উত্তরবঙ্গের ঘরোয়া রান্নার সঙ্গে সবচেয়ে বেশি যে খাবারটি জড়িয়ে আছে, তা হলো সিদল। শুঁটকি মাছ আর কচুশাকের মিশ্রণে তৈরি এই খাবার বহুদিন ধরেই জনপ্রিয়। একসময় শুধু গ্রামাঞ্চলে পরিচিত থাকলেও এখন সারা দেশেই এর স্বাদ ও সুনাম ছড়িয়ে পড়ছে। সিদল বানানো হয় কচুশাক, শুঁটকি মাছ আর কিছু দেশি মসলা দিয়ে।
সবকিছু মেখে রোদে শুকিয়ে রাখা হয় কয়েক দিন। এতে শুধু স্বাদই বাড়ে না, দীর্ঘদিন সংরক্ষণও করা যায়। অনেকে আবার কাঁচা সিদল দিয়ে তরকারি রান্না করেন, তবে সবচেয়ে জনপ্রিয় হলো সিদল ভর্তা। ঠিকভাবে ভর্তা বানাতে পারলে এর স্বাদ মাছ-মাংসের যেকোনো পদকেও ছাড়িয়ে যায়—এমনটাই বিশ্বাস স্থানীয়দের। শীতকাল এলেই সিদল তৈরির ব্যস্ততা বেড়ে যায়। এ সময় দেশি মাছ প্রচুর পাওয়া যায় আর সেই শুঁটকি দিয়ে বানানো সিদলের স্বাদই আলাদা।
তথ্য: আব্দুর রহিম পায়েল, গঙ্গাচড়া (রংপুর)। ছবি: সংগৃহীত

অনেকে গরম-গরম স্যুপ ও নুডলস খেতে পছন্দ করেন। কিন্তু উত্তর কোরিয়াবাসীর কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় খাবার ঠান্ডা নুডলস। তাঁদের এই ঠান্ডা নুডলসের নাম পিয়ংইয়ং ন্যাংমাইয়ন। বাকহুইট বা ঢেমশির আটা থেকে তৈরি লম্বা লম্বা সেদ্ধ নুডলস ছেড়ে দেওয়া হয় হালকা স্বাদের ঠান্ডা গরু বা শূকরের মাংসের ঝোল এবং মুলার...
৪ দিন আগে
কবিতা আমাকে ‘হেলাল হাফিজ’ বানিয়েছে। একটা পরিচিতি পেয়েছি। কিন্তু আমার সব সময়ই মনে হয়, সে তুলনায় আমি কিছুই দিতে পারিনি। মাত্র দুটি বই। ভাবো একবার। মাঝেমধ্যে মনে হয় আমি অন্যায় করেছি, নিজের সঙ্গে, পাঠকের সঙ্গে। মাথায় কত কিছু আসছে, কিন্তু লিখতে সাহস হয়নি।
১০ দিন আগে
১৯৩০-এর দশকে প্রাচীন পারস্যের রাজধানী পারসেপোলিসের ধ্বংসাবশেষ থেকে প্রত্নতাত্ত্বিকেরা কিছু প্রাচীন মাটির ফলক উদ্ধার করেন। ৫১৫ খ্রিষ্টপূর্বাব্দের সেই ফলকগুলোতে রাজকীয় হেঁশেলের প্রয়োজনীয় উপাদানের তালিকা ছিল। সেখানে ছিল ফেসেনজান তৈরির মূল উপকরণগুলোর নামও। এটি আসলে ইরানের একটি বিখ্যাত...
১১ দিন আগে
ভারতবর্ষীয় ১৮৫৭ সালের বিপ্লবের পরে যখন কৃষকেরা অভ্যুত্থানে যোগ দিলেন, তখন তাঁরা যত কালেক্টরেট, যত তহশিল অফিস—ধ্বংস করেন, নথিপত্র পুড়িয়ে দেন। তাঁদের ধারণা, এই নথিপত্রই ছিল শোষণ করার হাতিয়ার। অত্যাচারের হাতিয়ার। কৃষককে তো আপনি বক্তৃতা দিয়ে শেখাবেন না, তাঁরা জিনিসটা কীভাবে দেখেন, সেটাই আমি বলছি।
১৭ দিন আগে