
রুশ দেশের মানুষ খুবই কৌতুকপ্রিয়। কৌতুক বলার সময় তারা নীতি–নৈতিকতা, শালীনতা, নারী মুক্তি ইত্যাদির কথা ভাবে না। যেকোনো বিষয়কেই তারা কৌতুকের সীমায় নিয়ে আসে। আর তাতে নারী–পুরুষ নির্বিশেষে আনন্দ পায়।
এক দেশের বুলি, অন্য দেশে গালি—এ রকম একটি প্রবাদ রয়েছে আমাদের ভাষায়। ফলে অজস্র রুশ কৌতুক থেকে কিছু কৌতুক বেছে নেওয়ায় বিপদ আছে। আমাদের দেশের পাঠকের হজমক্ষমতার ওপর আস্থা রাখা যায় না। যেকোনো বিষয়েই নীতিবাগীশ এসে বলে বসতে পারে, ‘ইহা অন্যায়’; ‘ইহা অরুচিকর’। সারা জীবন নিজ বাড়িতে রক্ষণশীলতার চাষবাস করে বক্তৃতায় প্রগতিশীল মানুষ কি কম দেখা যায় আমাদের আশপাশে?
তাই এবার যাঁরা রুশ কৌতুক সেবন করবেন, তাঁরা খোলা মন নিয়ে সেবন করবেন। আমাদের হজমশক্তির ব্যাঘাত ঘটাবে না এমন সব কৌতুকই এখানে তুলে দেওয়া হচ্ছে। তবে মন যদি প্রস্তুত হতে থাকে, আরও গাঢ়, আরও লক্ষ্যভেদী অথচ কিঞ্চিৎ অশ্লীল কৌতুককে বরণ করে নিতে, তাহলে ধীরে ধীরে সেগুলোর আগমনও হবে এখানে।
১.
করোনাভাইরাসের এই বাজে সময়ে ক্রেতা গেছেন দোকানে। সেই দোকানে মাছ বলতে শুধু শুঁটকি মাছ।
‘শুঁটকি মাছ ছাড়া আর কোনো মাছ নেই?’
‘না ভাই। শুধুই শুঁটকি আছে। জানেনই তো, পরিবহনব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। ব্যবসাই হয় না।’
‘পরিবহনব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে! তাহলে আপনার এই পচা শুঁটকিগুলো কি ট্যাক্সিতে চড়ে এসেছে?’
২.
পুতিনের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ মানে কী?
এর অর্থ হচ্ছে, আপনি তাঁর কাছেই সমস্যার সমাধান চাইছেন, যিনি সমস্যাটি তৈরি করেছেন।
৩.
মাভরোদি নামে একজন রুশ প্রতারক ছিলেন। কোটি কোটি টাকা তিনি আত্মসাৎ করেছেন। রাষ্ট্র ও মাভরোদির মধ্যে পার্থক্য কী, জানতে চাইলে রুশ নাগরিকদের একজন বলেন, ‘রাষ্ট্র আর মাভরোদির মধ্যে পার্থক্য হলো, মাভরোদি জীবনে মাত্র একবারই প্রতারণা করার সুযোগ পেয়েছেন।’
৪.
দাবা খেলা আর বাস্তব জীবনের মধ্যে পার্থক্য কী?
‘দাবার বোর্ডে বোড়ে কি কখনো রাজা হতে পারে?’
‘না’।
‘আর বাস্তব জীবনে বোড়ে অনায়াসে প্রেসিডেন্টও হতে পারে!’
৫.
সংসদে আলোচনা হচ্ছে। গরিব মানুষদের জন্য ভর্তুকি দেওয়া হবে। তাতে রুশ নাগরিকদের অবস্থার পরিবর্তন হবে। এর জন্য তালিকা তৈরি হচ্ছে।
এ কথা শুনে একজন গরিব রাশান বললেন, যে তালিকা তৈরি হচ্ছে, সেই তালিকায় থাকা মানুষদের খুঁজতে হলে ‘ফোর্বস’ ম্যাগাজিন দেখতে হবে।
৬.
‘তুমি ভ্যাকসিন নিচ্ছ না কেন?’
‘জীবনের অভিজ্ঞতা আমাকে সতর্ক করে দিচ্ছে যে, রাষ্ট্র এমনি এমনি কিছু দেয় না। বিনিময়ে কী চাইবে তা নিয়ে আতঙ্কে আছি!’
