দেশ আজ অনেক বড় সংকটের সম্মুখীন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন। এই সংকটের জন্য বর্তমান সরকারকে দায়ী করেছেন বিএনপির এই শীর্ষ নেতা। সংকট কাটিয়ে উঠতে সরকারকে সরিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
আজ মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা এ কে এম ফজলুল হক মোল্লার প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকার হোমনা উপজেলা জাতীয়তাবাদী ফোরাম এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, এই যে সরকার, যারা গায়ের জোরে ক্ষমতায় বসে আছে, তারা মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছ, মৌলিক অধিকার কেড়ে নিয়েছে, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণের সাহস এবং সুযোগ এই সরকারের নাই। এর পেছনে একটা সিন্ডিকেট কাজ করছে যারা সবাই আওয়ামী লীগের এবং তারা সবাই এক হয়ে দ্রব্যমূল্য বাড়াচ্ছে, নিজেদের পকেট ভরছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ আজ বিরাট সংকটের সম্মুখীন। আমাদের মুক্তিযুদ্ধ এবং মুক্তিযোদ্ধাদের যে আকাঙ্ক্ষা, একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ, সেই গণতন্ত্রকে এই সরকার বারবার হত্যা করেছে। আজকে জনগণ আর এই সরকারকে দেখতে চায় না, পরিবর্তন চায়।

দুই বছরের বেশি সময় বন্ধ থাকার পর মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য পুনরায় উন্মুক্ত হওয়ার সম্ভাবনাকে স্বাগত জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। তবে ২৫টি বাংলাদেশি রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা প্রকাশের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে দলটি বলেছে...
৮ ঘণ্টা আগে
জনপ্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির সৈয়দ রেজাউল করীম। তিনি বলেছেন, জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে। তা না হলে সরকারের প্রতি জনগণের সহযোগিতা পাওয়া যাবে না।
১ দিন আগে
রাজশাহীতে জামায়াতে ইসলামীর রুকন সম্মেলনে দলের আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে আপত্তি নেই, তবে তা হতে হবে সমতা, সমমর্যাদা ও বন্ধুত্বের ভিত্তিতে। তিনি স্থানীয় নির্বাচনে ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে নেতা-কর্মীদের সক্রিয় থাকার নির্দেশ দেন।
২ দিন আগে
জামায়াত নেতা বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধী দলের অংশগ্রহণ ছিল সরকারের কাঙ্ক্ষিত ‘সংস্কার প্রক্রিয়ার সীমাবদ্ধতার’ বিরুদ্ধে প্রতীকী প্রতিবাদ এবং গণতান্ত্রিক চর্চার নতুন উদ্যোগ। তাঁর ভাষায়, ‘নির্বাচনের ফল কী হবে, তা আমরা আগেই জানতাম। তবুও আমরা অংশ নিয়েছি জনগণের সামনে আমাদের অবস্থান স্পষ্ট করতে।
২ দিন আগে