Alexa
রোববার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

সেকশন

epaper
 

‘২০১৪ ও ২০১৮-এর নির্বাচন নিয়ে অতিমাত্রায় তর্ক-বিতর্ক হচ্ছে, আমরা বিতর্কের ঊর্ধ্বে থাকতে চাই’

আপডেট : ৩১ জুলাই ২০২২, ১৯:৩১

রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপের অংশ হিসেবে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংলাপ করেছে নির্বাচন কমিশন। ছবি: আজকের পত্রিকা প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, ‘২০১৪ এবং ২০১৮ সালের নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে অতিমাত্রায় সমালোচনা ও তর্ক-বিতর্ক হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের সমালোচনাও তীব্র ও তিক্ত। আমরা নিরপেক্ষ থেকে অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করে সমালোচনা ও বিতর্কের ঊর্ধ্বে থাকতে চাই।’ 

আজ রোববার নির্বাচন ভবনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংলাপে বসে সিইসি এমন মন্তব্য করেন। 

কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করা কমিশনের সাংবিধানিক ও সংবিধিবদ্ধ দায়িত্ব। একইভাবে কমিশনকে সহায়তা করা সরকারের সাংবিধানিক ও সংবিধিবদ্ধ দায়িত্ব। আমরা সে দায়বদ্ধতা থেকেই সংলাপের আয়োজন করেছি। ১৯৭০ থেকে আমরা নির্বাচন দেখে এসেছি। ১৯৫৪ সালের নির্বাচন আমরা জানি। ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচন এক অর্থে সাম্প্রতিক। রাষ্ট্রপতিশাসিত নির্বাচনপদ্ধতিতে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন হয়েছে। সংসদীয়পদ্ধতিতে ১৯৯১ সাল থেকে সম্ভবত নির্বাচন হচ্ছে। অতীতের অনেক নির্বাচন নিয়েই সমালোচনা বা তর্ক-বিতর্ক হলেও ২০১৪ এবং ২০১৮ সালের নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে অতিমাত্রায় সমালোচনা ও তর্ক-বিতর্ক হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের সমালোচনাও তীব্র ও তিক্ত। নিরপেক্ষ থেকে অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করে সমালোচনা ও বিতর্কের ঊর্ধ্বে থাকতে চাই।’ 

সিইসি বলেন, ‘আমরা প্রায় চার-পাঁচ পর্বে সংলাপের আয়োজন করেছিলাম। সুধীজন তাঁদের মতামত উপস্থাপন করেন। নির্বাচনে অর্থশক্তি, পেশিশক্তির প্রভাব, নির্বাচনে সহিংসতা, ভোট কারচুপি, কেন্দ্র দখল, ব্যালট পেপার ছিনতাই করে বাক্স ভরাট করা, ভোটকেন্দ্রে বাধা প্রদান, আমলাতন্ত্রের পক্ষপাতিত্ব, আইনশৃঙ্খলা সদস্যদের ভূমিকা, নির্বাচন কমিশনের নির্লিপ্ততা ইত্যাদি বিষয়ে মতামত উঠে এসেছে। আমরা মতামত পর্যালোচনা করে পরবর্তী সময়ে অবহিত করেছি।’ 

সিইসি হাবিবুল আউয়াল আরও বলেন, ‘আমরা নির্বাচন অবাধ ও গ্রহণযোগ্য করতে চেষ্টা আন্তরিকভাবে করে যাব। এই সংলাপ বিশেষ গুরুত্ব বহন করবে। আওয়ামী লীগ সম্ভবত দেশের প্রাচীন, সর্ববৃহৎ এবং সুসংগঠিত দল। বড় দলের কাছে প্রত্যাশাও বেশি থাকে। পরপর তিনবার সরকারে অধিষ্ঠিত। এ জন্য সাধারণ জনগণ আওয়ামী লীগকে সরকারি দল বা ক্ষমতাসীন দল বলে থাকে। কিন্তু সংবিধানে সরকারি দল বা ক্ষমতাসীন দল বলে কোনো কথা নেই। আমি যদি ভুল বুঝে না থাকি, আওয়ামী লীগ আর দশটি দলের মতোই একটি রাজনৈতিক দল। সরকার একটি সাংবিধানিক রাষ্ট্রীয় সংগঠন। এটি অবস্থানের একটি দ্বিমাত্রিক। কমিশনের ইচ্ছা, সদিচ্ছা এবং অনুভূতি; সরকার এবং আপনার দলের সকলকে অবহিত করে বাধিত করবেন।’ 

সংলাপে বিভিন্ন দলের বিভিন্ন প্রস্তাবের বিষয়ে সিইসি বলেন, ‘সংলাপে কিছু বিষয় উঠে এসেছে। অনেক পার্টি মনে করছে এক দিনে নির্বাচন করা সমীচীন হবে না। ভারতের মতো পৃথক দিনে হওয়া উচিত। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অপ্রতুলতার কথা কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। অনেকে বলেছেন, সেনাবাহিনী মোতায়েন করার জন্য। সেনাবাহিনীর জনমানুষের প্রতি আস্থা অনেক বেশি বলে তাঁরা মনে করছেন। আমরা কোনো সিদ্ধান্ত নিইনি।’ 

ইভিএম নিয়ে সিইসি তাঁর মন্তব্যে বলেন, ‘আরেকটা বিষয়ে সংকট থেকে যাবে, সেটা হলো ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম)। ইভিএম নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে সমর্থন পেয়েছি। অধিকাংশ দল ইভিএম বিশ্বাস করছে না। এর ভেতরে কি জানি একটা আছে! ইভিএম নিয়ে আমাদের যে অনুভূতি আমরা ব্যবহার করেছি। ফলাফল ৭১ শতাংশ পর্যন্ত ভোট কাস্ট করেছে। কিন্তু কথা বলেছি আমরাও অনেককেই আস্থায় আনতে পারছি না। না, কিছু একটা আছে। আমরা সিদ্ধান্ত নেব স্বাধীনভাবে। কিন্তু পুরোপুরি ঐকমত্যে নেই।’

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    পঠিতসর্বশেষ

    এলাকার খবর

     
     

    ৮ হাজার ৭১১ কোটি টাকার ইভিএম প্রকল্পের অনুমোদন দিল ইসি

    জেলা পরিষদ নির্বাচনে বিনা ভোটে জয়ের হিড়িক

    রিটার্নিং কর্মকর্তার পদ থেকে সরানো হলো চট্টগ্রামের ডিসিকে

    ইভিএমে রাতের ভোট হবে না: ইসি আলমগীর

    চট্টগ্রামের ডিসিকে সরানোর সিদ্ধান্ত ইসির

    একাত্তরের চেয়েও খারাপ অবস্থায় আছি আমরা: সুলতানা কামাল

    সেনাবাহিনীতে যুক্ত হলো নতুন সামরিক বিমান

    সরকারের সব লেনদেন ‘নগদে’ করার পরামর্শ সংসদীয় কমিটির 

    ইডেন কলেজে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, রিভাসহ আহত ১০ 

    বাবার মরদেহ বাড়িতে রেখে এসএসসি পরীক্ষায় বসেছে মরিয়ম

    পঞ্চগড়ে নৌকাডুবির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক

    রাস্তায় আসুন, সেখানে পরীক্ষা হবে: খন্দকার মোশাররফ