নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কটূক্তির প্রমাণ পেলে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে আওয়ামী লীগ। তাঁর এই কটূক্তি রেকর্ডের চুলচেরা বিশ্লেষণ করছে দল।
আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতারা বলছেন, মেয়র জাহাঙ্গীরের কটূক্তির বিষয়টি সত্য হলে এটি অবশ্যই ন্যক্কারজনক ঘটনা। তবে বর্তমান সময়ে ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের, নানা রকম বিভ্রান্তিকর বিষয় ছড়িয়ে পড়ে, যা সহজে ভাইরাল হয়ে যায়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে এগুলো অসত্য হিসেবে প্রমাণিত হয়। তা ছাড়া মেয়র নিজেও এটাকে জোড়া লাগানো বিকৃত বক্তব্য বলে দাবি করেছেন।
দলটির সভাপতিমণ্ডলীর এক সদস্য বলেন, `জাহাঙ্গীর দেশের বাইর থেকে এসে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। সেখানে তিনি দাবি করেছিলেন, এগুলো মিথ্যা ও বানোয়াট। আমি তাঁকে বলেছি, সেটা তুমি প্রমাণ করো।' ওই নেতা আরও বলেন, `মুক্তিযুদ্ধের মীমাংসিত একটি ইস্যুকে ন্যক্কারজনকভাবে আলোচনায় নিয়ে আসার ঘটনা সত্য হলে অবশ্যই তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব। আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে তাঁকে অবহিত করে বিষয়টির সুরাহা করা হবে। নেত্রী ইতিমধ্যে বিভিন্ন মাধ্যমে অবহিত হয়েছেন, কিন্তু কোনো নির্দেশনা দেননি।'
আওয়ামী লীগের আরেক সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বলেন, ‘আমরা সত্য বা অসত্য কোনোটাই এখনো ধরে নিচ্ছি না। জাহাঙ্গীরের দাবি অনুযায়ী তাঁকেই মিথ্যা প্রমাণ করতে হবে।’
জাহাঙ্গীর আলম গতকাল শনিবার রাতে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দলের শীর্ষ নেতারা আমার কাছে যদি কিছু জানতে চান, তাহলে আমি উত্তর দেব। আমি মনে করি, আমার শত্রুপক্ষ গাজীপুরের উন্নয়ন দেখে হিংসার বশবর্তী হয়ে এ ধরনের অপপ্রচার করছে।’
মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর গাজীপুর আওয়ামী লীগের একাংশের নেতাকর্মীরা জাহাঙ্গীরের শাস্তির দাবিতে গত বুধবার থেকে জেলার বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন। গতকাল টঙ্গী ও চেরাগ আলী এলাকায় বিক্ষোভ করেন সংক্ষুব্ধরা। এ সময় তাঁরা মেয়রকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন এবং বহিষ্কারের দাবি করে প্রায় এক ঘণ্টা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন। বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে কটূক্তিকারী এবং গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে বিরূপ মন্তব্যকারী মেয়রের বহিষ্কার চান তাঁরা।
গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আজমত উল্লাহ খান আজকের পত্রিকাকে বলেন, বক্তব্য তো তাঁর। আওয়ামী লীগ পরিবারের কোনো লোক তাঁর সঙ্গে সামাজিক সম্পর্কও রাখবেন না। তাঁকে সুযোগ দেওয়া হয়েছিল এটা মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য। কিন্তু এখন তিনি একেক সময় একেক কথা বলছেন। তিনি বলেন, তিনি বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কটূক্তি করেছেন। মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সংখ্যাকে গাণিতিকভাবে ভুল প্রমাণ করার চেষ্টা করছেন। আওয়ামী লীগ অবশ্যই তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।
এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, ‘বিষয়টি আমি দেখব। যদি সেটা বলে থাকে তা অবান্তর ও বাজে কথা। জাতির পিতাকে নিয়ে বাজে কথা বলার অধিকার কারও নেই।’

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কটূক্তির প্রমাণ পেলে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে আওয়ামী লীগ। তাঁর এই কটূক্তি রেকর্ডের চুলচেরা বিশ্লেষণ করছে দল।
আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতারা বলছেন, মেয়র জাহাঙ্গীরের কটূক্তির বিষয়টি সত্য হলে এটি অবশ্যই ন্যক্কারজনক ঘটনা। তবে বর্তমান সময়ে ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের, নানা রকম বিভ্রান্তিকর বিষয় ছড়িয়ে পড়ে, যা সহজে ভাইরাল হয়ে যায়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে এগুলো অসত্য হিসেবে প্রমাণিত হয়। তা ছাড়া মেয়র নিজেও এটাকে জোড়া লাগানো বিকৃত বক্তব্য বলে দাবি করেছেন।
