
ইরান যুদ্ধের উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে যদি বর্তমান শাসনের পতন ঘটে, তবে দেশটিতে গণতন্ত্র আসার সম্ভাবনা ক্ষীণ। বরং বিশ্লেষকদের মতে, এর ফলে জন্ম নিতে পারে ‘আইআরজিস্তান’ নামক এমন এক সামরিক শাসিত রাষ্ট্র, যেখানে ক্ষমতার মূল চাবিকাঠি থাকবে দেশটির প্রভাবশালী সামরিক বাহিনী ‘ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী’ বা আইআরজিসির হাতে।
এমনটি মনে করছেন মার্কিন ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স কাউন্সিলের সাবেক ডেপুটি ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স অফিসার এবং আটলান্টিক কাউন্সিলের স্কোক্রফট মিডল ইস্ট সিকিউরিটি ইনিশিয়েটিভের পরিচালক জোনাথন প্যানিকফ। তিনি মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থায় নিয়ার ইস্ট বা নিকট প্রাচ্যবিষয়ক বিশেষজ্ঞ হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন।
প্যানিকফের মতে, ইরানের বর্তমান পরিস্থিতির আমূল পরিবর্তন দেশটিকে তিনটি সম্ভাব্য পথের দিকে নিয়ে যেতে পারে।
প্রথমত, যদি ধর্মীয় শাসনের অবসান ঘটে, তবে আইআরজিসি একটি সামরিক নিয়ন্ত্রিত রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারে। নতুন সুপ্রিম লিডার মোজতবা খামেনি এখানে কেবল একজন সহযোগী হিসেবে থাকবেন, কিন্তু তাঁর বাবার মতো চূড়ান্ত ক্ষমতার অধিকারী হবেন না। ক্ষমতার প্রকৃত মালিক হবে আইআরজিসি। এই ‘আইআরজিস্তান’ শুরুতে আঞ্চলিক ও অভ্যন্তরীণভাবে আরও বড় হুমকি হয়ে উঠতে পারে, কারণ তারা ক্ষমতা কুক্ষিগত করতে এবং অন্য কোনো শক্তির উত্থান রুখতে আরও কট্টর অবস্থান নেবে।
দ্বিতীয় সম্ভাবনাটি হলো, নতুন সামরিক নেতৃত্ব দ্রুত জনগণের সমর্থন পাওয়ার চেষ্টা করতে পারে। সে ক্ষেত্রে তারা অর্থনৈতিক বিপর্যয় কাটাতে এবং মার্কিন নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্তি পেতে ওয়াশিংটনের সাথে বড় ধরনের চুক্তিতে যাওয়ার ক্ষেত্রে নমনীয়তা দেখাতে পারে। এই কৌশলের মাধ্যমে তারা দেশীয় অর্থনীতিতে গতি এনে নিজেদের ক্ষমতাকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করবে।
তৃতীয় পথটি হলো একটি দীর্ঘস্থায়ী বিশৃঙ্খলা ও ক্ষমতার লড়াই। শাসনের কেন্দ্র ভেঙে পড়লে বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে সংঘাত শুরু হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে পশ্চিমা দেশগুলোকে কঠিন সিদ্ধান্তের মুখোমুখি হতে হবে—তারা কি এই গোলযোগের মধ্যে সরাসরি হস্তক্ষেপ করে নিজেদের অনুকূলে ফলাফল আনার চেষ্টা করবে, নাকি দূর থেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবে।

রাজ্যগুলোর আয়ের ৬০ শতাংশের বেশি খরচ হচ্ছে বেতন, পেনশন এবং এই জাতীয় পৌনঃপুনিক ব্যয়ে। ফলে রাস্তাঘাট, স্কুল, হাসপাতাল এবং কর্মসংস্থান তৈরির মতো দীর্ঘমেয়াদি খাতে বিনিয়োগ সংকুচিত হচ্ছে। অর্থনীতিবিদেরা এটিকে ‘ক্রাউডিং আউট ইফেক্ট’ বলে অভিহিত করছেন।
১০ ঘণ্টা আগে
ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। গত ৯ মে মস্কোতে রাশিয়ার বিজয় দিবসের সামরিক কুচকাওয়াজে তিনি বলেন—ইউক্রেন সংঘাতের বিষয়টি ‘সমাপ্তির দিকে এগোচ্ছে’ বলে তাঁর বিশ্বাস।
১ দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সর্বশেষ শান্তি প্রস্তাবকে ‘সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত, হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে কয়েক মাস ধরে চলা আলোচনায় নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
১ দিন আগে
২০২৪ সালের দমবন্ধ করা গরমে অনুষ্ঠিত ভারতের জাতীয় নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দল বিজেপির হোঁচট খাওয়া অনেকের কাছেই ইঙ্গিত ছিল যে তাঁর এক দশকের শাসনের অবসান হয়তো সামনে এসে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে, তিনি আগা আরও এক দশক পর্যন্ত ক্ষমতায় টিকে থাকার পথে এগিয়ে যাচ্ছেন।
১ দিন আগে