
ডোনাল্ড ট্রাম্প ও সি চিনপিংয়ের ওয়াশিংটন বৈঠকের কয়েক দিন আগে আমি এনডিটিভিতে লিখেছিলাম, চীনের সঙ্গে আলোচনার পর যুক্তরাষ্ট্র ভারতকে কতটা গুরুত্ব দেয়, এই শীর্ষ বৈঠক তা স্পষ্ট করে দেবে। আমি তিনটি সম্ভাব্য ফলাফলের কথা বলেছিলাম। ট্রাম্প চীনের কাছ থেকে বড় কোনো ছাড় আদায় করতে পারেন, দুই পক্ষ এমন একটি সীমিত চুক্তিতে পৌঁছাতে পারে, যার ফলে তাদের পারস্পরিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা অব্যাহত থাকবে, অথবা আলোচনা ব্যর্থ হতে পারে।
শীর্ষ বৈঠকে দ্বিতীয় ফলাফলটিই দেখা গেছে। তবে হোয়াইট হাউসের আনুষ্ঠানিক আয়োজন দেখে যতটা গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য মনে হয়েছে, বাস্তবে চুক্তির গুরুত্ব ততটা নয়। ভারতের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাটি ছিল তাইওয়ানকে ঘিরে। এখন ওয়াশিংটন তার কোনো অংশীদারকে সমর্থন করার বিষয়টিকেও বেইজিংয়ের সঙ্গে দর-কষাকষির হাতিয়ার হিসেবে বিবেচনা করছে। এই পরিবর্তনের অর্থ হলো, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ভারতের নিজের গুরুত্ব কতটা, তা নিয়ে ভারতের নতুন করে ভাবা উচিত।
দুই পক্ষ তাদের বাণিজ্যবিরতি মাত্র দুই মাস বাড়াতে সম্মত হয়েছে। অধিকাংশ মানুষ যতটা আশা করেছিলেন, এই মেয়াদ তার চেয়ে কম। তারা কৃষিপণ্য নিয়ে বাণিজ্যের বিষয়ে একটি কার্যকরী গোষ্ঠী গঠনের সিদ্ধান্তও নিয়েছে। এ বিষয়ে বছরের শেষ হওয়ার আগেই আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
মার্কিন থিংক ট্যাংক সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের স্কট কেনেডি বলেছেন, বাণিজ্য, বিরল মৃত্তিকা, পরিশোধিত তেল, বিনিয়োগ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে আলোচনায় যে ফলাফল এসেছে, তা সীমিত এবং অনিশ্চিত। চীনা বিশ্লেষকেরা সাংবাদিকদের বলেছেন, দুই দেশের সম্পর্ক এখনো আগের মতোই উত্তেজনাপূর্ণ।
বাণিজ্যবিরতির মেয়াদ মাত্র দুই মাস বাড়ানোর অর্থ হলো, দুই পক্ষকেই ঘন ঘন নিজেদের অবস্থান পর্যালোচনা করতে হবে। প্রতিটি সরকার অপর পক্ষের কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণ করতে পারবে এবং প্রয়োজন হলে আবার চাপ সৃষ্টি করতে পারবে। দুই দেশের নেতাদের নিয়মিত বৈঠক সম্পর্কের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। চলতি বছরে এটি ছিল তাঁদের দ্বিতীয় বৈঠক। এর আগে মে মাসে ট্রাম্প বেইজিং সফর করেছিলেন। নভেম্বর মাসে এশিয়া-প্যাসিফিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা (এপেক) সম্মেলনে যোগ দিতে ট্রাম্প আবার চীন সফর করবেন। আর ডিসেম্বরে জি-২০ সম্মেলনে যোগ দিতে সি মিয়ামিতে যাবেন।
বিশেষজ্ঞরা এই ব্যবস্থাকে ‘নিয়ন্ত্রিত প্রতিযোগিতা’ বলে অভিহিত করেন। এর অর্থ, দুই দেশ তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে, কিন্তু একই সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাবে, যাতে সমস্যাগুলো নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে না যায়। ঘন ঘন বৈঠকের ফলে উভয় পক্ষই কোনো সমস্যা সংকটে পরিণত হওয়ার আগেই তা সমাধানের সুযোগ পায়।
এই পদ্ধতিতে দুই নেতাই লাভবান হন। সি তাঁর দেশের জনগণকে দেখাতে পারেন যে—চীন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমান মর্যাদায় সম্পর্ক বজায় রাখছে, একই সঙ্গে নিজেদের অর্থনীতি, প্রযুক্তি ও সামরিক শক্তি বাড়াচ্ছে। অন্যদিকে, ট্রাম্প মার্কিন কৃষক ও ব্যবসায়ীদের দেখাতে পারেন যে শির সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করে তিনি ফল পাচ্ছেন।
