলা মহানবী (সা.)-কে বলেছেন, ‘পড়ো, তোমার পালনকর্তার নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন।’ (সুরা আলাক: ১) সুতরাং মহান প্রতিপালক আল্লাহর নামে পড়ার তাগিদ দিয়েই পবিত্র কোরআন নাজিলের সূচনা হয়েছিল।

কোরআনে চিন্তা ও গবেষণার তাগিদ
বিবেক-বুদ্ধি, ন্যায়-অন্যায় ও সত্য-মিথ্যার পার্থক্য বোঝার ক্ষমতা দিয়েই আল্লাহ মানুষ সৃষ্টি করেছেন। তাই মানুষ আশরাফুল মাখলুকাত তথা সৃষ্টির সেরা জীব। মানুষের সর্বোত্তম কাজ হলো আল্লাহ ও তাঁর সৃষ্টি নিয়ে চিন্তা ও গবেষণা করা। কেননা এর মাধ্যমে বান্দা আল্লাহর পরিচয় লাভ করতে পারে।

মা-বাবার আনুগত্য কেন এত গুরুত্বপূর্ণ
ইসলামে মহান আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (সা.)-এর আনুগত্যের পরই একজন মানুষের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হলো তার মা-বাবার আনুগত্য। কারণ, আল্লাহ ও রাসুল (সা.)-এর পর একজন মানুষের প্রতি পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি অনুগ্রহ, মমতা ও ভালোবাসা দেওয়া ব্যক্তিরা হলেন

উত্তম চরিত্র গঠনের তাগিদ
মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) সর্বোত্তম চরিত্রের মাধ্যমেই অন্ধকারসমাজকে আলোয় ভরিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছিলেন। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘হে রাসুল, অবশ্যই আপনি মহান চরিত্রের অধিকারী।’ (সুরা কলম: ৪) তাই উত্তম চরিত্র গঠনের সর্বোত্তম উপায় হলো, মহানবী (সা.)-এর সুন্নতের অনুসরণ করা। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘নিশ্চয়ই তোমাদের জন্
