
কোটা সংস্কারের দাবি নীতিগতভাবে মেনে নিয়েছে সরকার। এ বিষয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে যাচ্ছে সরকার। আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরীকে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে কোটা আন্দোলনকারীদের সমন্বয়কদের অনেকেই আলোচনায় আগ্রহী নন।
আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ তাঁর ফেসবুক পোস্টে লিখেন, ‘রক্ত মাড়িয়ে সংলাপ নয়।’ অপর সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ তাঁর ফেসবুক পোস্টে লিখেন, ‘গুলির সঙ্গে কোনো সংলাপ হয় না। এই রক্তের সঙ্গে বেইমানি করার থেকে আমার মৃত্যু শ্রেয়।’
এদিকে আরেক সমন্বয়কারী সারজিস আলম ফেসবুকে লিখেন, ‘একদিকে গুলি আর লাশ অন্যদিকে সংলাপ! আমার ভাইয়ের রক্তের ওপর দিয়ে কীভাবে সংলাপ হতে পারে?’ তবে পরে তিনি গণমাধ্যমকে জানান, আগে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে পরে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে আলোচনায় বসা হবে কি হবে না।
অপরদিকে, আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক জানান, আন্দোলনকারীরা চাইলে আজই বৈঠক হতে পারে। তিনি জানান, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানিয়েছে তারা আন্দোলনের পাশাপাশি আলোচনার জন্যও প্রস্তুত। তাদের এই অবস্থানকে স্বাগত জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। শিক্ষার্থীরা চাইলে আজই আমরা আলোচনায় বসতে পারি। সরকার আইনমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরীকে এ আলোচনার দায়িত্ব দিয়েছে।

মহিউদ্দিন আহমদকে পাঠক চেনেন লেখক, গবেষক এবং রাজনৈতিক কলামিস্ট হিসেবে। এসব বিষয়ে তাঁর বই বেরিয়েছে কয়েকটি। এবার তিনি বইমেলায় হাজির হয়েছেন ঔপন্যাসিক পরিচয়ে। ‘শেখ মুজিবের লাল ঘোড়া’ নামের বইটিতে বাংলাদেশের রাজনীতির স্বাধীনতা-পরবর্তী অস্থির সময়ের কথা তুলে ধরেছেন লেখক। বইটির প্রকাশক অনন্যা।
৬ ঘণ্টা আগে
প্রবাসী আয়ে অবদান রাখছেন নারীরাও। বর্তমানে প্রায় ১০ লাখ নারীকর্মী বিভিন্ন দেশে কর্মরত। তাঁদের অর্ধেকই আছেন সৌদি আরবে। পরিবারে সচ্ছলতা আনতে বিদেশে যাওয়া এই নারীদের অনেকে প্রতারণা, মানব পাচারসহ শারীরিক-মানসিক-যৌন নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের প্রায় সব জাতীয় নির্বাচনের ইশতেহারে নারীর অধিকার, ক্ষমতায়ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নানা প্রতিশ্রুতি দিয়েছে রাজনৈতিক দলগুলো। ১৯৯১ সাল থেকে দলগুলোর ইশতেহার পর্যালোচনা করে দেখা যায়, উন্নয়নের মূলধারায় নারীর অংশগ্রহণ বাড়ানো...
১০ ঘণ্টা আগে
১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫(১) ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি মজুতদারি ও কালোবাজারি কারবারের জন্য দোষী সাব্যস্ত হন, তাহলে তাঁকে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১৪ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া যাবে। তবে শর্ত হিসেবে বলা হয়েছে, যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রমাণ করতে পারেন যে...
১২ ঘণ্টা আগে