করতোয়া নদীর পশ্চিম তীর ঘেঁষে বগুড়া শহরে নবাব প্যালেসের অবস্থান। ১৯৯৮ সালে এটি নবাব মোহাম্মাদ আলী প্যালেস মিউজিয়াম অ্যান্ড অ্যামিউজমেন্ট পার্ক হিসেবে এর বাণিজ্যিক যাত্রা শুরু করে। নবাববাড়ির পুরোনো প্রাসাদটি বিশাল এক জাদুঘর। বাড়ির আঙিনায় ও প্রাসাদের ভেতর নান্দনিক সব ভাস্কর্য, যেগুলো মূলত গ্রামীণ ও নবাবি আমলের ইতিহাসের প্রতিফলন। রয়েছে দৃষ্টিনন্দন জোড়া ঘোড়ার গাড়ি, কোচওয়ানদের হাতে চাবুক, কামান ইত্যাদি। এখানকার নেপালি দারোয়ান, মালি, পালকি, বেহারা, কোচওয়ান, টমটম, সিংহ, বাঘ, কুমির, ময়ূর, রাজহাঁস, বিভিন্ন পাখির প্রতিমূর্তি—সবই যেন ইতিহাসের সাক্ষ্য দেয়। শিল্পীর তুলির ছোঁয়ায় এই বাড়ির সদস্য নবাব সৈয়দ আবদুস সোবাহান চৌধুরী, নবাবজাদা সৈয়দ আলতাফ আলী চৌধুরী, তৎকালীন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী সৈয়দ মোহাম্মাদ আলী, সৈয়দা তহুরুন নেছা চৌধুরানী, সৈয়দা আলতাফুন নেছা চৌধুরানীদের ছবিতে সেজেছে প্রাসাদের দেয়াল। অতিথি আপ্যায়ন, বিলিয়ার্ড খেলা, পড়ার ঘর, জলসাঘরের দৃশ্য, নায়েবের খাজনা আদায়—এসব দৃশ্যও ভাস্কর্যের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে জাদুঘরে।
ছবি: সংগৃহীত

বিনিয়োগ হতেই পারে, তবে সেটার ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। নিজস্ব সম্পদের যথাসম্ভব ব্যবহার বাড়াতে হবে। বুঝতে হবে, বিদেশিরা বিনিয়োগ করে মুনাফার জন্য। ওই বিনিয়োগ থেকে স্থানীয় বা সাধারণ জনগণ কতটুকু উপকৃত হবে, তা-ও আমাদের জানা নেই। বাস্তবতা হলো, এর মাধ্যমে কিছুসংখ্যক লোক বেশি উপকৃত হয়।
৬ দিন আগে
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার আদমপুর ইউনিয়নের ছনগাঁও গ্রামের হামোম তনু বাবু ২০০৬ সালে নিজ বাড়িতে গড়ে তুলেছেন একটি মণিপুরি জাদুঘর। তিনি তাঁর বাবার নামে সংগ্রহশালাটির নামকরণ করেছেন ‘চাউবা মেমোরিয়াল মণিপুরি ইন্টেলেকচুয়াল প্রোপার্টি মিউজিয়াম’।
৭ দিন আগে
এখন আর যাই থাক বা না থাক দ্রোহ বা বিপ্লব বলে কিছু নেই। শুধু বাংলাদেশে নয়, দুনিয়া থেকেই এই প্রক্রিয়া বা মানুষের ত্যাগের ইতিহাস বিলুপ্ত প্রায়। আমাদের যৌবন পর্যন্ত আমরা জানতাম যাঁরা দেশ ও মানুষকে ভালোবেসে আত্মদান করেন তাঁরা অমর।
১২ দিন আগে
আমি সক্রিয় ছাত্ররাজনীতিতে জড়িত হই ১৯৮২ সালের মার্চে; জেনারেল এরশাদের জবরদস্তিমূলক রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের পরপর, বিশেষত ক্ষমতা জবরদখলের পর প্রথম হুমকিমূলক একটি ঘোষণা প্রচারের পর। যে ঘোষণায় বলা হয়েছিল, ‘আকারে ইঙ্গিতে, আচারে-উচ্চারণে সামরিক শাসনের সমালোচনা করলেও সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড হবে।’ বুঝুন অবস্থা।
১৩ দিন আগে