প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে দুই দিনের সরকারি সফর শেষে আজ শনিবার রাতে দেশে ফিরেছেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে তিনি গতকাল শুক্রবার দিল্লিতে গিয়েছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইট সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময়) নয়াদিল্লির পালাম বিমানবন্দর ত্যাগ করে এবং ফ্লাইটটি রাত ৮টা ২৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
ভারতের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তিবর্ধন সিং এবং ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. মুস্তাফিজুর রহমান বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানান।
লোকসভা নির্বাচনের পর বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠনের পর ভারতে কোনো সরকারপ্রধানের এটিই প্রথম দ্বিপক্ষীয় সফর। এ ছাড়া এই সফরটি ছিল ১৫ দিনেরও কম সময়ে ভারতের রাজধানীতে শেখ হাসিনার দ্বিতীয় সফর। এর আগে তিনি ৯ জুন মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে ঢাকা ও নয়াদিল্লি আজ দুটি প্রতিবেশী দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সম্পর্ককে আরও সুসংহত করতে সাতটি নতুন ও তিনটি নবায়নকৃতসহ ১০টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

আট জেলায় টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে হওয়া বন্যার পানি নেমে গেলেও নিচু কিছু এলাকা এখনো জলাবদ্ধ। সেসব এলাকায় বন্যা-পরবর্তী জনস্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যে গত বুধবার পর্যন্ত পাঁচ দিনে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়েছে ২ হাজার ৬৩০ জন। এর মধ্যে ডায়রিয়ায় আক্রান্তের হারই বেশি।
২ ঘণ্টা আগে
সম্মেলন চলাকালে মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বেশ কয়েকটি উচ্চপর্যায়ের অধিবেশন, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং বৈশ্বিক প্রযুক্তি নেতা ও নীতি প্রণেতাদের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নেবেন। তিনি ডিজিটাল রূপান্তর, এআই-চালিত উদ্ভাবন, স্মার্ট গভর্ন্যান্স এবং মানবসম্পদ উন্নয়নে বাংলাদেশের অগ্রগতি তুলে ধরবেন।
৪ ঘণ্টা আগে
মেজর মোজাফফর জানালেন, The President has been killed. মেজর জেনারেল মঞ্জুর কথাটা শুনে কিছুক্ষণ নিস্তব্ধ হয়ে বসে রইলেন। একটু ধাতস্থ হয়ে মেজর মোজাফফরকে বললেন, ডিভিশনাল স্টাফ অফিসার, ব্রিগেড কমান্ডারসহ সব সামরিক ঊর্ধ্বতন অফিসার যেন সকাল ৭টার মধ্যে তাঁর দপ্তরে হাজির হয়...
৫ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি এখন পোশাকশিল্প। এই শিল্পের সূচনা হয়েছিল শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়ে। তাঁর হাত ধরে শুরু হওয়া এই শিল্প আজ দেশের অর্থনীতির অন্যতম বড় শক্তিতে পরিণত হয়েছে। পোশাকশিল্পের ওপর ভিত্তি করেই বাংলাদেশ আগামী দিনে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যেতে পারে।
৬ ঘণ্টা আগে