দলটির সভাপতিমণ্ডলীর এক সদস্য বলেন, `জাহাঙ্গীর দেশের বাইর থেকে এসে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। সেখানে তিনি দাবি করেছিলেন, এগুলো মিথ্যা ও বানোয়াট। আমি তাঁকে বলেছি, সেটা তুমি প্রমাণ করো।' ওই নেতা আরও বলেন, `মুক্তিযুদ্ধের মীমাংসিত একটি ইস্যুকে ন্যক্কারজনকভাবে আলোচনায় নিয়ে আসার ঘটনা সত্য হলে অবশ্যই তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব। আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে তাঁকে অবহিত করে বিষয়টির সুরাহা করা হবে। নেত্রী ইতিমধ্যে বিভিন্ন মাধ্যমে অবহিত হয়েছেন, কিন্তু কোনো নির্দেশনা দেননি।'
আওয়ামী লীগের আরেক সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বলেন, ‘আমরা সত্য বা অসত্য কোনোটাই এখনো ধরে নিচ্ছি না। জাহাঙ্গীরের দাবি অনুযায়ী তাঁকেই মিথ্যা প্রমাণ করতে হবে।’
জাহাঙ্গীর আলম গতকাল শনিবার রাতে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দলের শীর্ষ নেতারা আমার কাছে যদি কিছু জানতে চান, তাহলে আমি উত্তর দেব। আমি মনে করি, আমার শত্রুপক্ষ গাজীপুরের উন্নয়ন দেখে হিংসার বশবর্তী হয়ে এ ধরনের অপপ্রচার করছে।’
মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর গাজীপুর আওয়ামী লীগের একাংশের নেতাকর্মীরা জাহাঙ্গীরের শাস্তির দাবিতে গত বুধবার থেকে জেলার বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন। গতকাল টঙ্গী ও চেরাগ আলী এলাকায় বিক্ষোভ করেন সংক্ষুব্ধরা। এ সময় তাঁরা মেয়রকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন এবং বহিষ্কারের দাবি করে প্রায় এক ঘণ্টা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন। বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে কটূক্তিকারী এবং গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে বিরূপ মন্তব্যকারী মেয়রের বহিষ্কার চান তাঁরা।
গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আজমত উল্লাহ খান আজকের পত্রিকাকে বলেন, বক্তব্য তো তাঁর। আওয়ামী লীগ পরিবারের কোনো লোক তাঁর সঙ্গে সামাজিক সম্পর্কও রাখবেন না। তাঁকে সুযোগ দেওয়া হয়েছিল এটা মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য। কিন্তু এখন তিনি একেক সময় একেক কথা বলছেন। তিনি বলেন, তিনি বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কটূক্তি করেছেন। মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সংখ্যাকে গাণিতিকভাবে ভুল প্রমাণ করার চেষ্টা করছেন। আওয়ামী লীগ অবশ্যই তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।
এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, ‘বিষয়টি আমি দেখব। যদি সেটা বলে থাকে তা অবান্তর ও বাজে কথা। জাতির পিতাকে নিয়ে বাজে কথা বলার অধিকার কারও নেই।’

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণের সব প্রস্তুতি নিলেও শেষ পর্যন্ত তারা ভোটের মাঠে থাকবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন এবং সব দল সমান সুযোগ পাচ্ছে না বলে অভিযোগ আছে দলটির।
১ ঘণ্টা আগে
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ‘পরিকল্পনা’ নিয়ে জনগণের মনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। সোমবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন তিনি।
১ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশন একটি বিশেষ দলের প্রতি পক্ষপাত করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি জানিয়েছেন, ২০০৮ সালের মতো ‘ভারসাম্যহীন’ নির্বাচন হলে সেই নির্বাচন তাঁরা মেনে নেবেন না।
৩ ঘণ্টা আগে
এনসিপির দুই প্রার্থীকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে শোকজ করা হয়েছে মন্তব্য করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ তুলেছেন দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি বলেছেন, নির্বাচন কমিশন ও রিটার্নিং কর্মকর্তার পক্ষ থেকে যে শোকজ দেওয়া হয়েছে, সেটা দ্রুত সময়ের মধ্যে উইথড্র করতে হবে।
৩ ঘণ্টা আগে