ঢাকা: জম্মু-কাশ্মীর এবং লাদাখকে আলাদা রাষ্ট্র হিসেবে মানচিত্রে দেখিয়ে ভারতে শাস্তির মুখে পড়তে যাচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটার। এমনটি জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, টুইটারের টুইপ লাইফ বিভাগের মানচিত্রে জম্মু-কাশ্মীর এবং লাদাখকে আলাদা রাষ্ট্র হিসেবে প্রদর্শন করে টুইটার। এর জেরে এই ওয়েবসাইটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে ভারত সরকার।
জানা গেছে, টুইটারের এই মানচিত্র ভারতীয় একজন ব্যবহারকারী সামনে আনেন। পরে অনেকেই এটি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
নীতিমালা নিয়ে ভারতের সরকারের সঙ্গে টুইটারের দীর্ঘদিন ধরে বিবাদ চলছে। আগে কোনো টুইটার ব্যবহারকারীর পোস্টের জন্য প্রতিষ্ঠানকে দায়ী করে মামলা করা যেতো না ভারতে। কিন্তু গত ১৬ জুন ভারতে এমন আইনি সুরক্ষা হারিয়েছে টুইটার।
এ ছাড়া সম্প্রতি টুইটার ব্যবহার করে ভারতে সাম্প্রদায়িক ইন্ধন জোগানোর অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগে মামলাও হয়েছে বেশ কয়েকটি।
গত ৩১ মে দিল্লি হাইকোর্টকে টুইটার জানিয়েছিল, তারা ভারতে অন্তর্বর্তীকালীন অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য একটি আইন সংস্থার কর্মকর্তা ধর্মেন্দ্র চতুরকে টুইটারের প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। নিয়োগের কয়েক সপ্তাহ যেতে না যেতেই ধর্মেন্দ্র চতুর গতকাল রোববার পদত্যাগ করেছেন। ভারতের নতুন আইন অনুযায়ী, টুইটারের ওই পদের জন্য ভারতীয় বাসিন্দা ছাড়া অন্য কেউ দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।

দিল্লির জন্তর মন্তরে গত সপ্তাহে ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিবাদ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ঘটে যাওয়া সহিংস ঘটনার কয়েক শ গিগাবাইট সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে দিল্লি পুলিশ। নীটের (NEET) প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে এই আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়েছিল।
৩ ঘণ্টা আগে
দিল্লির জন্তর মন্তরসহ ভারতের বিভিন্ন শহরে সম্প্রতি শেষ হওয়া ছাত্র আন্দোলনে আন্দোলনকারীদের ব্যবহৃত ভাষা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে। আন্দোলনের পোস্টার, প্ল্যাকার্ড, স্লোগান ও মিম ছিল নানা ধরনের।
৩ ঘণ্টা আগে
ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান গত শনিবার প্রধানমন্ত্রীকে পদত্যাগপত্র দেওয়ার আগে সরকার সমঝোতার অংশ হিসেবে তাঁর মন্ত্রণালয়ে পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছিল। এই প্রস্তাবটি দেওয়া হয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টিকে (সিজেপি) রাজি করানোর জন্য। কিন্তু সিজেপি রাজি হয়নি।
৪ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রকে দীর্ঘমেয়াদি এক সংকটের মুখে ফেলে দিচ্ছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। ওয়াশিংটনে গুঞ্জন উঠছে—ইরানের ওপর লাগাতার যে বোমাবর্ষণ তিনি চালাচ্ছিলেন, তা সাময়িকভাবে স্থগিত রেখে এখন কঠোর অর্থনৈতিক অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞার দিকেই পুরোপুরি নজর দেওয়ার কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র।
৫ ঘণ্টা আগে