আমাদের এলাকায় ভাষা আন্দোলনের ধাক্কাটা তীব্রভাবে লাগলো। ভাষা আন্দোলনের একজন নেতা হলেন প্রিন্সিপাল কাশেম।... তারপরে ধরো এই কমিউনিস্ট আন্দোলন, আমাদের ওখানে তখন বড় বড় নেতা যেমন আহসাব উদ্দীন সাহেব, ওখানে মিটিং করতে আসতেন। সুধাংশু বিমল দত্তের বাড়ি আমাদের বাড়ি থেকে দু’মাইল তিন মাইল দূরে। তখন কৃষক সমিতি এগুলো করার জন্য ‘দে ওয়ার লুকিং ফর এ মুসলিম বয়’, যাদের পারিবারিক ইনফ্লুয়েনস আছে। আমি এটা পছন্দ করেছি এবং সে জন্য আমি কমিউনিজমের প্রতি, কৃষক সমিতির প্রতি আকৃষ্ট হয়ে কাজে লেগে যাই। ‘সূর্য তুমি সাথী’তে সেই কৃষক সমিতির একটা টোটাল বর্ণনা আছে। ... লেখালেখি না, তখন আমার একমাত্র স্বপ্ন ছিল সামাজিক বিপ্লব ঘটানো, কৃষক বিপ্লব ঘটানো। এরপর আমি কলেজ জীবনে আর এক লাইনও লিখিনি।
[ঢাকায় চলে] এসে প্রথমত সব জায়গায়ই কবিতা পাঠাতে আরম্ভ করলাম। কেউ কবিতা ছাপে না। সন্তোষ গুপ্ত বলে এক ভদ্রলোক, একেবারে চিকন সাপের জিহ্বার মতো টাই পরতেন উনি। একদিন আমাকে ধরে বললেন, ‘বাপ আছে’? আমি বললাম, নাই। বললেন, ‘ভাই আছে’? আমি বললাম, যে আছে। বললেন, ‘ভাইরে চিঠি দিব’। কেন? ‘বিয়া করাইয়া দেবো’। তারপরে কেউ কবিতা ছাপে না। পরে ইসলামিক একাডেমীতে ‘সবুজপাতা’ নামে একটা পত্রিকা বের করছিল। আমি বাচ্চাদের একটা লেখা লিখি। এটা ছাপা হয়। পরবর্তীতে এটা আবার ক্লাস এইটের টেক্সট বইতে সংকলিত করে। এটা আমার জীবনে আরেকটা মোড় ঘুরিয়ে দিলো। পরবর্তী পর্যায়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া যাবার রাস্তাটা করে দিল এই লেখা। সেটা লম্বা স্টোরি।
সূত্র: নাসির আলী মামুন কর্তৃক গৃহীত আহমদ ছফার সাক্ষাৎকার, ‘আহমদ ছফা বললেন...,’ পৃষ্ঠা: ২৪-২৫।

একসময় ক্যামেরুনের উপকূলীয় অঞ্চলের ডুয়ালা উপজাতি এবং সাওয়া জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী খাবার ছিল এনডোলে। কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় খাবারটির চমৎকার স্বাদের কারণে পুরো দেশের মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পায় এবং ক্যামেরুনের জাতীয় খাবারে পরিণত হয়। ডুয়ালা ভাষায় এনডোলে মানে তিতা পাতা।
১৪ দিন আগে
শত শত বছর আগে আরবের মরুভূমিতে ঘুরে বেড়ানো বেদুইনদের কাছে আধুনিক উপায়ে খাবার সংরক্ষণের কোনো ব্যবস্থা ছিল না। তারা যখন শিকার করত বা পশু জবাই করত, তখন এগুলোর মাংস যেন নষ্ট না হয়ে দীর্ঘদিন ভালো থাকে ও সহজে বহন করা যায়, সেজন্য মাটির নিচে মাংস রান্নার এক পদ্ধতি আবিষ্কার করে তারা।
১৯ দিন আগে
এস্তোনিয়ায় রাই বা কালো রুটি সবচেয়ে জনপ্রিয় খাবার। সে দেশের নাগরিকেরা প্রতিদিন খাবারের তালিকায় রাখে এটি। এই রুটির নাম লেইব। এটি মূলত কালো রাই আটা, পানি, লবণ ও টক খামির দিয়ে তৈরি হয়। ঘনত্ব বাড়াতে অনেক সময় এতে বীজ বা ওটস মেশানো হয়। খামিরটি দীর্ঘ সময় ধরে, প্রায় ১৮ থেকে ২৪ ঘণ্টা গাঁজানো হয়।
২০ দিন আগে
অনেকে গরম-গরম স্যুপ ও নুডলস খেতে পছন্দ করেন। কিন্তু উত্তর কোরিয়াবাসীর কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় খাবার ঠান্ডা নুডলস। তাঁদের এই ঠান্ডা নুডলসের নাম পিয়ংইয়ং ন্যাংমাইয়ন। বাকহুইট বা ঢেমশির আটা থেকে তৈরি লম্বা লম্বা সেদ্ধ নুডলস ছেড়ে দেওয়া হয় হালকা স্বাদের ঠান্ডা গরু বা শূকরের মাংসের ঝোল এবং মুলার...
১৩ আগস্ট ২০২৬