
দেশে ছাত্র ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ভিন্ন ইস্যুতে চলমান আন্দোলনের বিষয়ে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। শিক্ষকদের সমস্যার অচিরেই সমাধান হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য শিক্ষার্থীদের ধৈর্য ধরতে বলেছেন।
আজ মঙ্গলবার দলীয় কার্যালয়ে প্রত্যয় স্কিম বাতিলের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের চলমান আন্দোলনের বিষয়ে এ মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সমস্যা অচিরেই সমাধান হবে বলে মনে করছি।’
সরকারি চাকরিতে কোটার বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘কোটা সংস্কারের যে আন্দোলন চলছে, আজকে কর্মসূচি না রাখায় ধন্যবাদ জানাই। শুনেছি উচ্চ আদালতে লড়াইয়ের জন্য তাঁরা (শিক্ষার্থীরা) আইনজীবী নিয়োগ করেছেন, এটি যৌক্তিক সিদ্ধান্ত মনে করছি। সব পক্ষের কথা শুনে সর্বোচ্চ আদালত বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রত্যাশা করি। সে পর্যন্ত ধৈর্য ধারণ করতে বলব।’
এই আন্দোলনে বিএনপির সমর্থনের বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘অরাজনৈতিক আন্দোলনে বিএনপি ও সমমনাদের রাজনৈতিক সমর্থন নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে। এই অশুভ মহল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের উসকানি দিয়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি যাতে তৈরি করতে না পারে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। ছাত্রলীগকে সতর্কভাবে পরিস্থিতি দেখতে হবে।’

ভূমিমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ ৪৬ বছর পর রাজশাহী সদর আসন থেকে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়াটা সমগ্র রাজশাহীবাসীর জন্য গৌরবের। এটি কোনো একক ব্যক্তির অর্জন নয়, বরং রাজশাহীর মানুষের ভালোবাসা, আস্থা ও সমর্থনের ফল। প্রায় দুই দশক পর রাজশাহীর উন্নয়ন পরিকল্পনা নতুনভাবে সাজানোর সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে...
২ ঘণ্টা আগে
সিলেটের আইটি পার্কে কর্মসংস্থান সৃষ্টি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কর্মসংস্থান তৈরি করতে বিনিয়োগ প্রয়োজন। বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, লালফিতার দৌরাত্ম্য কমানো এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাসহ সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নির্বাচনের পর ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে। দীর্ঘ অচলাবস্থা কাটিয়ে এবার পর্যটন ভিসাসহ সব ধরনের ভিসা পরিষেবা ‘পুরোপুরি সচল’ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিলেটে নিযুক্ত ভারতের সিনিয়র কনস্যুলার অফিসার অনিরুদ্ধ রায়।
২ ঘণ্টা আগে
নতুন সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি হিসেবে ৫০ লাখ পরিবারকে মাসে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা সহায়তায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়নে আর্থিক সীমাবদ্ধতাকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম। কার্ড নির্বাচনে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বিবেচনায় নিয়ে তাড়াহুড়ো না করারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে