উত্তরবঙ্গের ঘরোয়া রান্নার সঙ্গে সবচেয়ে বেশি যে খাবারটি জড়িয়ে আছে, তা হলো সিদল। শুঁটকি মাছ আর কচুশাকের মিশ্রণে তৈরি এই খাবার বহুদিন ধরেই জনপ্রিয়। একসময় শুধু গ্রামাঞ্চলে পরিচিত থাকলেও এখন সারা দেশেই এর স্বাদ ও সুনাম ছড়িয়ে পড়ছে। সিদল বানানো হয় কচুশাক, শুঁটকি মাছ আর কিছু দেশি মসলা দিয়ে।
সবকিছু মেখে রোদে শুকিয়ে রাখা হয় কয়েক দিন। এতে শুধু স্বাদই বাড়ে না, দীর্ঘদিন সংরক্ষণও করা যায়। অনেকে আবার কাঁচা সিদল দিয়ে তরকারি রান্না করেন, তবে সবচেয়ে জনপ্রিয় হলো সিদল ভর্তা। ঠিকভাবে ভর্তা বানাতে পারলে এর স্বাদ মাছ-মাংসের যেকোনো পদকেও ছাড়িয়ে যায়—এমনটাই বিশ্বাস স্থানীয়দের। শীতকাল এলেই সিদল তৈরির ব্যস্ততা বেড়ে যায়। এ সময় দেশি মাছ প্রচুর পাওয়া যায় আর সেই শুঁটকি দিয়ে বানানো সিদলের স্বাদই আলাদা।
তথ্য: আব্দুর রহিম পায়েল, গঙ্গাচড়া (রংপুর)। ছবি: সংগৃহীত

জাম্বিয়ার গ্রামীণ অঞ্চলের মানুষ ঐতিহাসিকভাবেই কৃষির ওপর নির্ভরশীল। বাড়ির আঙিনায় বা খামারে তারা প্রচুর পরিমাণে কুমড়াপাতা, মিষ্টি আলুর পাতা এবং স্থানীয় শাকসবজি চাষ করত। এসব শাক-পাতা দিয়ে তারা রান্না করে ইফিসাশি। মূলত জাম্বিয়ার উত্তরাঞ্চলের বেম্বা উপজাতির ঐতিহ্যবাহী খাবার এটি।
১ দিন আগে
হাঁস রোস্ট করার সবচেয়ে প্রথম লিখিত উল্লেখ পাওয়া যায় চীনের উত্তর ও দক্ষিণ রাজবংশের সময়কালের একটি রান্নার বইয়ে। ১২৭১ সালে মঙ্গোল নেতা কুবলাই খান যখন ইউয়ান রাজবংশ প্রতিষ্ঠা করেন, তখন এই খাবারটি রাজকীয় খাদ্যতালিকার অংশ হয়ে ওঠে।
৮ দিন আগে
একসময় শিক্ষাকে একটি ফুটো পাত্র আকারে দেখা হতো, যেখানে হয়তো একজন পানি দিচ্ছে কিংবা কেউ শিক্ষাকে মন্ত্র হিসেবে দেখছেন; যার জোরে যে কেউ তাঁর নিজের মতো করে জ্ঞানের রাজ্যে হাঁটতে পারেন। ‘অন্বেষণ ও সৃষ্টি’র পথে নিজেকে প্রতিনিয়ত উন্নত থেকে উন্নততর করে তুলতে পারেন। ওই ধারার শিক্ষার কথা বলছেন ভনহাম বোল্ডট।
১৪ দিন আগে
ইউরোপীয় বা আফ্রিকানরা ক্যারিবীয় অঞ্চলে আসার বহু আগে থেকে এখানকার আদিবাসী জনগোষ্ঠীর প্রধান খাদ্য ছিল কাসাভা বা শিমুল আলু। তিতকুটে শিমুল আলু থেকে বিষাক্ত উপাদান বের করে, তা কুচি করে আগুনে সেঁকে রুটি বা পিঠা তৈরি করার একটি নিজস্ব ও প্রাচীন কৌশল তাদের জানা ছিল। এই আদিবাসী রন্ধনশৈলী থেকে জন্ম হয়...
১৫ দিন আগে