
অধ্যাপক ডা. সানজিদা শাহ্রিয়া
অধ্যাপক ডা. সানজিদা শাহ্রিয়া
সকল লেখা

পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠদের সঙ্গে আন্তসম্পর্ক গড়ে তুলতে যা করবেন
নগরায়ণের ফলে যৌথ পরিবারগুলো ভেঙে একক পরিবার গড়ে উঠছে গ্রাম ও শহরে। শহুরে জীবনে বর্তমানে অনেক পরিবারেই স্বামী-স্ত্রী দুজনই কর্মজীবী। ফলে পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠরা সে পরিবারে থাকলেও দিনের বেশির ভাগ সময় তাঁরা একাকিত্বে ভোগেন।

মতের অমিল হলে ম্যারিটাল থেরাপি নিন
দম্পতিদের মতের অমিল হওয়া সাধারণ বিষয়। কিন্তু কেন তা হচ্ছে, সেটি দেখিয়ে দেওয়ার জন্য একজন নিরপেক্ষ মানুষ দরকার। স্বামী-স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে সম্পর্কের জট খোলা সেই মানুষের কাজ। জট খোলার প্রক্রিয়া হলো ম্যারিটাল থেরাপি।

পরিবারের জন্য একটু সময় রাখুন
কর্মব্যস্ত দিন শেষে ঘরে ফিরলেও অনেকের পরিবারকে দেওয়ার মতো সময় প্রায় থাকে না। তার ওপর প্রতিদিন বিভিন্ন ডিভাইস আমাদের পরিবারকে দেওয়া সময় অনেকটাই গিলে নিয়েছে। কিন্তু সুস্থ-স্বাভাবিক জীবনের জন্য পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর বিকল্প নেই।

পরিবারের বড়রা কেমন আছেন
আজ আন্তর্জাতিক পরিবার দিবস। এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘ফ্যামিলিজ অ্যান্ড আরবানাইজেশন’, অর্থাৎ পরিবার ও নগরায়ণ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে নগরায়ণের ফলে যৌথ পরিবারগুলো ভেঙে একক পরিবার গড়ে উঠতে শুরু করে পৃথিবীব্যাপী।

কাটুক আদুরে সময়
সাগরের নীল জলরাশির দিকে তাকিয়ে হাতে হাত রেখে অযথাই দাঁড়িয়ে থাকা মিনিটের পর মিনিট কিংবা ঝুম বৃষ্টিতে জানালার কাচ ধুয়ে দেওয়া বৃষ্টির ছাটের সামনে এক মগ কফি বা গরম চা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা। তাও সময়ের...

উড়িয়ে দিন সম্পর্কের বিষবাষ্প
আমাদের সম্পর্কগুলো মাঝে মাঝেই বিষাক্ত হয়ে ওঠে। বিভিন্ন কারণে যখন দুজনের মনে বিষবাষ্প জমে, তখন তৈরি হয় সম্পর্কের টানাপোড়েন। এই টানাপোড়েনে সম্পর্কের ইলাস্টিসিটি নষ্ট হতে থাকে। পুঞ্জীভূত বাষ্প উত্তপ্ত হলে সম্পর্ক দূষিত হয়ে যায়। কিন্তু কেন সম্পর্কে জমে বিষবাষ্প, তার কিছু কারণ খুঁজে পেয়েছেন গবেষকেরা। ক

প্রাণ খুলে বাঁচো
আমরা যদি চাই মাত্র ১৫ শতাংশ আচরণে অতীতের ছাপ রেখে নিজেকে বদলে ফেলতে পারি....

ডায়াবেটিক রোগীর মানসিক যত্ন
ডায়াবেটিস একটি নিরাময় অযোগ্য রোগ। ইদানীং ডায়াবেটিসকে লাইফস্টাইলের সঙ্গে সম্পৃক্ত করে নিতে বলা হয়। ২০১৯ সালে পুরো পৃথিবীতে ৯ দশমিক ৩ শতাংশ মানুষ এই রোগে আক্রান্ত ছিলেন। কিন্তু আশঙ্কার কথা হলো, ২০৪৫ সাল নাগাদ ১০ দশমিক ৯ শতাংশ মানুষ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হবে।

বেঁচে থাকাটা সুন্দর হওয়া প্রয়োজন
জীবন সুন্দর—এ কথা কে না জানে। আমরা বিশ্বাস করতে চাই, বেঁচে থাকার প্রতিটি দিনই নতুন। প্রতিদিনই আমরা নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখি। কিন্তু দুঃখজনক হলেও এ কথা সত্য, আমাদের কাছে-পিঠের অনেক স্বজনই দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত।

ঘুমের ওষুধ সমাধান নয়
আমি একজন গৃহিণী। বয়স ২৬ বছর। ইদানীং যে সমস্যাটা হচ্ছে, কোনো কারণে রেগে গেলে উত্তেজনা কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারি না। অত্যন্ত চেঁচামেচি করতে থাকি। হাতের কাছের জিনিসপত্র ভাঙচুর করি। কখনো কখনো নিজের শরীরেও আঘাত করি। যখন এসব করি তখন কোনো বোধই কাজ করে না।

সময়মতো সঠিক সিদ্ধান্ত জরুরি
আমার মেয়ের বয়স ৯ বছর। উচ্চতা ৪ ফুট। ওজন ২৩ কেজি। চিকিৎসকের পরামর্শে প্রতিদিন একটি করে ডিম খায় সে। সঙ্গে অন্যান্য স্বাভাবিক খাবার। কিন্তু তার ওজন সম্ভবত বাড়ছে না। আমরা বাসায় রেডমিট তেমন একটা খাই না। চিকেন, সবজি আর মাছ বেশি খাই। তার সবকিছু ঠিক আছে কি না, জানালে উপকৃত হব।

চাপের চাবি ঘুরিয়ে দিন
মানসিক চাপ বা স্ট্রেস কমবেশি সবারই আছে। কিন্তু এই চাপ যাঁরা ভালোভাবে সামলাতে পারেন, তাঁরাই মূলত গুছিয়ে জীবনযাপন করতে পারেন। অর্থাৎ চাপ থেকে মুক্ত থাকার চাবি আপনার নিজের হাতেই। নিজের দিকে মনোযোগ দিন দেখবেন মানসিক চাপ এমনিতেই কমে গেছে অনেকখানি। যা করতে পারেন:
