চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত সারা দেশে ২৯২ জন শিশুকে হত্যা করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫৭ জনকে শারীরিক নির্যাতনের পর হত্যা করা হয়। দেশের মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) চলতি বছরের জানুয়ারি-জুলাই এই ৭ মাসের মানবাধিকার লঙ্ঘনের সংখ্যাগত প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
আজ বুধবার আসক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদনটি নয়টি জাতীয় দৈনিক ও বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদ এবং এর নিজস্ব উৎস থেকে সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ বছর প্রথম সাত মাসে ৬১৮ জন শিশু সহিংসতার শিকার হয়েছে। এর মধ্যে ১৯৪টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। এ সময়ে ৩৫৩ জন নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে ২৫ জনকে।
আসক জানায়, এ বছর জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত পারিবারিক সহিংসতার শিকার হয়েছেন ২৯৯ জন নারী। এর মধ্যে ১৩৪ জন নারী স্বামীর হাতে খুন হয়েছেন। যৌতুকের কারণে নির্যাতন করা হয়েছে ৪১ জনকে। ৩৮ জনকে যৌতুকের কারণে হত্যা করা হয়েছে। যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন ৮৬ জন নারী। ফতোয়া এবং সালিশের শিকার হয়েছেন ৪ জন। ৪ জন অ্যাসিড নিক্ষেপের শিকার হয়েছেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৮ জন গৃহকর্মী নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এর মধ্যে ২ জনকে ধর্ষণ করা হয়েছে।
আসকের তথ্য সংরক্ষণ ইউনিটের হিসেব মতে, এ বছর প্রথম সাত মাসে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হাতে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় ২৩৫টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় ১৭ জন নিহত এবং ৩ হাজার ৪৭১ জন আহত হয়েছে।

আগামী ১ মার্চের মধ্যে প্রতিটি উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ দুটি খালের তথ্য পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।
১ ঘণ্টা আগে
দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম কর্মদিবসেই আনুষ্ঠানিকতা এড়িয়ে কাজকেই অগ্রাধিকার দেওয়ার বার্তা দিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। পরিকল্পনা কমিশনের বিভিন্ন বিভাগ থেকে ফুল নিয়ে শুভেচ্ছা জানাতে এলে তিনি বলেন, ‘প্লিজ, ফুলটুল দেবেন না। এখন কাজের সময়।’
২ ঘণ্টা আগে
স্বাধীনতাযুদ্ধকে সাংস্কৃতিক বিপ্লব হিসেবে অভিহিত করেছেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘কবিতা শুধু আমাদের কাঁদায় না, কবিতা মানুষকে জাগায়, মানুষকে সংগ্রামমুখর করে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে একটা শক্তিশালী উচ্চারণ, একটা প্রতিবাদ। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্র হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে অস্ত্র...
৩ ঘণ্টা আগে
জাপানে দিনে দিনে জনসংখ্যা কমছে। এই অবস্থায় ২০৪০ সালের মধ্যে দেশটিতে প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ যুব কর্মীর প্রয়োজন হতে পারে। সম্ভাব্য এই শ্রমবাজার ধরতে চায় সরকার। এ লক্ষ্যে জাপানে বাংলাদেশি কর্মী প্রেরণ, দক্ষতা উন্নয়ন ও ভাষা প্রশিক্ষণ জোরদার করতে আজ রোববার প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে...
৩ ঘণ্টা আগে