হাঁপানি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসায় একটি যুগান্তকারী আবিষ্কার করেছেন অস্ট্রেলিয়ার একদল চিকিৎসাবিজ্ঞানী। অস্ট্রেলিয়ার এডিথ কওয়ান ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে দেখেছেন, যারা গুরুতরভাবে এ রোগে ভুগছে, তাদের প্রস্রাবে একটি স্বতন্ত্র জৈব রাসায়নিক উপাদান পাওয়া গেছে। এ ধরনের উপাদান অল্প বা মাঝারি মাত্রার হাঁপানি রোগী বা সুস্থ মানুষের শরীরে নেই।
ইউরোপিয়ান রেসপিরেটরি জার্নালে প্রকাশিত গবেষণা প্রবন্ধের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম গেজেট থ্রিসিক্সটি।
ইউরোপিয়ান রেসপিরেটরি জার্নালে ইউ-বায়োপ্রেড নামে বড় গবেষণাটির একটি অংশ প্রকাশিত হয়েছে। হাঁপানির নানা ধরন নিয়ে এটিই ইউরোপীয়দের সবচেয়ে বড় গবেষণা।
ডা. স্টেসি রেইঙ্ক ও ডা. ক্রেইগ হুইলকের নেতৃত্বে গবেষক দল দেখেছে, গুরুতর হাঁপানি রোগীদের কার্নিটাইনের মাত্রা কমে গেছে। এর ফলে একধরনের বিপাক তাদের শরীরে ঘটছে। কার্নিটাইনগুলো রোগ প্রতিরোধ প্রতিক্রিয়াসহ শরীরের কোষশক্তি উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে কাজ করছে। এ ছাড়া গুরুতর হাঁপানি রোগীদের শরীরে কার্নিটাইন ধীরে ধীরে বিপাক হয় বলে প্রমাণ পেয়েছেন গবেষকেরা।
এ বিষয়ে ডা. রেইঙ্ক বলেছেন, তাঁদের এই গবেষণার ফলাফল হাঁপানি রোগের আরও ভালো চিকিৎসাপদ্ধতি উদ্ভাবনে সহায়তা করবে বলে তাঁরা আশা করেন। উচ্চ মাত্রার এবং একাধিক ওষুধ খাওয়া সত্ত্বেও যাদের হাঁপানি নিয়ন্ত্রণে থাকে না, তাদের জন্য এ গবেষণা নতুন আশা দেখাবে। হাঁপানি রোগের চিকিৎসার ক্ষেত্রে রোগের অন্তর্নিহিত প্রক্রিয়াগুলোকে আরও ভালোভাবে বুঝতে সাহায্য করবে এ গবেষণার ফলাফল।
হাঁপানি নিয়ে গবেষণার সমস্যাগুলোর মধ্যে একটি হলো, গবেষকেরা সরাসরি ফুসফুস নিয়ে কাজ করতে পারেন না। ফুসফুস নিয়ে কাজ করার পদ্ধতিগুলো কঠিন হওয়ায় ফুসফুসের মধ্যে কী ঘটছে তা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে জানা গবেষকদের জন্য কঠিন। তবে ফুসফুস যেহেতু রক্তনালিতে ঘনভাবে পরিপূর্ণ, তাই বিজ্ঞানীরা ফুসফুসের মধ্য দিয়ে যাওয়া রক্তের প্রোফাইলটি তদন্ত করতে পারেন। রক্তে কোনো রাসায়নিক পরিবর্তন হলে তা প্রস্রাব থেকে নির্গত হয়, যা বিজ্ঞানীরা সহজেই পরীক্ষা করতে পারেন।

পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডা. শংকর প্রসাদ অধিকারীর চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছে সরকার। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন আজ ঢাকার নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ডা. শংকর কে দেখতে গিয়ে এ কথা জানান।
১৫ ঘণ্টা আগে
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে এক শিশুর হামে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বাকি আট শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে। একই সময় হামের উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৬৯৮ শিশু, আর হাম শনাক্ত হয়েছে ১৭৬ জনের।
২১ ঘণ্টা আগে
আট বছর বয়সী মোহাম্মদ আমিনের মৃত্যুর দৃশ্যটি তার মা সুঘরার স্মৃতিতে আজও দগদগে। প্রচণ্ড জ্বরে যখন আমিনের শরীর পুড়ছিল, সে বৃষ্টির মধ্যে গিয়ে শুয়ে থাকতে চাইত। ‘ফুটন্ত তেলে ফেলে দেওয়া মাছের মতো’ যন্ত্রণায় ছটফট করত। মৃত্যুর ঠিক আগমুহূর্তে ধরা পড়ে, আমিন এইচআইভি পজিটিভ।
১ দিন আগে
সরকারের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৩০ শিশুর। তাদের মধ্যে ঢাকায় সর্বোচ্চ ১৭টি, বরিশালে পাঁচ, চট্টগ্রাম ও রাজশাহীতে তিনটি করে ছয়টি এবং ময়মনসিংহে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
২ দিন আগে