চালু হতে যাচ্ছে দেশের প্রথম মেট্রোরেল। আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে আগামী ২৮ ডিসেম্বর। প্রথম ধাপে উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত অংশ চালু হবে। আগামী বছর আগারগাঁও থেকে মতিঝিল পর্যন্ত এবং ২০২৫ সালের মধ্যে চালু হবে মতিঝিল থেকে কমলাপুর সম্পূর্ণ মেট্রোরেল প্রকল্প।
উদ্বোধন ঘোষণার পর ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হবে। প্রথম দিকে শুধু স্টেশনের কাউন্টার থেকে এমআরটি পাস ইস্যু করা হবে এবং তা রিচার্জ করা যাবে।

মেট্রোরেলের বিষয়ে জনসাধারণকে ধারণা দিতে দিয়াবাড়ির মেট্রোরেল ডিপোতে স্থাপন করা হয়েছে মেট্রোরেল এক্সিবিশন ইনফরমেশন সেন্টার (এমইআইসি)। টিকিট কেটে মেট্রোতে চলাচলের যাবতীয় তথ্য সেখান থেকে জানা যাচ্ছে। যাত্রীদের সার্বক্ষণিক সহযোগিতার জন্য সেখানে আছেন এক্সিবিশন গাইড।
মেট্রোরেল এক্সিবিউশন সেন্টারের এক্সিবিশন হল গাইড সাজ্জাদ হোসেন হোসেন জানান, মেট্রোরেলের প্রত্যেকটি স্টেশনেই একটি টিকেট ভেন্ডর মেশিন বা টিকিট বিক্রয় মেশিনে পাওয়া যাবে। গন্তব্যে যাতায়াতের জন্য টিকিট কাটার দুটি পদ্ধতি রয়েছে—সিঙ্গেল (একক) ও পারমানেন্ট। টিকিট কাটতে হলে যাত্রীকে প্রথমে মনিটরে ভাষা (বাংলা অথবা ইংরেজি) নির্বাচন করতে হবে। একক ও পারমানেন্ট (এমআরটি পাস) যাত্রার জন্য টিকিট নির্বাচন করতে হবে। এরপর আসবে গন্তব্যের তালিকা। কোন স্টেশন পর্যন্ত কত ভাড়া সে তালিকা দেওয়া থাকবে। সেখান থেকে যাত্রীকে তাঁর গন্তব্য স্টেশন নির্বাচন করতে হবে। এরপর কয়টি টিকিট কাটবেন তার অপশন আসবে। পছন্দমতো স্টেশন ও টিকিট সংখ্যা টাচ-স্ক্রিন মনিটরে নির্বাচন করে গন্তব্যের স্থান নির্বাচন করতে হবে। এরপর ‘ওকে’ বাটন চাপলেই মেশিন টাকা চাইবে। টাকা দিলেই একক টিকিট বের হয়ে আসবে। এই পদ্ধতিতে যাত্রীরা একবারই ভ্রমণ করতে পারবেন। একক যাত্রার জন্য একজন যাত্রী একসঙ্গে পাঁচটির বেশি টিকিট কাটতে পারবেন না।

অন্যদিকে এমআরটি পাস পদ্ধতিতে একটি স্মার্ট কার্ডের মাধ্যমে যতবার খুশি যাতায়াত করা যাবে। তবে সে ক্ষেত্রে কার্ডটি সময়মতো রিচার্জ করে নিতে হবে। ২০ টাকা থেকে শুরু করে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত রিচার্জ করা যাবে কার্ডটিতে। প্রত্যেক স্টেশনে থাকা টিকিট ভেন্ডর মেশিনের মাধ্যমেই এটি করা যাবে। এ ক্ষেত্রে গন্তব্য অনুযায়ী নির্ধারিত ভাড়া কেটে নিয়ে কার্ডটি ফেরত দিয়ে দেওয়া হবে যাত্রীকে।
মেট্রোরেল এক্সিবিউশন সেন্টারের আরেক এক্সিবিশন হল গাইড মো. সুজন মিয়া জানান, টিকিট ভেন্ডর মেশিন থেকে একক যাত্রার টিকিট অথবা এমআরটি পদ্ধতির স্মার্ট কার্ডটি মেট্রোরেলে প্রবেশের আগে পাঞ্চ করলে খুলে যাবে স্বয়ংক্রিয় দরজা। এর মাধ্যমে যাত্রী মেট্রোরেলে প্রবেশ করতে পারবেন। যাত্রী গন্তব্যে পৌঁছালে মেট্রো থেকে বের হওয়ার সময় আবার কার্ডটি পাঞ্চ করলে খুলে যাবে মেট্রো স্টেশন থেকে বের হওয়ার স্বয়ংক্রিয় দরজা। আর একক যাত্রার টিকিট স্বয়ংক্রিয় গেটের মেশিনে পাঞ্চ করলে গেটটি খুলে যাবে। তবে টিকিটটি রেখে দেবে গেট-মেশিন।
উদ্বোধনের পর থেকে সাধারণ যাত্রীরা এই দুই পদ্ধতিতে খুব সহজেই নিজেদের গন্তব্যে যাতায়াত করতে পারবেন। তবে প্রাথমিকভাবে এই যাত্রীসেবা সীমাবদ্ধ থাকবে উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত।

কমলাপুর স্টেশনের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘শুরু থেকেই ছাদে ওঠা বন্ধের চেষ্টা করা হয়েছে; কিন্তু শেষ মুহূর্তে যাত্রীর চাপ এত বেশি থাকে যে তা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয় না। মানবিক দিক বিবেচনায় কিছু ক্ষেত্রে ছাড় দিতে হচ্ছে, যাতে সবাই ঈদে বাড়ি যেতে পারে।’
১ ঘণ্টা আগে
শিক্ষার্থী ভর্তিতে (প্রথম থেকে নবম শ্রেণি) লটারি পদ্ধতি বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আমার বিবেচনায় এ সিদ্ধান্ত সুবিবেচনাপ্রসূত হয়নি। ঠিক কেন বা কী কারণে এখনই ত্বরিত (আগামী বছরের ভর্তি শুরুর বাকি প্রায় ৮ মাস) এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো, তা বোধগম্য নয়।
৮ ঘণ্টা আগে
স্কুলে ভর্তির ক্ষেত্রে লটারি পদ্ধতি বাতিলের সিদ্ধান্ত ‘তড়িঘড়ি ও অপরিকল্পিত’। এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রয়োজন ছিল পর্যাপ্ত গবেষণা, তথ্য-উপাত্ত এবং অংশীজনদের সঙ্গে বিস্তৃত আলোচনা। হঠাৎ করে এভাবে একটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যেটা আগে-পরে ভেবে দেখা হয়নি। কোনো গবেষণা বা অংশীজনদের...
৮ ঘণ্টা আগে
ঈদের ছুটির প্রথম দিনেই কর্মস্থল রাজধানী ঢাকা থেকে ঘরমুখী মানুষের সংখ্যা ব্যাপক বেড়েছে। জাতীয় মহাসড়কগুলোতে বেড়েছে যানবাহনের চাপ। দিনে মহাসড়কে তেমন যানজট না থাকায় স্বস্তিতেই বাড়ি ফিরেছেন অধিকাংশ মানুষ। তবে রাতে যানবাহনের অতিরিক্ত চাপে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের নবীনগর-চন্দ্রা ও সফিপুর-চন্দ্রা অংশে...
৮ ঘণ্টা আগে