
উপমহাদেশের কিংবদন্তি গজলশিল্পী জগজিৎ সিংয়ের গান ও সংগীত ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে অ্যালিয়ঁস ফ্রঁসেজ দ্য ঢাকা আয়োজন করেছে ‘গজল ইভনিং: আ ট্রিবিউট টু জগজিৎ সিং’ শীর্ষক সংগীতসন্ধ্যা। আজ শনিবার অ্যালিয়ঁস ফ্রঁসেজের ধানমন্ডি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে গজলপ্রেমীদের উপস্থিতিতে মিলনায়তন পূর্ণ হয়ে ওঠে।
অনুষ্ঠানে গজল পরিবেশন করেন মঞ্জুরুল ইসলাম খান। তাঁর সঙ্গে অতিথি শিল্পী হিসেবে ছিলেন আফসানা রুনা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ইন্দ্রাণী নিশি।
শিল্পীদের পরিবেশনায় গজলের সুর, কাব্যিক সৌন্দর্য ও আবেগের নানা দিক শ্রোতাদের সামনে তুলে ধরা হয়। দর্শক-শ্রোতাদের ব্যাপক উপস্থিতি গজল সংগীতের প্রতি আগ্রহ এবং জগজিৎ সিংয়ের গানের স্থায়ী আবেদনকে আরও একবার স্পষ্ট করে।
গজলের কাব্যিক আবেদন, সুরের মাধুর্য ও আবেগের গভীরতাকে ঘিরে সাজানো হয় সন্ধ্যার পরিবেশনা। জগজিৎ সিংয়ের স্বতন্ত্র গায়কি ও তাঁর গানের দীর্ঘস্থায়ী জনপ্রিয়তা স্মরণ করার পাশাপাশি উপমহাদেশের সংগীতজগতে গজলের সমৃদ্ধ ঐতিহ্যও উঠে আসে আয়োজনে।
বাংলাদেশের গজলশিল্পী মঞ্জুরুল ইসলাম খান তাঁর সংগীতগুরু জগজিৎ সিংয়ের দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত। গজলের চর্চা ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে তিনি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন।
মঞ্জুরুল ইসলাম খান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পাশাপাশি ভারতের বোম্বে বিশ্ববিদ্যালয়, বর্তমান মুম্বাই বিশ্ববিদ্যালয়, থেকে সংগীতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।
সংগীত পরিবেশনার পাশাপাশি মঞ্জুরুল ইসলাম খান নিয়মিত অ্যালিয়ঁস ফ্রঁসেজ দ্য ঢাকায় ‘সাবকন্টিনেন্টাল ক্ল্যাসিক্যাল মিউজিক ওয়ার্কশপ’ পরিচালনা করেন। কর্মশালাগুলোতে উপমহাদেশের দুটি গুরুত্বপূর্ণ ধ্রুপদি সংগীতধারা—উত্তর ভারতের হিন্দুস্তানি ও দক্ষিণ ভারতের কর্ণাটকী সংগীত—নিয়ে আলোচনা ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
সংগীতের ইতিহাস, তত্ত্ব ও চর্চার মধ্য দিয়ে অংশগ্রহণকারীদের এ অঞ্চলের ধ্রুপদি সংগীতের ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচিত করানো হয়।

শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ছায়ানটের দুই দিনব্যাপী শরৎ উৎসব শুরু হয়েছে। শুক্রবার উদ্বোধনী দিনে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ছায়ানটের শিক্ষার্থীরা গান, নৃত্য ও আবৃত্তি পরিবেশন করে। শনিবার সেন্ট গ্রেগরি হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজে দ্বিতীয় দিনের অনুষ্ঠান হবে...
২ দিন আগে
কানাডীয় সাহিত্যিক অ্যান কারসন সমকালীন সাহিত্যের নতুন ধারার জন্ম দিয়েছেন। আর এর জন্য এবার সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার তিনিই জিতেছেন। আজ বৃহস্পতিবার সুইডিশ একাডেমি এ পুরস্কার ঘোষণা করে।
৩ দিন আগে
পড়েছেন চিত্রকলায়। কিন্তু শিল্পের খুব কমই শাখা আছে, যেখানে মুস্তাফা মনোয়ার হাত দেননি। শুধু হাত দেওয়া নয়, স্বকীয়তার ছাপ রেখেছেন। তবে সবকিছু ছাপিয়ে পাপেট-সংশ্লিষ্টতাই তাঁকে সারা দেশের ঘরে ঘরে পরিচিত মুখ করে তুলেছিল।
১০ দিন আগে
মুক্তির সংগ্রামে অনুভবের বৈভব আমার কাছে কোনো নির্দিষ্ট ঘটনা বা রাজনৈতিক বয়ানের সরাসরি চিত্রায়ণ নয়। এখানে মুক্তি বলতে আমি শুধু রাজনৈতিক বা সামাজিক মুক্তিকে বুঝি না, এর সঙ্গে যুক্ত আছে মানুষের মর্যাদা, মানবিক মৌলিক অধিকার, ন্যায়, স্বাধীনতা এবং আত্মমুক্তির গভীর আকাঙ্ক্ষা...
১০ দিন আগে