
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের বিষয়ে সশস্ত্র বাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারের সঙ্গে বৈঠক করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ সোমবার সন্ধ্যায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠক শেষে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন সশস্ত্র বাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লে. জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি জানান, আগামী ২৯ ডিসেম্বর থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত সেনা মোতায়েন হবে, এটি মোটামুটি আলোচনা হয়েছে।
লে. জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, ‘নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন হোক, সেটা নির্বাচন কমিশন চায়। এটা প্রারম্ভিক আলোচনা। কীভাবে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন হবে, কোথায় কোথায় তারা কীভাবে কাজ করবে, সেই বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। মূলত সেনা মোতায়েনের বিষয়ে নির্বাচন কমিশন রাষ্ট্রপতিকে অনুরোধ করবে, এর ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতি সিদ্ধান্ত দিলে অবশ্যই নির্বাচনে সেনা মোতায়েন হবে। আমি নির্বাচন কমিশনকে আশ্বস্ত করেছি, তাঁরা যেভাবে সশস্ত্র বাহিনীর সহায়তা চাইবেন, সেভাবে সর্বাত্মক সহযোগিতা করব।’
লে. জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান আরও বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন চায় সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন হোক। এ ব্যাপারে আমার কোনো সন্দেহ নেই। একটি সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনে নির্বাচন কমিশন খুবই সিরিয়াস। রাষ্ট্রপতির নির্দেশে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন হলে নির্বাচন কমিশনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করব, যেন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হতে পারে।’
তিনি বলেন, অতীতের নির্বাচনে সেনা মোতায়েন হয়েছে, এবারও রাষ্ট্রপতি অনুমতি দিলে ইনশা আল্লাহ সেনা মোতায়েন হবে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এবারও ইন এইড টু সিভিল পাওয়ারের আওতায় সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন হবে।
কত দিনের জন্য সেনা মোতায়েনের বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে জানতে চাইলে লে. জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, ২৯ ডিসেম্বর থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত ১৩ দিনের জন্য মোতায়েনের জন্য মোটামুটি আলোচনা হয়েছে।
স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে সেনা নামছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এত বিস্তারিত আলোচনা হয়নি।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গত নির্বাচনে সশস্ত্র বাহিনীর ৩৫ হাজারের বেশি সদস্য মোতায়েন ছিল। এবারের নির্বাচনে যদি বেশি প্রয়োজন হয়, তাহলে বেশিসংখ্যক সদস্য মোতায়েন করব।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনে সেনাসদস্য মোতায়েনের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে কি না—জানতে চাইলে তিনি বলেন, অতীতে যেভাবে মোতায়েন হয়েছে, সেভাবেই বিদ্যমান আইন অনুযায়ী হবে।
সেনাসদস্যরা কীভাবে মোতায়েন হবে এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলম বলেন, ‘এ বিষয়ে আজকের সভায় আলোচনা হয়নি। আমরা প্রারম্ভিক আলোচনা করেছি। রাষ্ট্রপতি সেনা মোতায়েনে সম্মতি দিলে আমরা কর্মপরিকল্পনা তৈরি করব। সেনা মোতায়েনে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রস্তাব পাঠানোর বিষয়ে নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত হয়েছে।’
মো. জাহাংগীর আলম বলেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তথা সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা কীভাবে সহায়তা করতে পারবেন, সে বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। সেই প্রাথমিক আলোচনায় সশস্ত্র বাহিনী বিভাগকে সার্বিক সহায়তার একটি পরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য নির্বাচন কমিশন অনুরোধ জানিয়েছে।
এর আগে সন্ধ্যা ৭টায় সেনা মোতায়েনের বিষয়ে বৈঠক বসে। এ ছাড়া বৈঠকে সিইসি, চার নির্বাচন কমিশনার, জননিরাপত্তা বিভাগ ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব উপস্থিত ছিলেন।

২৫ মন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রী নিয়ে নিজের মন্ত্রিসভা গঠন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তাঁর মন্ত্রিসভায় কাঁদের জায়গা হচ্ছে তা নিয়ে কয়েক দিন ধরে চলছিল আলোচনা। নাম শোনা যাচ্ছিল বিএনপির শীর্ষ সারির অনেক নেতার। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দলটির বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ ও প্রভাবশালী নেতা সেখানে জায়গা পাননি।
৫ ঘণ্টা আগে
বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভায় স্থান পাওয়ার খবরে কয়েকজন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর নিজ এলাকায় চলছে আনন্দের বন্যা। মিষ্টি বিতরণ করছেন তাঁদের নেতা-কর্মী ও সমর্থকেরা। আজকের পত্রিকার প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর। প্রথমবার এমপি হয়েই মন্ত্রিত্ব পেয়েছেন সিলেটের দুজন। দুজনই বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা।
৫ ঘণ্টা আগে
তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত নতুন মন্ত্রিসভায় দক্ষিণাঞ্চলের বেশ কয়েকজন বর্ষীয়ান ও প্রভাবশালী নেতা স্থান না পাওয়ায় বরিশালে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কয়েক দিন ধরে তাঁদের মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তি নিয়ে জোর আলোচনা চললেও শেষ পর্যন্ত অনেকে জায়গা পাননি। এ নিয়ে স্থানীয় বিএনপির একটি অংশে হতাশা বিরাজ করছে।
৬ ঘণ্টা আগে
আমন ফসল ঘরে তোলার পর শুষ্ক মৌসুমে অনেক কৃষক বোরো ধান চাষের জন্য জমিতে হালচাষ করছেন, কেউ আবার চারা রোপণ করছেন। মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার পতনঊষার-ভানুগাছ সড়কের পাশে সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে ভিন্ন দৃশ্য। তিন ফসলি কৃষিজমি ভরাট করে সড়কের পাশের জমিতে অনেকে বহুতল ভবন নির্মাণের কাজ করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে