এবার ভারতের উত্তর প্রদেশের একটি পুরোনো মসজিদের অপসারণ চেয়ে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় দাবি করা হয়েছে মসজিদটি ‘কৃষ্ণ জন্মভূমিতে’ নির্মিত। উত্তর প্রদেশের আদালত মামলাটি গ্রহণ করেছে। এর ফলে, আদালতে মামলাটির শুনানি হবে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে।
মামলার আরজিতে কাতরা কেশব দেব মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে ১৭ শতকে নির্মিত শাহি ঈদগাহ মসজিদটি অপসারণের দাবি জানানো হয়েছে। আরজিতে আরও দাবি করা হয়, ১৬৬৯–৭০ সালে মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের আমলে মসজিদটি হিন্দু ধর্মের অবতার ভগবান কৃষ্ণের জন্মভূমিতে নির্মিত হয়েছে।
মামলাকারী ব্যক্তি লক্ষ্ণৌয়ের অধিবাসী রঞ্জণা অগ্নিহোত্রীর দাবি ভগবান কৃষ্ণের বাল্যকালের বন্ধু কাতরা কেশব দেবের মন্দিরের প্রাঙ্গণে মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছিল।
মামলার আইনজীবী গোপাল খান্ডেলওয়ালা বলেছেন, ‘ভগবান কৃষ্ণের উপাসক হিসেবে এই সম্পত্তি নিয়ে আমাদের মামলা করার অধিকার রয়েছে। মসজিদটি অবৈধভাবে কৃষ্ণ জন্মভূমিতে নির্মাণ করা হয়েছিল। বিগত কয়েক বছর ধরে সমঝোতার মাধ্যমে জমি ভাগ করা হয়েছিল। কিন্তু এই সমঝোতা ছিল অবৈধ।’
এর আগে, মথুরার আদালত মামলাটি ডিসমিস করে দিয়েছিল। আদালত জানিয়েছিল, ১৯৯১ সালের ধর্মীয় স্থাপনা আইনের আওতায় এই মামলাটি গ্রহণযোগ্য নয়। পরে মামলাকারীরা আপিল করলে আদালতে নির্দেশ বাতিল করে মামলাটি শুনানির জন্য গ্রহণ করা হয়।

প্রতিপক্ষকে শায়েস্তা করতে অর্থনৈতিক শক্তিকে অস্ত্রে পরিণত করার একধরনের একচেটিয়া আধিপত্য বহুদিন উপভোগ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। যেসব রাষ্ট্রকে বাগে আনতে ব্যর্থ হতো, তাদের ডলার বা সিলিকন ভ্যালির সবচেয়ে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করে তারা শাস্তি দিত। তবে এক বছরের মধ্যে দুবার বিশ্ব অর্থনীতিতে
৪ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ বন্ধ করে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বহু কাঙ্ক্ষিত আলোচনা শেষ হয়েছে। পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে টানা ১৪ ঘণ্টার সেই আলোচনা শেষে দুই দেশের প্রতিনিধিদলই গতকাল রোববার দেশে ফিরে গেছে। তাৎক্ষণিক কোনো ঘোষণা বা ফলাফল পাওয়া গেল না ইসলামাবাদ থেকে।
৫ ঘণ্টা আগে
আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, সামরিক প্রয়োজন ছাড়া বেসামরিক বাড়িঘর ধ্বংস করা ‘যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে গণ্য হতে পারে। ধ্বংস হয়ে যাওয়া গ্রামগুলোর বাসিন্দাদের কাছে এটি কেবল ঘর হারানো নয়, বরং প্রজন্মের পর প্রজন্মের স্মৃতি হারানো।
৬ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালিতে সব ধরনের জাহাজ চলাচলে অবরোধের ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে বাস্তবে তার প্রভাব হবে অত্যন্ত নগণ্য। প্রখ্যাত শিপিং বিশেষজ্ঞ লার্স জেনসেনের মতে, এই অবরোধ শুধু হাতে গোনা কয়েকটি জাহাজের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে, যা সামগ্রিক বিশ্ববাণিজ্যে বড় কোনো পরিবর্তন আনবে না।
৭ ঘণ্টা আগে