ভারতের সর্বশেষ আইসিসি শিরোপা জয়ের প্রায় এক দশক হতে চলেছে। মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বে ২০১৩ আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফি জয়ের পর অধিনায়ক হয়েছেন বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মারা। অধিনায়ক বদলালেও ভারতের ক্যাবিনেটে যোগ হয়নি কোনো শিরোপা। রবিচন্দ্রন অশ্বিন এখানে উদাহরণ হিসেবে শচীন টেন্ডুলকারের কথা উল্লেখ করেছেন। যেখানে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর শিরোপার স্বাদ পেয়েছিলেন শচীন।
১৯৮৩,২০১১-এই দুটো ওয়ানডে বিশ্বকাপ জিতেছে ভারত। আর শচীন ১৯৯২ থেকে ২০১১ পর্যন্ত ছয়টি বিশ্বকাপ খেলেছেন। ২০১১ তে অধরা শিরোপার ছোঁয়া পেয়েছেন ভারতীয় এই ব্যাটিং কিংবদন্তি। নিজের ইউটিউব চ্যানেলে অশ্বিন এই ব্যাপারে বলেন, ‘১৯৮৩ এর বিশ্বকাপের পর কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকার ১৯৯২,১৯৯৬, ১৯৯৯,২০০৩, ২০০৭ বিশ্বকাপ খেলেছেন। অবশেষে ২০১১ তে তিনি বিশ্বকাপ জেতেন। শিরোপা জিততে তাঁকে ছয়টি বিশ্বকাপ অপেক্ষা করতে হয়েছে। এটা সম্ভব হয়েছে যখন মহেন্দ্র সিং ধোনি অধিনায়ক হয়েছে এবং দায়িত্ব নেওয়ার পর শিগগিরই শিরোপা জিতলেন।’
কোহলি, রোহিতরা অধিনায়ক হয়ে কোনো আইসিসি ইভেন্ট জেতেননি ঠিকই। তবে তারাও যে ভারতের আইসিসি শিরোপা জয়ী দলের সদস্য ছিলেন, সেটা মনে করিয়ে দিয়েছেন অশ্বিন। ভারতের এই অফস্পিনার বলেন, ‘এরা (রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি) ২০০৭ বিশ্বকাপ খেলেনি। ২০১১ বিশ্বকাপ রোহিত শর্মা খেলেনি। শুধু কোহলি ২০১১,২০১৫ ও ২০১৯ বিশ্বকাপ খেলেছে। ২০২৩ এ সে (কোহলি) চতুর্থ বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছে। ২০১১ বিশ্বকাপ, ২০১৩ চ্যাম্পিয়নস ট্রফি সে জিতেছে। ২০১৩ চ্যাম্পিয়নস ট্রফিও রোহিত শর্মা জিতেছে।’

লিওনেল মেসির গল্পটা যেন শেষ হয়েও হলো না শেষ। সামাজিক মাধ্যমে একবার অবসরের ঘোষণা দেওয়ার পরও ৬ অক্টোবর দেখা যাচ্ছে তাঁকে। যদিও এই এক ম্যাচের বেশি তিনি খেলছেন না। বিশ্বজয়ী ফুটবলারের আর্জেন্টিনার হয়ে এক ম্যাচ পরই যে বিদায়ঘণ্টা বেজে যাচ্ছে, সেটা এখনো তাঁর সতীর্থদের বিশ্বাস হচ্ছে না।
৪ ঘণ্টা আগে
বয়স হয়ে গেছে ৩৪ বছর। লিওনেল মেসির সঙ্গে দীর্ঘদিন খেলেছেন জাতীয় দলে। আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগের অন্যতম ভরসা নিকোলাস তালিয়াফিকো যে গোধূলিলগ্নে এসে পৌঁছেছেন, তা তিনি বুঝতে পেরেছেন। দিয়েছেন অবসরের ইঙ্গিত।
৫ ঘণ্টা আগে
১৫ বছর আগে রিয়াল মাদ্রিদের যুব দলে ট্রায়াল দিতে গিয়ে জিদানের সঙ্গে প্রথম দেখা হয়েছিল এমবাপ্পের। সেই জিদানই এখন তাঁর জাতীয় দলের কোচ
৬ ঘণ্টা আগে
ফুটবলে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ম্যাচ কতটা উত্তাপ ছড়ায়, তা না বললেই নয়। যে ভেন্যুতেই খেলা হোক, ভক্ত-সমর্থকেরা তো বটেই, এমনকি ফুটবলাররাও হাতাহাতিতে জড়ান। ফাইনাল হলে তো কথাই নেই। তবে এবারের হাতাহাতির ঘটনা ফুটবল ম্যাচে নয়।
৬ ঘণ্টা আগে