সবকিছু পেছনে ফেলে কোরবানির ঈদ আসছে। এই ঈদের একটা বড় অংশজুড়ে রয়েছে রান্না আর খাওয়াদাওয়া। ঈদের দিন থেকে শুরু করে পরবর্তী কয়েকটা দিন চলবে প্রতি বেলায় মাংসের তৈরি বিভিন্ন ধরনের খাবারের সমাহার। ক্যালরি মেপে হিসাব করে মাংস খাওয়া খুবই মুশকিলের ব্যাপার এ সময়; বিশেষ করে শিশুদের জন্য, যাদের অধিকাংশের কাছে মাংস মানেই আনন্দ।
কোরবানির ঈদ মানে গরু কিংবা খাসির মাংস, যা লাল মাংস হিসেবে পরিচিত। অনেকেই এই লাল মাংস শিশুদের খাওয়াতে ভয় পান। তবে লাল মাংস বিভিন্ন পুষ্টিগুণে পূর্ণ। এটি উৎকৃষ্ট প্রোটিন এবং এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন, জিংক, বিভিন্ন খনিজ উপাদান ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা বাড়ন্ত শিশুদের জন্য প্রয়োজন।
বিভিন্ন পেডিয়াট্রিকস অ্যাসোসিয়েশনের নির্দেশনা অনুযায়ী ছয় মাস বয়স থেকে বাড়তি খাবারের একটা অংশ হিসেবে লাল ও সাদা উভয় ধরনের মাংস খাওয়ানো যাবে। তবে প্রতি দুই-তিন দিন পরপর একটা করে নতুন খাবার যোগ করতে হবে খাদ্যতালিকায় এবং লক্ষ করতে হবে কোনো সমস্যা হচ্ছে কি না, নতুন খাবারে।
একজন সুস্থ-স্বাভাবিক মানুষ ৮৫ গ্রাম বা ৩ আউন্স মাংস নিরাপদে খেতে পারেন। এতে ১৭৩ থেকে ১৭৫ গ্রাম ক্যালরি এবং ২৫ গ্রামের মতো প্রোটিন থাকে। তবে যাঁরা অসুস্থ কিংবা যাঁদের প্রোটিন খাওয়া নিষেধ, তাঁদের মাংস না খাওয়াই ভালো।
এ ছাড়া যেসব শিশুর ডায়াবেটিস আছে, কোলেস্টেরলের সমস্যা আছে কিংবা অতিরিক্ত ওজন, তাদের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। সেসব শিশু কতটুকু মাংস খাচ্ছে, সেটা নজরে রাখতে হবে। প্রয়োজন হলে আগে থেকে ধারণা দিয়ে রাখতে হবে তাদের স্বাস্থ্যের ওপর অতিরিক্ত মাংসের প্রভাব সম্পর্কে। এ ক্ষেত্রে মাংস রান্না করার আগে গরম পানি দিয়ে সেদ্ধ করে চর্বি সরিয়ে নিতে পারেন। এ ছাড়া অ্যালার্জি কিংবা হজমে সমস্যা হচ্ছে কি না, সেদিকেও বিশেষ নজর রাখতে হবে।
উচ্চ তাপমাত্রায় মাংস রান্না করা হলে ক্ষতিকর ট্রান্সফ্যাট তৈরি হয়। তাই অল্প আঁচে উচ্চ চাপে ভালো করে সেদ্ধ করে রান্না করলে মাংসের সবটুকু উপকার পাওয়া যাবে।
ঈদের এই খুশি যেন অসুস্থতার ছোঁয়ায় নষ্ট না হয়, তাই অতিরিক্ত জনসমাগম যথাসাধ্য এড়িয়ে ও ডেঙ্গু প্রতিরোধের উপায়গুলো মেনে চলতে হবে।
ডা. নূরজাহান বেগম, স্পেশালিস্ট, পেডিয়াট্রিক আইসিইউ, এভারকেয়ার হাসপাতাল, ঢাকা

প্যালিয়েটিভ কেয়ার সোসাইটি অব বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ নটর ডেম অ্যালামনাই অব নর্থ আমেরিকার উদ্যোগে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের জন্য প্যালিয়েটিভ কেয়ার সেনসিটাইজেশন অনুষ্ঠান হয়ে গেল। আজ ১৫ ফেব্রুয়ারি, নটর ডেম ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের সার্বিক সহায়তায় বিশ্ববিদ্যালয়টির ক্যাম্পাসে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়...
১৬ ঘণ্টা আগে
দরজায় কড়া নাড়ছে মাহে রমজান, মুসলিম জাতির জন্য শ্রেষ্ঠ মাস। সুন্দরভাবে সিয়াম সাধনা করতে আগে থেকে মাসটি নিয়ে থাকে অনেক পরিকল্পনা। সেই পরিকল্পনার একটা বড় অংশ হচ্ছে মাহে রমজানের খাওয়াদাওয়া। কীভাবে খাবার খেলে কোনো ধরনের জটিলতা ছাড়াই রোজা রাখা যাবে, সেটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
২ দিন আগে
রমজান এলে বড়দের মতো অনেক কিশোর-কিশোরী রোজা রাখার আগ্রহ প্রকাশ করে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, পুষ্টির ঘাটতি ও অন্যান্য বিষয় বিবেচনা করে শিশু এবং কিশোর-কিশোরীদের খাবার ব্যবস্থাপনা করা এ সময় বেশ কঠিন। ফলে নির্দিষ্ট সময়ে অল্প পরিমাণে খাবার খেয়ে সহজে পুষ্টির চাহিদা পূরণের পথ খুঁজতে হয়।
২ দিন আগে
পবিত্র রমজান মাসে মুসলমানরা সংযম ও ইবাদতের মাধ্যমে আত্মশুদ্ধির চর্চা করেন। এ সময় অনেকে দৈনন্দিন জীবনযাপনে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করেন, বিশেষ করে স্বাস্থ্যসংক্রান্ত বিষয়ে। নাক-কান-গলার (ইএনটি) কোনো সমস্যা দেখা দিলে রোজা রেখে চিকিৎসা গ্রহণ করা যাবে কি না—এ প্রশ্ন প্রায়ই রোগীদের মনে সংশয় তৈরি করে।
২ দিন আগে