যুক্তরাষ্ট্রে চলতি বছরের নভেম্বরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে নির্বাচনী ডামাডোল। বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের প্রাইমারি ও ককাসের বাধা পেরিয়ে নিজ নিজ দল রিপাবলিকান ও ডেমোক্রেটিক পার্টির পার্টির মনোনয়ন নিশ্চিত করেছে সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এ নিয়ে টানা দুইবার পরস্পরের মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন তাঁরা। যা যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে বেশ বিরল ঘটনা।
এরই মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সম্ভাব্য ফলাফল নিয়ে জরিপ প্রকাশ করতে শুরু করেছে একাধিক গণমাধ্যম। ব্রিটিশ সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্টের জরিপে দেখা গেছে, দুজনই সমান ৪৫ শতাংশ সমর্থন পেয়েছেন। জরিপে অংশ নেওয়া ভোটারদের ১০ শতাংশ এই দুজনের কাউকে ভোট দেবেন না বলে জানিয়েছেন।
ইকোনমিস্টের জরিপ থেকে দেখা গেছে, গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে হঠাৎ করে বাইডেনের জনপ্রিয়তা কমতে শুরু করে। বিপরীতে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা অনেকাংশ বাড়তে থাকে। ১৩ সেপ্টেম্বর ৪৪ পয়েন্ট নিয়ে ট্রাম্প ও বাইডেন সমান অবস্থানে দাঁড়ান। এরপর চলতি বছরের জানুয়ারির শেষ দিকে ৪৫ পয়েন্ট নিয়ে ট্রাম্প যখন এগিয়ে যান, বাইডেন তখন ৪২ পয়েন্টে আটকে ছিলেন। পরে অবশ্য বাইডেনের জনপ্রিয়তা কিছুটা বেড়েছে।
আবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সের জরিপে দেখা যায়, সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের তুলনায় মাত্র ১ পয়েন্ট ব্যবধানে এগিয়ে আছেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট বাইডেন। প্রায় এক সপ্তাহ ধরে চলা জরিপটি গত বুধবার শেষ হয়েছে। জরিপে অংশ নেওয়া ভোটারদের ৩৯ শতাংশ সমর্থন করেছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী বাইডেনকে। অন্যদিকে ট্রাম্প পেয়েছেন ৩৮ শতাংশের জনসমর্থন।
তাদের মধ্যে অনেক অংশগ্রহণকারী এই দুই প্রার্থীর কাউকেই সমর্থন জানাননি। ১১ শতাংশ ভোটার জানিয়েছেন, তাঁরা তৃতীয় কোনো প্রার্থীকে ভোট দেবেন। ৫ শতাংশ অংশগ্রহণকারী প্রার্থী বাছাই করা থেকে বিরত ছিলেন। এ ছাড়া বাকি ৭ শতাংশ ভোটার কী জবাব দেবেন তা জানেন না বলে জানিয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে গত ৭০ বছরের মধ্যে এবারই প্রথম নির্বাচনী লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন বর্তমান ও সাবেক প্রেসিডেন্ট। এই প্রার্থীর অংশ নেওয়ার বিষয়টি মোটামুটি চূড়ান্ত হয়েছে। এদিকে এবারে নির্বাচনে বাইডেনের বয়স এবং ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মামলার মতো বিষয় দুটিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন এবারের ভোটারেরা।

ইরানে মার্কিন হামলার পক্ষে দেশটির মাত্র চারজন নাগরিকের মধ্যে একজন সমর্থন জানিয়েছেন। অর্থাৎ এই হামলার পক্ষে মাত্র ২৫ শতাংশ আমেরিকান আর ৭৫ শতাংশই বিপক্ষে। রয়টার্স/ইপসোসের এই জরিপ থেকে জানা গেছে, প্রায় অর্ধেক আমেরিকান মনে করেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক শক্তি প্রয়োগে বড্ড বেশি আগ্রহী।
২ মিনিট আগে
ইরান একদিনে সংযুক্ত আরব আমিরাতে কমপক্ষে ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ১৪৮টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে নয়টি ব্যালিস্টিক আর ছয়টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। এ নিয়ে গত শনিবার থেকে আরব আমিরাতে ১৭৪টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, আটটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ৬৮৯টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে তেহরান।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের একেকটি ড্রোন তৈরিতে খরচ হয় মাত্র ৩৫ হাজার ডলার। বিপরীতে এটি ধ্বংস করতে একেকটি ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের পেছনে ব্যয় হচ্ছে ৫ থেকে ৪০ লাখ ডলার পর্যন্ত। এটিই এখন পশ্চিমা সামরিক পরিকল্পনাকারীদের প্রধান দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
স্টারমার বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই আক্রমণাত্মক হামলায় যোগ দিচ্ছি না। আমাদের সিদ্ধান্ত কেবল দীর্ঘদিনের বন্ধু ও মিত্রদের সম্মিলিত আত্মরক্ষা এবং ব্রিটিশ নাগরিকদের জীবন রক্ষার ওপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়েছে।’
২ ঘণ্টা আগে