
ভাড়াটে যোদ্ধা বাহিনী ভাগনারের বিদ্রোহের পরও এই বাহিনীর প্রধান ইয়েভগেনি প্রিগোঝিনকে নিজ দপ্তরে ডেকে নিয়ে সাক্ষাৎ করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
শুধু প্রিগোঝিনই নন, গত ২৯ জুন রুশ প্রেসিডেন্টের দপ্তর ক্রেমলিনে ওই সাক্ষাতের সময় ভাগনার বাহিনীর আরও ৩৪ কমান্ডার ছিলেন বলে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
ভাগনার কমান্ডারদের সঙ্গে সাড়ে তিন ঘণ্টার বৈঠকে ইউক্রেন যুদ্ধ এবং ২৪ জুন তাঁদের বিদ্রোহ নিয়ে পুতিন নিজের মূল্যায়ন তুলে ধরেন বলে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ সংবাদ সংস্থা ইন্টারফ্যাক্সকে জানান।
পেসকভকে উদ্ধৃত করে বিবিসি বলছে, গত ২৪ জুন ব্যর্থ বিদ্রোহের সময় যা ঘটেছে, তা নিয়ে নিজের মূল্যায়ন প্রিগোঝিনকে জানিয়েছেন পুতিন। তিনি ভাগনার কমান্ডারদের অভিযোগগুলো শোনেন। কমান্ডাররা জোর দিয়ে বলেন, তাঁরা পুতিনের কট্টর সমর্থক। রাশিয়ার জন্য লড়াই চালিয়ে যেতে চান।
ভাগনার কমান্ডারদের যুদ্ধে অংশগ্রহণের সুযোগের পাশাপাশি তাঁদের বিকল্প কর্মসংস্থানের প্রস্তাব দেন পুতিন।
রাশিয়ার সামরিক নেতৃত্বের ওপর ক্ষুব্ধ প্রিগোঝিন ২৪ জুন বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। নিজের যোদ্ধাদের নিয়ে মস্কোর উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন তিনি। এ সময় ইউক্রেন সীমান্তবর্তী বেশ কয়েকটি শহর দখলে নেন ভাগনার যোদ্ধারা। একপর্যায়ে ক্রেমলিনের সঙ্গে সমঝোতার পর বিদ্রোহ থামান প্রিগোঝিন। দুই সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও প্রিগোঝিন বা ভাগনার যোদ্ধাদের ভাগ্যে কী ঘটেছে বা ঘটতে যাচ্ছে, তা এখনো জানা যায়নি।
বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেকসান্দার লুকাশেঙ্কোর মধ্যস্থতায় প্রিগোঝিন বিদ্রোহ থামান। সমঝোতা অনুযায়ী, প্রিগোঝিন ও ভাগনারের যোদ্ধাদের একাংশের বেলারুশে থাকার কথা। তবে তাঁরা কেউ এখন বেলারুশে নেই বলে গত বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন লুকাশেঙ্কো।

ভাড়াটে যোদ্ধা বাহিনী ভাগনারের বিদ্রোহের পরও এই বাহিনীর প্রধান ইয়েভগেনি প্রিগোঝিনকে নিজ দপ্তরে ডেকে নিয়ে সাক্ষাৎ করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
শুধু প্রিগোঝিনই নন, গত ২৯ জুন রুশ প্রেসিডেন্টের দপ্তর ক্রেমলিনে ওই সাক্ষাতের সময় ভাগনার বাহিনীর আরও ৩৪ কমান্ডার ছিলেন বলে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
ভাগনার কমান্ডারদের সঙ্গে সাড়ে তিন ঘণ্টার বৈঠকে ইউক্রেন যুদ্ধ এবং ২৪ জুন তাঁদের বিদ্রোহ নিয়ে পুতিন নিজের মূল্যায়ন তুলে ধরেন বলে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ সংবাদ সংস্থা ইন্টারফ্যাক্সকে জানান।
পেসকভকে উদ্ধৃত করে বিবিসি বলছে, গত ২৪ জুন ব্যর্থ বিদ্রোহের সময় যা ঘটেছে, তা নিয়ে নিজের মূল্যায়ন প্রিগোঝিনকে জানিয়েছেন পুতিন। তিনি ভাগনার কমান্ডারদের অভিযোগগুলো শোনেন। কমান্ডাররা জোর দিয়ে বলেন, তাঁরা পুতিনের কট্টর সমর্থক। রাশিয়ার জন্য লড়াই চালিয়ে যেতে চান।
ভাগনার কমান্ডারদের যুদ্ধে অংশগ্রহণের সুযোগের পাশাপাশি তাঁদের বিকল্প কর্মসংস্থানের প্রস্তাব দেন পুতিন।
রাশিয়ার সামরিক নেতৃত্বের ওপর ক্ষুব্ধ প্রিগোঝিন ২৪ জুন বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। নিজের যোদ্ধাদের নিয়ে মস্কোর উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন তিনি। এ সময় ইউক্রেন সীমান্তবর্তী বেশ কয়েকটি শহর দখলে নেন ভাগনার যোদ্ধারা। একপর্যায়ে ক্রেমলিনের সঙ্গে সমঝোতার পর বিদ্রোহ থামান প্রিগোঝিন। দুই সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও প্রিগোঝিন বা ভাগনার যোদ্ধাদের ভাগ্যে কী ঘটেছে বা ঘটতে যাচ্ছে, তা এখনো জানা যায়নি।
বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেকসান্দার লুকাশেঙ্কোর মধ্যস্থতায় প্রিগোঝিন বিদ্রোহ থামান। সমঝোতা অনুযায়ী, প্রিগোঝিন ও ভাগনারের যোদ্ধাদের একাংশের বেলারুশে থাকার কথা। তবে তাঁরা কেউ এখন বেলারুশে নেই বলে গত বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন লুকাশেঙ্কো।

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৪ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৪ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৮ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৮ ঘণ্টা আগে