
লিবিয়ার সাবেক শাসক মুয়াম্মার গাদ্দাফির ছেলে সাইফ আল-ইসলামের মৃত্যু অনেকের কাছেই চমক জাগানিয়া কোনো ঘটনা নয়। বরং বিস্ময়ের বিষয় ছিল—২০১১ সালে তাঁর বাবা, ভাই ও পুরো শাসকগোষ্ঠীর পতনের পরও তিনি কীভাবে এত বছর বেঁচে ছিলেন। এক রহস্যময় অভিযানে তাঁর মৃত্যুর খবর সামনে এলেও, লিবিয়ার দীর্ঘ রাজনৈতিক সহিংসতার ধারাবাহিকতায় এই পরিণতি ছিল প্রায় অনিবার্য।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ‘মিডল ইস্ট মনিটর’-এর এক প্রবন্ধে ব্রিটিশ-ইরাকি লেখক কারাম নামা লিখেছেন—সাইফ আল-ইসলামের টিকে থাকা কোনো ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা বা রাজনৈতিক দক্ষতার ফল ছিল না। তিনি বেঁচে ছিলেন কারণ বিভিন্ন দেশীয় ও বিদেশি শক্তির কাছে তিনি ছিলেন একটি ‘সম্ভাবনা’—বিকল্প নেতৃত্ব না হলেও তিনি ছিলেন দর কষাকষি, চাপ সৃষ্টি কিংবা ব্ল্যাকমেলের একটি হাতিয়ার। ২০১১ সালের পরবর্তী লিবিয়া কোনো নেতা চায়নি; চেয়েছে আরও কিছু ‘কার্ড’। আর সেই কার্ডের কার্যকারিতা শেষ হলে, তাকে সরিয়ে দেওয়াই হয়ে ওঠে রাজনৈতিক খেলাটির স্বাভাবিক নিয়ম।
সাইফ আল-ইসলাম এত দিন বেঁচে ছিলেন, কারণ লিবিয়ার বিভিন্ন শক্তির মধ্যে এক ধরনের ভয়ের ভারসাম্য বজায় ছিল। সেই ভারসাম্য ভেঙে পড়তেই তাঁর মৃত্যু হয়ে ওঠে একটি ‘সমাধান’।
কারাম মত দিয়েছেন—২০১১-এর পর লিবিয়ায় গড়ে ওঠা মিলিশিয়া ও ক্ষমতালোভী গোষ্ঠীগুলোরও কোনো জাতীয় প্রকল্প নেই। তাদের ব্যক্তিগত, আঞ্চলিক ও গোত্রগত স্বার্থ বরাবরই রাষ্ট্রীয় চিন্তার ওপরে স্থান পেয়েছে।
২০২১ সালে লিবিয়ার দক্ষিণের শহর সাবহা থেকে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়ে সাইফ আল-ইসলাম কার্যত স্বীকার করে নেন—ত্রিপোলি বা বেনগাজি তাঁর জন্য আর নিরাপদ নয়। মরুভূমির এই শহর রাজনৈতিকভাবে এক ধরনের ‘নরকের পথে যাত্রা’ হিসেবে পরিচিত। এখান থেকেই তিনি বাবার শেষ কৌশল পুনরাবৃত্তি করতে চেয়েছিলেন।
পশ্চিমা বিশ্বে একসময় সংস্কারপন্থী হিসেবে পরিচিত হলেও, সাইফ আল-ইসলামের তথাকথিত জাতীয় প্রকল্প ছিল মূলত বক্তব্যনির্ভর। বাস্তব ক্ষমতা বা সামাজিক সমর্থন তাঁর হাতে ছিল না। নির্বাচনী মানচিত্রেও তাঁর অবস্থান দুর্বল—ত্রিপোলি ও মিসরাতায় প্রায় শূন্য, বেনগাজিতে সীমিত, কেবল দক্ষিণে সামান্য প্রভাব।
তবে সাইফের মৃত্যু লিবিয়ার সংকটের সমাধান নয়; বরং বিভক্ত ও অনিশ্চিত ভবিষ্যৎকে আরও ঘোলাটে করে তুলেছে। জাতীয় ঐক্যের আশা গতকাল যেমন কঠিন ছিল, আজও তেমনি, আর আগামীতেও তা আরও দুরূহ হয়ে উঠবে।

গত এক বছরে ট্রাম্প-মোদির পাঁচ দফা আলোচনা ও আটবার ফোনালাপ হয়েছে, কিন্তু দিল্লি কোনোভাবেই কৃষকদের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে চুক্তিতে সই করতে রাজি হয়নি। তাহলে এখন এ চুক্তি হলো কীভাবে? তবে কি ভারত তাদের ৭০ কোটি কৃষকের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে দিল! যদি দিল্লি এমনটাই করে থাকে, তবে প্রশ্ন ওঠে—এটি আসলে...
৯ ঘণ্টা আগে
চলতি বছরের জানুয়ারিতে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের মঞ্চে দাঁড়িয়ে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার ওপর এক নজিরবিহীন ভাষণ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, কয়েক দশক ধরে পশ্চিমা দেশগুলো এমন এক ‘আদর্শ ও শৃঙ্খলাভিত্তিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা’র কথা বলে সমৃদ্ধ হয়েছে, সেটি তারা
১ দিন আগে
প্রতিরক্ষা শিল্পে এক অভাবনীয় সাফল্যের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে পাকিস্তান। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বিশ্বের অন্তত পাঁচটি দেশ পাকিস্তানের জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়ে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বিশেষ করে ২০২৫ সালের মে মাসে ভারতের সঙ্গে আকাশযুদ্ধে এই বিমানের ‘অসাধারণ’ পারফরম্যান্সের পর...
২ দিন আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে নিজেদের ম্যাচ বয়কট করার ঘোষণা দিয়েছে পাকিস্তান। তবে টুর্নামেন্টের বাকি ম্যাচগুলোতে অংশ নেবে দেশটি। দক্ষিণ এশিয়ার ক্রিকেট ও রাজনীতিতে এই সিদ্ধান্ত নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করেছে।
২ দিন আগে