
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতি শেষ, এবার মূল মঞ্চে লড়াইয়ের অপেক্ষা। আগামী বৃহস্পতিবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের উড়ান ধরবেন বাংলাদেশের মেয়েরা। ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ হওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশেই। সরকার পরিবর্তন ও পরিস্থিতির বিবেচনায় আইসিসি ভেন্যু সরিয়ে নেয় সংযুক্ত আরব আমিরাতে। অবশ্য বিশ্বকাপের আয়োজক স্বত্ব থাকছে বাংলাদেশের কাছেই।
বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়ার আগে আজ মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে হয় আনুষ্ঠানিক ফটোসেশন হয়ে গেল নিগার সুলতানা জ্যোতিদের। কিন্তু টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ইতিহাস ছবির মতো ততটা সুন্দর নয়। ২০১৪ সালের পর থেকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের মেয়েদের জয় যেন সোনার হরিণ। তারপর কুড়ি ওভারের চারটি বিশ্বকাপে ১৬টি ম্যাচ খেলেছে তারা, হারের বৃত্ত থেকে আর বের হওয়া গেল না।
অধিনায়ক জ্যোতি জানিয়েছেন, ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচ থেকেই জিততে চান তাঁরা। নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ‘এ’ ও ‘বি’ দুই গ্রুপে আছে ৫টি করে দল। ‘বি’ গ্রুপে থাকা বাংলাদেশের প্রতিদ্বন্দ্বী ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তানের সঙ্গে ‘এ’ গ্রুপে আছে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কা। ৩ অক্টোবর শারজায় উদ্বোধনী ম্যাচে বাংলাদেশ খেলবে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে।
সেমিফাইনালের লক্ষ্যের কথা জানিয়ে বিশ্বকাপে যাওয়ার আগে সংবাদ সম্মেলনে জ্যোতি বলেছেন, ‘প্রথমত ম্যাচ জিততে চেষ্টা করব। ২০১৪ ছাড়া একটা বিশ্বকাপেও আমরা একটি ম্যাচ জিততে পারিনি। ভালো ক্রিকেট খেলেছি। তবে ভালো ক্রিকেট খেলার কোনো মানে নাই, যদি আপনি ম্যাচ জিততে না পারেন। প্রথমত চাই ম্যাচ জিততে। দ্বিতীয়ত যখন আমরা ভালো শুরু পাব, আমার কাছে মনে হয় আমাদের যে দল—অবশ্যই সেমিফাইনাল কে না খেলতে চায়।’
মেয়েদের ক্রিকেট আরও এগিয়ে নিতে নিজেদের ভালো খেলার বিকল্প নেই মনে করছেন জ্যোতি। বিশ্বকাপ হতে পারে সবচেয়ে দারুণ মঞ্চ। জ্যোতি বললেন, ‘আমাদের লক্ষ্য থাকবে সেভাবেই। আমরা জানি আমাদের ক্রিকেটটা যদি এক ধাপ এগিয়ে নিতে চাই, তাহলে বিশ্বকাপের চেয়ে বড় মঞ্চ আর হতে পারে না। ওখানে ভালো পারফরম্যান্স করলে শুধু আমরা না, যারা বাংলাদেশে ক্রিকেট খেলে, বাকি যে মেয়েরা যারা বাংলাদেশের জার্সি গায়ে খেলতে চায়, তাদের জন্য আমরা ভালো কিছু করতে চাই।’
স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামলেই টি-টোয়েন্টি সংস্করণে ১০০ তম ম্যাচ খেলবেন জ্যোতি। নিজের অর্জন ও দলের বিশ্বকাপের শুরু—দুটোই জয় দিয়ে উজ্জ্বল করতে চান তিনি, ‘প্রথম ম্যাচ স্পেশাল। প্রথম ম্যাচ জিততে চাই। আমার জন্য এটা সব থেকে স্পেশাল। আমার জন্য এবং আমার দলের জন্য এটা অনেক বড় একটা অর্জন হবে। অবশ্যই একজন খেলোয়াড় হিসেবে ১০০তম ম্যাচ, আমি এখনো জানি না খেলতে পারব কি না। যদি আল্লাহপাক সুস্থ রাখেন তাহলে অবশ্যই খেলব। যদি খেলি, প্রথম লক্ষ্য এটাই থাকবে যেন জিততে পারি।’

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতি শেষ, এবার মূল মঞ্চে লড়াইয়ের অপেক্ষা। আগামী বৃহস্পতিবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের উড়ান ধরবেন বাংলাদেশের মেয়েরা। ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ হওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশেই। সরকার পরিবর্তন ও পরিস্থিতির বিবেচনায় আইসিসি ভেন্যু সরিয়ে নেয় সংযুক্ত আরব আমিরাতে। অবশ্য বিশ্বকাপের আয়োজক স্বত্ব থাকছে বাংলাদেশের কাছেই।
বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়ার আগে আজ মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে হয় আনুষ্ঠানিক ফটোসেশন হয়ে গেল নিগার সুলতানা জ্যোতিদের। কিন্তু টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ইতিহাস ছবির মতো ততটা সুন্দর নয়। ২০১৪ সালের পর থেকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের মেয়েদের জয় যেন সোনার হরিণ। তারপর কুড়ি ওভারের চারটি বিশ্বকাপে ১৬টি ম্যাচ খেলেছে তারা, হারের বৃত্ত থেকে আর বের হওয়া গেল না।
অধিনায়ক জ্যোতি জানিয়েছেন, ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচ থেকেই জিততে চান তাঁরা। নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ‘এ’ ও ‘বি’ দুই গ্রুপে আছে ৫টি করে দল। ‘বি’ গ্রুপে থাকা বাংলাদেশের প্রতিদ্বন্দ্বী ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তানের সঙ্গে ‘এ’ গ্রুপে আছে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কা। ৩ অক্টোবর শারজায় উদ্বোধনী ম্যাচে বাংলাদেশ খেলবে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে।
সেমিফাইনালের লক্ষ্যের কথা জানিয়ে বিশ্বকাপে যাওয়ার আগে সংবাদ সম্মেলনে জ্যোতি বলেছেন, ‘প্রথমত ম্যাচ জিততে চেষ্টা করব। ২০১৪ ছাড়া একটা বিশ্বকাপেও আমরা একটি ম্যাচ জিততে পারিনি। ভালো ক্রিকেট খেলেছি। তবে ভালো ক্রিকেট খেলার কোনো মানে নাই, যদি আপনি ম্যাচ জিততে না পারেন। প্রথমত চাই ম্যাচ জিততে। দ্বিতীয়ত যখন আমরা ভালো শুরু পাব, আমার কাছে মনে হয় আমাদের যে দল—অবশ্যই সেমিফাইনাল কে না খেলতে চায়।’
মেয়েদের ক্রিকেট আরও এগিয়ে নিতে নিজেদের ভালো খেলার বিকল্প নেই মনে করছেন জ্যোতি। বিশ্বকাপ হতে পারে সবচেয়ে দারুণ মঞ্চ। জ্যোতি বললেন, ‘আমাদের লক্ষ্য থাকবে সেভাবেই। আমরা জানি আমাদের ক্রিকেটটা যদি এক ধাপ এগিয়ে নিতে চাই, তাহলে বিশ্বকাপের চেয়ে বড় মঞ্চ আর হতে পারে না। ওখানে ভালো পারফরম্যান্স করলে শুধু আমরা না, যারা বাংলাদেশে ক্রিকেট খেলে, বাকি যে মেয়েরা যারা বাংলাদেশের জার্সি গায়ে খেলতে চায়, তাদের জন্য আমরা ভালো কিছু করতে চাই।’
স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামলেই টি-টোয়েন্টি সংস্করণে ১০০ তম ম্যাচ খেলবেন জ্যোতি। নিজের অর্জন ও দলের বিশ্বকাপের শুরু—দুটোই জয় দিয়ে উজ্জ্বল করতে চান তিনি, ‘প্রথম ম্যাচ স্পেশাল। প্রথম ম্যাচ জিততে চাই। আমার জন্য এটা সব থেকে স্পেশাল। আমার জন্য এবং আমার দলের জন্য এটা অনেক বড় একটা অর্জন হবে। অবশ্যই একজন খেলোয়াড় হিসেবে ১০০তম ম্যাচ, আমি এখনো জানি না খেলতে পারব কি না। যদি আল্লাহপাক সুস্থ রাখেন তাহলে অবশ্যই খেলব। যদি খেলি, প্রথম লক্ষ্য এটাই থাকবে যেন জিততে পারি।’

প্লে অফ সামনে রেখে ক্রিস ওকসকে দলে নিয়েছে সিলেট টাইটানস। আজ এলিমিনেটরে রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিপিএলে অভিষেক হয় সাবেক এই ইংলিশ অলরাউন্ডারের। অভিষেকেই শেষ বলে ছক্কা মেরে সিলেটকে জিতিয়ে প্রশংসা কুড়াচ্ছেন। ওকস জানালেন, তাঁর বিপিএলে আসার পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছেন মঈন আলী।
১ ঘণ্টা আগে
ঘড়ির কাঁটা ঘুরতে ঘুরতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় ঘনিয়ে আসছে। কিন্তু বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি। মিরপুর শেরেবাংলায় আজ রংপুর রাইডার্স-সিলেট টাইটানস এলিমিনেটর ম্যাচ শেষে যখন সংবাদ সম্মেলনে এসেছেন, বেশির ভাগ প্রশ্নই হয়েছে বিশ্বকাপকেন্দ্রিক।
১ ঘণ্টা আগে
২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ যখন দরজায় কড়া নাড়ছে, দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দল ছোটোখাটো এক হাসপাতালে পরিণত হয়েছে। আইসিসি ইভেন্টের আগমুহূর্তে একের পর এক প্রোটিয়া ক্রিকেটার চোটে পড়ছেন। এই তালিকায় এবার যোগ হলেন ডেভিড মিলার।
২ ঘণ্টা আগে
অল্প পুঁজি নিয়েও সিলেট টাইটানসের বিপক্ষে জয়ের সম্ভাবনা তৈরি করেছিল রংপুর রাইডার্স। তাতে অবশ্য কাজের কাজ হয়নি। এলিমিনেটরে শেষ বলের নাটকীয়তায় মেহেদি হাসান মিরাজের দলের কাছে ২ উইকেটে হেরে বিপিএল থেকে বিদায় নিয়েছে রংপুর। টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেওয়ার পর উইকেট নিয়ে সমালোচনা করেছেন দলটির অধিনায়ক লিটন দাস।
২ ঘণ্টা আগে