বরিশালের বানারীপাড়ায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে বুধবার বিকেলে মাকে পিটিয়ে আহত করেছেন শহিদ ওরফে টাইগার শহিদ নামের এক সন্তান। ছেলের হাতে নির্যাতনের স্বীকার ওই নারীর নাম রিজিয়া বেগম। বৃহস্পতিবার সকালে তাঁকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
রিজিয়া বেগম পশ্চিম বাইশারী গ্রামের ৯ নং ওয়ার্ডের মৃত জালাল উদ্দিনের স্ত্রী।
স্থানীয়রা জানায়, বুধবার বিকেলে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে নিজ সন্তান শহিদ ওরফে টাইগার শহিদের হামলার স্বীকার হন রিজিয়া বেগম। এ সময় শহিদের মারধর থেকে শাশুড়িকে উদ্ধার করতে এগিয়ে আসে তাঁর ছোট ছেলের স্ত্রী রেশমা বেগম। এ সময় শহিদের হাতে থাকা লোহার রডের আঘাতে রেশমার মাথা ফেটে যায়। পরে ছোট ছেলে রেজাউল করিম বৃহস্পতিবার মা এবং তাঁর স্ত্রীকে হাসপাতালে ভর্তি করান।
রিজিয়া বেগম বলেন, ২০২০ সালে তাঁর ছেলে শহিদ জোরপূর্বক ২০.৬০ শতাংশের একটি জমির দলিল নিজের নামে লিখি নেয়। এ নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদ তাঁকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে আহত করেন। এই ঘটনায় ছোট ছেলে রেজাউল করিম বাদী হয়ে থানায় মামলা করবেন বলে জানান তিনি।
বানারীপাড়া থানার উপপরিদর্শক আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, আহত অবস্থায় রিজিয়া ও রেশমা বেগম থানায় আসলে তাদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।

খুলনা শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি সাব্বির (২২) দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে গুরুতর জখম হয়েছেন। আজ সোমবার রাত পৌনে ১০টার দিকে নগরীর টুটপাড়া দরবেশ মোল্লা গলির সামনে অ্যাড. আইয়ুব আলীর বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে। আহত সাব্বির টুটপাড়া মুজাহিদ সড়কের বাসিন্দা শাহ আলমের ছেলে।
৫ মিনিট আগে
সংসদ সদস্য ড. রেজা কিবরিয়ার স্ত্রী সিমি কিবরিয়াকে উপজেলা কর্মকর্তাদের মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি করা নিয়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। বিতর্কের মধ্যে বাহুবল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লিটন চন্দ্র দে ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহবুবুল ইসলামকে বদলি করা হয়েছে।
১৬ মিনিট আগে
পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নিজে এসেছিলেন এই চৌক্কার খালে। তিনি স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে সবাইকে একত্র করে নিজে কোদাল হাতে খাল খনন শুরু করেন। মাটি কেটেছেন। তাঁর তখন চিন্তা-ধারণার মধ্যে ছিল যে—এই খাল যখন খনন হবে, খালের দুই পাড়ে গাছ থাকবে।
২৮ মিনিট আগে
ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের যাত্রী অপেক্ষাগারে শত শত যাত্রী। সবার চোখে–মুখে হতাশা, উদ্বেগ, অনিশ্চয়তা। তাঁদের কেউ এসেছেন দ্বিতীয় দিনের মতো, কেউ বা অপেক্ষা করছেন কয়েক ঘণ্টা ধরে। সঙ্গে আছেন বিদায় জানাতে আসা স্বজনেরা। তাঁরা সবাই মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন গন্তব্যের যাত্রী।
১ ঘণ্টা আগে