
ইউক্রেনকে সহায়তা করার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বা সময় কোনোটাই যুক্তরাষ্ট্রের নেই। এই অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রের পার্লামেন্ট কংগ্রেস যদি অতিরিক্ত তহবিল সরবরাহের জন্য বিল পাশ না করে, তাহলে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউক্রেনের লড়াই করা কঠিন হয়ে যাবে। এমনটাই জানিয়েছে হোয়াইট হাউস। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
গত সোমবার মার্কিন কংগ্রেসের প্রতি ইউক্রেনের জন্য অতিরিক্ত তহবিল সরবরাহের আহ্বান জানিয়ে একটি চিঠি পাঠিয়েছে হোয়াইট হাউস। চিঠিতে বলা হয়েছে, সরকার এরই মধ্যে ইউক্রেনকে প্রায় ১১১ বিলিয়ন ডলার সমপরিমাণে সামরিক সহায়তা দিয়েছে ইউক্রেনকে।
চিঠির বিষয়টি নিশ্চিত করে মার্কিন প্রশাসনের বাজেট ও ব্যবস্থাপনাবিষয়ক বিভাগের পরিচালক শ্যালান্ডা ইয়ং বলেছেন, ‘আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, কংগ্রেসের পদক্ষেপ ছাড়া চলতি বছরের শেষ নাগাদ ইউক্রেনের জন্য আরও অস্ত্র ও সরঞ্জাম সংগ্রহ ও মার্কিন সামরিক ভান্ডার থেকে সরঞ্জাম সরবরাহ করার জন্য আমাদের সামর্থ্য শেষ হয়ে যাবে।’
গত অক্টোবরে হোয়াইট হাউস ইউক্রেনকে সহায়তা দেওয়ার জন্য কংগ্রেসের কাছে আরও ১০০ বিলিয়ন ডলার অতিরিক্ত তহবিল পাশের অনুরোধ জানিয়েছিল। কিন্তু হাউসে ক্ষমতাসীন ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান পার্টির মধ্যকার মতানৈক্য এবং স্পিকারের পদ নিয়ে অস্থিরতার কারণে বিষয়টি চাপা পড়ে যায়।
হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস ও সিনেটের কাছে লিখিত চিঠিতে শ্যালান্ডা ইয়ং আরও বলেন, ‘তহবিল প্রদানে ব্যর্থ হলে যুদ্ধক্ষেত্রে ইউক্রেন পিছিয়ে পড়বে। ফলে এই যুদ্ধে ইউক্রেন এখন পর্যন্ত যা অর্জন করেছে তা কেবল ঝুঁকিতেই পড়বে না, রাশিয়ার সামরিক বিজয়ের সম্ভাবনাও বাড়িয়ে দেবে।’
মার্কিন প্রশাসনের বাজেট ও ব্যবস্থাপনাবিষয়ক বিভাগের পরিচালক শ্যালান্ডা ইয়ং আরও বলেন, ‘এই অবস্থায় এই শূন্যস্থান পূরণে তহবিলের কোনো বিকল্প নেই। কারণ বর্তমানে ইউক্রেনকে সহায়তা করার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বা সময় কোনোটাই আর আমাদের নেই।’

ইউক্রেনকে সহায়তা করার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বা সময় কোনোটাই যুক্তরাষ্ট্রের নেই। এই অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রের পার্লামেন্ট কংগ্রেস যদি অতিরিক্ত তহবিল সরবরাহের জন্য বিল পাশ না করে, তাহলে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউক্রেনের লড়াই করা কঠিন হয়ে যাবে। এমনটাই জানিয়েছে হোয়াইট হাউস। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
গত সোমবার মার্কিন কংগ্রেসের প্রতি ইউক্রেনের জন্য অতিরিক্ত তহবিল সরবরাহের আহ্বান জানিয়ে একটি চিঠি পাঠিয়েছে হোয়াইট হাউস। চিঠিতে বলা হয়েছে, সরকার এরই মধ্যে ইউক্রেনকে প্রায় ১১১ বিলিয়ন ডলার সমপরিমাণে সামরিক সহায়তা দিয়েছে ইউক্রেনকে।
চিঠির বিষয়টি নিশ্চিত করে মার্কিন প্রশাসনের বাজেট ও ব্যবস্থাপনাবিষয়ক বিভাগের পরিচালক শ্যালান্ডা ইয়ং বলেছেন, ‘আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, কংগ্রেসের পদক্ষেপ ছাড়া চলতি বছরের শেষ নাগাদ ইউক্রেনের জন্য আরও অস্ত্র ও সরঞ্জাম সংগ্রহ ও মার্কিন সামরিক ভান্ডার থেকে সরঞ্জাম সরবরাহ করার জন্য আমাদের সামর্থ্য শেষ হয়ে যাবে।’
গত অক্টোবরে হোয়াইট হাউস ইউক্রেনকে সহায়তা দেওয়ার জন্য কংগ্রেসের কাছে আরও ১০০ বিলিয়ন ডলার অতিরিক্ত তহবিল পাশের অনুরোধ জানিয়েছিল। কিন্তু হাউসে ক্ষমতাসীন ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান পার্টির মধ্যকার মতানৈক্য এবং স্পিকারের পদ নিয়ে অস্থিরতার কারণে বিষয়টি চাপা পড়ে যায়।
হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস ও সিনেটের কাছে লিখিত চিঠিতে শ্যালান্ডা ইয়ং আরও বলেন, ‘তহবিল প্রদানে ব্যর্থ হলে যুদ্ধক্ষেত্রে ইউক্রেন পিছিয়ে পড়বে। ফলে এই যুদ্ধে ইউক্রেন এখন পর্যন্ত যা অর্জন করেছে তা কেবল ঝুঁকিতেই পড়বে না, রাশিয়ার সামরিক বিজয়ের সম্ভাবনাও বাড়িয়ে দেবে।’
মার্কিন প্রশাসনের বাজেট ও ব্যবস্থাপনাবিষয়ক বিভাগের পরিচালক শ্যালান্ডা ইয়ং আরও বলেন, ‘এই অবস্থায় এই শূন্যস্থান পূরণে তহবিলের কোনো বিকল্প নেই। কারণ বর্তমানে ইউক্রেনকে সহায়তা করার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বা সময় কোনোটাই আর আমাদের নেই।’

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৩ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৩ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৬ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৬ ঘণ্টা আগে