ভারতের জন্য মূল প্রশ্ন হলো, এই অবস্থানে পৌঁছাতে দুই পক্ষকে কী কী ছাড় দিতে হয়েছে।
এর সবচেয়ে স্পষ্ট উদাহরণ হলো তাইওয়ান। মে মাসে বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত শীর্ষ বৈঠকের পর ওয়াশিংটন তাইওয়ানের জন্য রেকর্ড ১৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি অস্ত্র প্যাকেজ স্থগিত করে। ট্রাম্প চীনের সঙ্গে আলোচনায় তাইওয়ানের কাছে অস্ত্র বিক্রিকে ‘খুব ভালো দর-কষাকষির হাতিয়ার’ বলে অভিহিত করেছিলেন।
গত সপ্তাহের বৈঠকের পর ওয়াশিংটনের বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, অস্ত্র বিক্রির ওপর এই স্থগিতাদেশ অব্যাহত থাকবে। কারণ, এ বছরের বাকি সময়ে দুই নেতা আরও দুবার বৈঠক করবেন। হোয়াইট হাউসের প্রকাশিত বৈঠক-সংক্রান্ত তথ্যপত্রে তাইওয়ানের কোনো উল্লেখ ছিল না। অন্যদিকে, চীনের সরকারি বিবরণে বলা হয়েছে, সি ওয়াশিংটনকে তাইওয়ানের স্বাধীনতার বিরোধিতা করার আহ্বান জানিয়েছেন।
গত রোববার চীনে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডেভিড পারডিউ বলেন, ট্রাম্প সিকে বুঝিয়েছেন যে তাইওয়ানের কাছে অস্ত্র বিক্রি যুক্তরাষ্ট্রের নিয়মিত অস্ত্র বিক্রির বহু উদাহরণের মধ্যে একটি মাত্র। এমনকি ট্রাম্প নাকি সিকে জিজ্ঞেসও করেছেন, চীন নিজেই যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে অস্ত্র কিনতে চায় কি না।
চীন সরকারের ঘনিষ্ঠ এক গবেষক শীর্ষ বৈঠকের আগেই বিষয়টি সহজভাবে ব্যাখ্যা করেছিলেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, মার্কিন সামরিক সরঞ্জাম রপ্তানি স্থগিত থাকায় এই আলোচনার ফল চীনের জন্য ভালো হয়েছে। চুক্তিটি দুই পক্ষের মধ্যে ভারসাম্যপূর্ণ ছিল না। চীন একটি বাস্তব কৌশলগত সুবিধা পেয়েছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র কৃষিপণ্য কেনার বিষয়ে কিছু প্রতিশ্রুতি পেয়েছে, যেগুলো বাস্তবে পূরণ নাও হতে পারে।
এই ভারসাম্যহীনতার একটি স্পষ্ট কারণ রয়েছে। ২০২৫ সালের অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কের জবাবে চীন বিরল মৃত্তিকা উপাদানের রপ্তানি সীমিত করে। এসব উপাদান মার্কিন শিল্প ও প্রতিরক্ষা খাতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ওয়াশিংটন নিজের অবস্থান নমনীয় করে। চীনের হাতে চাপ প্রয়োগের কার্যকর উপায় ছিল, আর দেশটি তা ব্যবহার করে দুই দেশের সম্পর্ককে প্রভাবিত করেছে।
এখন যুক্তরাষ্ট্রের দুই প্রধান রাজনৈতিক দলের আইনপ্রণেতারা এবং তাইওয়ানের সরকার ট্রাম্প প্রশাসনের প্রতি অস্ত্র বিক্রির চুক্তিটি অনুমোদনের আহ্বান জানাচ্ছেন। তাঁদের প্রচেষ্টা সফল হবে কি না, তা দেখাবে যে চীনের বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের নীতিতে মার্কিন কংগ্রেস এখনো কতটা প্রভাব বিস্তার করতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত গ্রহণপ্রক্রিয়া নিয়ে তাকশশিলা প্রতিষ্ঠানের একটি গবেষণার জন্য আমি চলতি বছরের শুরুর দিকে দেশটির বর্তমান ও সাবেক ৪২ জন কর্মকর্তা, কংগ্রেসের কর্মী এবং নীতিবিশেষজ্ঞের সাক্ষাৎকার নিয়েছিলাম। গবেষণায় দেখা গেছে, ওয়াশিংটন এখন তার অংশীদারত্বগুলোকে আগের তুলনায় কম গুরুত্ব দেয়। এসব অংশীদারত্ব বজায় রাখতে রাজনৈতিক মূল্য দিতে বা রাজনৈতিক ঝুঁকি নিতে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহও কমেছে।
এই পরিবর্তনকে আমি ‘পুনর্মূল্যায়ন’ বা রিপ্রাইসিং বলি। গবেষণা শেষ হওয়ার পর থেকে তাইওয়ানের কাছে অস্ত্র বিক্রি স্থগিত রাখার ঘটনা এই পুনর্মূল্যায়নের সবচেয়ে স্পষ্ট উদাহরণ। কোনো একটি অংশীদারকে সমর্থন করার বিষয়টি যখন চীনের সঙ্গে দর-কষাকষির হাতিয়ারে পরিণত হয়, তখন প্রতিটি অংশীদারের গুরুত্বই নতুন করে আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।
ভারত ইতিমধ্যে সরাসরি এই পরিস্থিতির অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। ২০২৫ সালের আগস্টে বেইজিংয়ের সঙ্গে চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলার সময় ওয়াশিংটন ভারতীয় পণ্যের ওপর শুল্ক বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করে। চীন বিরল মৃত্তিকা উপাদানের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে জবাব দেয়, আর ওয়াশিংটন নিজের অবস্থান পরিবর্তন করে। ভারতের হাতে এ ধরনের কোনো সমতুল্য হাতিয়ার ছিল না। ফলে দেশটিকে ছয় মাস ধরে এই শুল্কের বোঝা বহন করতে হয়েছে।
নয়াদিল্লির অনেকেই বিশ্বাস করে এসেছেন যে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা যত বাড়বে, ওয়াশিংটনের কাছে ভারতের গুরুত্বও তত বাড়বে। ২০২৫ সালের ঘটনাগুলো এই ধারণাকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। গত ১৮ সেপ্টেম্বর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এমন এক আইনে স্বাক্ষর করেন, যা কংগ্রেসের উভয় কক্ষে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতায় পাস হয়। আইনটি রাশিয়ার তেল ও গ্যাসের সবচেয়ে বড় ক্রেতাদের ওপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের সুযোগ দেয়। এই ক্রেতাদের মধ্যে ভারতও রয়েছে।
চীনও একই আইনের আওতায় পড়ে। কিন্তু এর মাত্র এক সপ্তাহ পর সি বিরল মৃত্তিকা উপাদানকে পাল্টা চাপ প্রয়োগের হাতিয়ার হিসেবে সঙ্গে নিয়ে ওয়াশিংটনে আসেন। গত সপ্তাহের শীর্ষ বৈঠক সেই শিক্ষাকেই আরও স্পষ্ট করেছে। তবে তাইওয়ানের সঙ্গে ভারতের তুলনার কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। ভারত একটি সার্বভৌম শক্তি, যার নিজস্ব প্রভাব ও সক্ষমতা রয়েছে। এখানে মূল বিষয় হলো ওয়াশিংটনের দৃষ্টিভঙ্গি।
বেইজিংয়ের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রেও নয়াদিল্লি একই ধরনের পদ্ধতি ব্যবহার করে। ২০২৪ সালের অক্টোবরে সীমান্ত থেকে সেনা সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে সমঝোতার পর ভারত ধীরে ধীরে চীনের সঙ্গে যোগাযোগের বিভিন্ন পথ আবার চালু করেছে। ২০২৫ সালের আগস্টে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তিয়ানজিনে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেন। পাঁচ বছর বন্ধ থাকার পর ২০২৫ সালের ২৬ অক্টোবর দুই দেশের মধ্যে সরাসরি বিমান চলাচলও আবার শুরু হয়।
ভারত চীনকে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিবেচনা করলেও দেশটির সঙ্গে কার্যকর সম্পর্ক বজায় রাখছে। যুক্তরাষ্ট্রকে বিচার করার ক্ষেত্রেও ভারতের নিজের জন্য যে মানদণ্ড ব্যবহার করা হয়, একই মানদণ্ড প্রয়োগ করা উচিত। মূল শিক্ষা হলো, ভারত কী ধরনের মূল্য বা গুরুত্ব তৈরি করছে, সেটি বোঝা। যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ভারতের গুরুত্বের একটি অংশ এসেছে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যকার উত্তেজনা থেকে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, চীন থেকে সরিয়ে নেওয়া সরবরাহব্যবস্থা বা উৎপাদন কার্যক্রমের জন্য ভারত একটি আকর্ষণীয় গন্তব্য হয়ে উঠেছিল।
কিন্তু ওয়াশিংটন ও বেইজিং যখন শুল্ক কমায়, তখন ভারতের এই সুবিধা কমে যায়। ভারতের অন্য কিছু শক্তি রয়েছে, যেগুলোর মূল্য যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সম্পর্কের ওঠানামার ওপর নির্ভর করে না। ভারত মহাসাগরে ভারতের নৌ-উপস্থিতি, নির্ভরযোগ্যভাবে বড় পরিসরে উৎপাদন করার সক্ষমতা এবং আঞ্চলিক অংশীদারদের সহায়তা করতে পারে এমন প্রতিরক্ষা শিল্প এই শক্তিগুলোর অন্তর্ভুক্ত। ভারত যত বেশি এসব সক্ষমতা গড়ে তুলবে, ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের সম্পর্কের উত্থান-পতনের ওপর তার নির্ভরতা তত কমবে।
পরবর্তী পরীক্ষা খুব শিগগিরই আসছে। ভারতীয়দের নজর রাখা উচিত, নভেম্বর মাসে ট্রাম্পের চীন সফরের পর তাইওয়ানের কাছে অস্ত্র বিক্রির চুক্তিটি এগোয় কি না। ডিসেম্বরে মিয়ামিতে অনুষ্ঠিত বৈঠকের পরও যদি চুক্তিটি স্থগিত থাকে, তাহলে বুঝতে হবে, অংশীদারত্বের গুরুত্ব নতুন করে নির্ধারণ করার এই নীতি যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি নীতিতে পরিণত হয়েছে।
অন্যদিকে, ওয়াশিংটন যদি অস্ত্র বিক্রির চুক্তিটি অনুমোদন করে, তাহলে বোঝা যাবে, এবারের আলোচনায় স্থগিতাদেশটি ছিল কেবল দর-কষাকষির একটি কৌশল। যে ফলাফলই আসুক না কেন, এর মাধ্যমে নয়াদিল্লি বুঝতে পারবে, বেইজিংয়ের সঙ্গে চুক্তিতে পৌঁছানোর স্বার্থের বিপরীতে ওয়াশিংটন তার কোনো অংশীদারের নিরাপত্তাকে কীভাবে বিবেচনা করে।
ভারতের উচিত এই শিক্ষা মাথায় রেখে নিজের অংশীদারত্বগুলো নিয়ে পরিকল্পনা করা।
এনডিটিভিতে লিখিত ভারতীয় ব্রিগেডিয়ার (অব.) অনিল রমনের নিবন্ধ থেকে অনূদিত

নাইকি এখনো বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্পোর্টস ব্র্যান্ড এবং বিশ্বজুড়ে তরুণদের মাঝে এর বিপুল গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। তবে একসময় যেভাবে বিশ্ববাজারে একক আধিপত্য বজায় রেখেছিল, সেখানে যে বড় ধরনের চিড় ধরেছে তা স্পষ্ট।
১ দিন আগে
বাংলাদেশের বিশ্বের এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) শিল্পের অন্যতম সাফল্যের গল্প হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার বদলে দেশটি এখন এই শিল্পের জন্য এক সতর্কবার্তায় পরিণত হচ্ছে।
২ দিন আগে
মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ২০২৬ সালের জুলাইয়ে ‘মেড ইন ইন্ডিয়া: দ্য সাপ্লাই অব ওয়েপনস অ্যান্ড মিউনিশসন টু ইসরায়েল’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে বলা হয়, গাজায় চলমান ইসরায়েলের ‘গণহত্যামূলক’ সামরিক অভিযানের পুরো সময়জুড়ে ভারত ইসরায়েলে কয়েক...
৫ দিন আগে
ইরাকে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের শেষ সামরিক ঘাঁটিগুলো থেকেও মার্কিন সেনারা চলতি সপ্তাহের বুধবার অর্থাৎ, আগামীকালই চলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। ইরান ও তার আঞ্চলিক মিত্র গোষ্ঠীগুলো এই ঘটনাকে নিজেদের বিজয় হিসেবে দেখছে।
৫ দিন আগে