৭.
‘রবিন হুড কেন প্রেসিডেন্ট হতে পারেনি?’
‘কারণ, রবিন হুড বড়লোকদের টাকা ডাকাতি করে গরিবদের মাঝে বিলিয়ে দিয়েছে। প্রেসিডেন্ট হতে হলে কাজটা করতে হবে উল্টো।’
৮.
‘আপনি রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা ভেঙেছেন, তাই আপনাকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হলো।’
‘রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তাটা কী? সেটা কী করে জানব?’
‘রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা জেনে ফেললে আপনাকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হতো না, আপনাকে ফাঁসি দেওয়া হতো।’
৯.
ক্রেডিট কার্ড এবার আমাকে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর সুযোগ করে দিয়েছে। ক্রেডিটে একটা গাড়ি কিনেছিলাম। তখন আমার মাটিতে পা পড়ত না। এখন টাকা শোধ করতে পারছি না বলে ব্যাংক আমার গাড়িটি নিয়ে নিয়েছে। আমি আবার নিজের পায়ে দাঁড়িয়েছি।
১০.
পুতিন আর বাইডেনের সংলাপ মাত্র দুই ঘণ্টায় শেষ হয়ে যাওয়ার কারণ কী?
কারণ আর কিছুই নয়, বাইডেন তাঁর মনে রাখা বা স্মৃতিশক্তি ফিরিয়ে আনার ওষুধটা রেখে এসেছিলেন হোয়াইট হাউসে।
১১.
জ্যোতিষীরা এরই মধ্যে ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট পদে পুতিনের উত্তরাধিকার খুব শিগগিরই জন্মগ্রহণ করবে!’
আরও পড়ুন

বিয়ের সব প্রস্তুতি সারা। বড় হোটেল বুকিং দেওয়া হয়েছে। বিয়ের অনুষ্ঠানের জন্য উপস্থাপকও ঠিক করা হয়ে গেছে। হঠাৎ কনে অসুস্থ হয়ে পড়লেন। তারপর গলাব্যথা নিয়ে গেলেন স্থানীয় ক্লিনিকে। আর ভুল চিকিৎসা ওলট-পালট করে দিল সব। সামান্য ঠান্ডা-জ্বর থেকে কোমায় চলে গেলেন কনে। অবশেষে দীর্ঘ তিন মাস কোমায় থাকার পর বিয়ের ঠি
২ দিন আগে
চীনে এক আশ্চর্যজনক ঘটনা ঘটেছে। দেশটির ঝেজিয়াংয়ে এক ব্যক্তির হার্ট অ্যাটাক হয় এবং এরপর তাঁর হৃৎস্পন্দন বন্ধ ছিল প্রায় ৪০ ঘণ্টা। কিন্তু তারপরও তিনি আশ্চর্যজনকভাবে বেঁচে ফিরেছেন। এই ঘটনাটি নতুন জীবন রক্ষাকারী চিকিৎসা প্রযুক্তি নিয়ে অনলাইনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
৩ দিন আগে
এই ঘটনা একটি বিরল জৈবিক প্রক্রিয়ার ফসল, যাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় ‘হেটেরোপ্যাটারনাল সুপারফেকান্ডেশন’। এই প্রক্রিয়া ঘটার জন্য একজন নারীকে একই ঋতুচক্রে একাধিক ডিম্বাণু উৎপাদন করতে হয় এবং সেই ডিম্বাণুগুলো ভিন্ন ভিন্ন পুরুষের শুক্রাণু দ্বারা নিষিক্ত হতে হয়।
৪ দিন আগে
ছেলের বয়স ছয় বছর। একটি দুর্ঘটনার শিকার হওয়ার পর চক্ষু বিশেষজ্ঞর কাছে নিয়ে গেলেন মা। সেখান থেকে এসে জানালেন ছেলের চোখের ক্যানসার হয়েছে। এই খবর সবাইকে যেন একটা ধাক্কা দিয়ে নাড়িয়ে গেল। প্রতিবেশী-বন্ধুবান্ধব সবাই যার যার সামর্থ্যানুযায়ী এগিয়ে এলেন সাহায্য করতে। একটা সময় পর দেখা গেল, ছেলের...
৭ দিন আগে