
হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতির চুক্তির অংশ হিসেবে পঞ্চম দিনে পঞ্চম দফায় গতকাল মঙ্গলবার ইসরায়েলের কারাগার থেকে ৩০ ফিলিস্তিনি বন্দীকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বিপরীতে ১০ জন ইসরায়েলিসহ মোট ১২ জন জিম্মিকে মুক্তি দিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। ইসরায়েল জানিয়েছে, মুক্তি পাওয়া দুজন বিদেশি থাইল্যান্ডের নাগরিক।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বন্দিবিনিময় চুক্তির আওতায় মুক্তি পাওয়া ১৫ নারী ও ১৫ শিশুকে নিয়ে অধিকৃত পশ্চিম তীরের রামাল্লার কাছে বেইটোনিয়া শহরে ইসরায়েলের ওফার সামরিক কারাগার ছেড়ে গেছে রেডক্রসের একটি বাস।
অন্যদিকে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ) ও রেডক্রসের আন্তর্জাতিক কমিটি (আইসিআরসি) জানিয়েছে, হামাসের মুক্তি দেওয়া ১২ জিম্মিকে মিসর সীমান্তবর্তী রাফাহ ক্রসিং দিয়ে গাজা থেকে স্থানান্তরের কাজ সফলভাবে পরিচালনা করা হয়েছে।
যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা অনুসারে, আজ বুধবারও গাজা উপত্যকায় কোনো হামলা চালাবে না আইডিএফ। তবে যুদ্ধবিরতি শেষে আবার পূর্ণমাত্রায় অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছেন আইডিএফ মুখপাত্র ড্যানিয়েল হ্যাগারি। সামাজিক প্ল্যাটফর্ম এক্সে দেওয়া আইডিএফের পোস্টে তিনি বলেন, যুদ্ধবিরতি বা যুদ্ধের মধ্যেই জিম্মিদের দেশে ফেরানো হবে।
ইসরায়েলের সেনাবাহিনী ও রাজনৈতিক নেতারা বারবারই যুদ্ধবিরতি শেষে গাজায় ফের হামলা শুরুর কথা বলে আসছেন। তবে চিরস্থায়ীভাবে যুদ্ধ শেষ করার জন্য ইসরায়েলের ওপর রয়েছে আন্তর্জাতিক চাপ।
উল্লেখ্য, দেড় মাসেরও বেশি সময় যুদ্ধ চলার পর গত শুক্রবার চার দিনের যুদ্ধবিরতির চুক্তিতে পৌঁছায় হামাস ও ইসরায়েল। গত সোমবার ১১ ইসরায়েলি জিম্মি ও ৩৩ ফিলিস্তিনি বন্দীকে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল। এ নিয়ে শুক্রবার থেকে চলা যুদ্ধবিরতিতে ১৮০ ফিলিস্তিনি বন্দীকে মুক্তি দিয়েছে ইসরায়েল। অন্যদিকে হামাস মুক্তি দিয়েছে অর্ধশতাধিক ইসরায়েলিকে।

হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতির চুক্তির অংশ হিসেবে পঞ্চম দিনে পঞ্চম দফায় গতকাল মঙ্গলবার ইসরায়েলের কারাগার থেকে ৩০ ফিলিস্তিনি বন্দীকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বিপরীতে ১০ জন ইসরায়েলিসহ মোট ১২ জন জিম্মিকে মুক্তি দিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। ইসরায়েল জানিয়েছে, মুক্তি পাওয়া দুজন বিদেশি থাইল্যান্ডের নাগরিক।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বন্দিবিনিময় চুক্তির আওতায় মুক্তি পাওয়া ১৫ নারী ও ১৫ শিশুকে নিয়ে অধিকৃত পশ্চিম তীরের রামাল্লার কাছে বেইটোনিয়া শহরে ইসরায়েলের ওফার সামরিক কারাগার ছেড়ে গেছে রেডক্রসের একটি বাস।
অন্যদিকে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ) ও রেডক্রসের আন্তর্জাতিক কমিটি (আইসিআরসি) জানিয়েছে, হামাসের মুক্তি দেওয়া ১২ জিম্মিকে মিসর সীমান্তবর্তী রাফাহ ক্রসিং দিয়ে গাজা থেকে স্থানান্তরের কাজ সফলভাবে পরিচালনা করা হয়েছে।
যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা অনুসারে, আজ বুধবারও গাজা উপত্যকায় কোনো হামলা চালাবে না আইডিএফ। তবে যুদ্ধবিরতি শেষে আবার পূর্ণমাত্রায় অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছেন আইডিএফ মুখপাত্র ড্যানিয়েল হ্যাগারি। সামাজিক প্ল্যাটফর্ম এক্সে দেওয়া আইডিএফের পোস্টে তিনি বলেন, যুদ্ধবিরতি বা যুদ্ধের মধ্যেই জিম্মিদের দেশে ফেরানো হবে।
ইসরায়েলের সেনাবাহিনী ও রাজনৈতিক নেতারা বারবারই যুদ্ধবিরতি শেষে গাজায় ফের হামলা শুরুর কথা বলে আসছেন। তবে চিরস্থায়ীভাবে যুদ্ধ শেষ করার জন্য ইসরায়েলের ওপর রয়েছে আন্তর্জাতিক চাপ।
উল্লেখ্য, দেড় মাসেরও বেশি সময় যুদ্ধ চলার পর গত শুক্রবার চার দিনের যুদ্ধবিরতির চুক্তিতে পৌঁছায় হামাস ও ইসরায়েল। গত সোমবার ১১ ইসরায়েলি জিম্মি ও ৩৩ ফিলিস্তিনি বন্দীকে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল। এ নিয়ে শুক্রবার থেকে চলা যুদ্ধবিরতিতে ১৮০ ফিলিস্তিনি বন্দীকে মুক্তি দিয়েছে ইসরায়েল। অন্যদিকে হামাস মুক্তি দিয়েছে অর্ধশতাধিক ইসরায়েলিকে।

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৩ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৩ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৬ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৭ ঘণ্টা আগে