Ajker Patrika

বসুন্ধরা পেপারের ‘সাসটেইনেবিলিটি রিপোর্ট’ প্রকাশ

আপডেট : ১৭ জানুয়ারি ২০২৪, ১৭: ১৫
বসুন্ধরা পেপারের ‘সাসটেইনেবিলিটি রিপোর্ট’ প্রকাশ

বসুন্ধরা পেপার মিলস লিমিটেড (বিপিএমএল) ও বসুন্ধরা মাল্টি পেপার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড (বিএমপিআইএল) নিজ নিজ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রথম সাসটেইনেবিলিটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। এই রিপোর্টে পরিবেশগত, সামাজিক ও অর্থনৈতিক সুব্যবস্থাপনার (ইএসজি) প্রতি প্রতিষ্ঠান দুটির প্রতিশ্রুতি তুলে ধরা হয়েছে। 

গত সোমবার বসুন্ধরা ইন্ডাস্ট্রিয়াল হেডকোয়ার্টার-২-এ উন্মোচিত এই প্রতিবেদনে প্রতিষ্ঠান দুটির টেকসই ও দায়িত্বশীল ব্যবসায় পরিচালনার প্রতি গুরুত্বের প্রতিফলন ফুটে উঠেছে। 

রিপোর্ট বইটির মোড়ক উন্মোচন করেন বসুন্ধরা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাফওয়ান সোবহান এবং বসুন্ধরা পেপার মিলস লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে ব্যবসাক্ষেত্রে সাসটেইনেবিলিটি উদ্যোগগুলো প্রচারের ব্যাপারে বসুন্ধরা গ্রুপের মুখ্য ভূমিকার উদাহরণ তুলে ধরা হয়। 
 
এই বিস্তারিত প্রতিবেদনটি তৈরিতে ইএসজি রিপোর্টিংয়ের বিষয়গুলো নিরূপণের জন্য ‘ডাবল ম্যাটেরিয়ালিটি’ পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়েছে। এই নীতি অনুযায়ী, আর্থিক এবং অ-আর্থিক উভয় দৃষ্টিকোণ থেকে কোম্পানির সাসটেইনেবিলিটি বিষয়ে ঝুঁকি এবং সুযোগ বিবেচনা করা হয়েছে। এই দ্বৈত দৃষ্টিভঙ্গির ফলে কোম্পানির স্থায়িত্বে একটি ভারসাম্যপূর্ণ উপস্থাপনা নিশ্চিত হয়। 

বাংলাদেশের কাগজশিল্পের জন্য এই সাসটেইনেবিলিটি রিপোর্ট একটি যুগান্তকারী নথি হিসেবে সংরক্ষিত থাকবে। এটি বিশ্বব্যাপী অনুসৃত সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোলের (এসডিজি) সঙ্গে মিল রেখে এবং গ্লোবাল রিপোর্টিং ইনিশিয়েটিভ (জিআরআই) স্ট্যান্ডার্ডের নির্দেশিকা অনুযায়ী তৈরি হয়েছে। তাই এটি যে শুধু বসুন্ধরা পেপার মিলস লিমিটেড এবং বসুন্ধরা মাল্টি পেপার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের আর্থসামাজিক ও পরিবেশের প্রতি অবদানের কথা বলে তা-ই না, বরং সাসটেইনেবিলিটি বা টেকসই উন্নয়নে তাদের দৃঢ়তার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে। 

এই প্রতিবেদনটির মূল লক্ষ্য হলো, পেপার সেক্টরের কাঁচামাল সংগ্রহ, পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের সর্বক্ষেত্রেই সাসটেইনেবিলিটি প্র্যাকটিসের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরে এই শিল্পের গুরুত্ব প্রচার ও প্রসার করা। এই প্রতিবেদনে কোম্পানি দুটির উদ্যোগের যে বিবরণ দেওয়া হয়েছে, তা উল্লেখযোগ্য সামাজিক ও পরিবেশগত প্রভাব ফেলেছে বলে প্রমাণিত। 

এই রিপোর্টে ২০৩০ সাল অবধি লক্ষ্য ধার্য করে এবং এটি অর্জনের করণীয় সব পদক্ষেপের কথা তুলে ধরার পাশাপাশি জীবনভিত্তিক বিভিন্ন কেস স্টাডি এবং নানামুখী সাসটেইনেবিলিটি ক্যাম্পেইনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ২০১৮-১৯-এর প্রাক্‌-কোভিড সময় থেকে শুরু করে ২০২১-২২ সালের সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডকে এই রিপোর্টে স্থান দেওয়া হয়েছে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত