
বিশ্বের সবচেয়ে নিষেধাজ্ঞা পাওয়া দেশের তালিকায় শীর্ষে চলে এসেছে রাশিয়া। বৈশ্বিক নিষেধাজ্ঞা পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা কাস্টেলাম ডট এআইয়ের বরাত দিয়ে এমনটি জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
সেখানে বলা হয়েছে, ইউক্রেনে হামলা চালানোর আগে গত ২২ ফেব্রুয়ারি রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্ররা। রাশিয়ার আগে নিষেধাজ্ঞা ছিল ২ হাজার ৭৫৪ টি। আর ২২ ফেব্রুয়ারির পর এখন দেশটির নিষেধাজ্ঞার সংখ্যা ৫ হাজার ৫৩০ টি।
পুতিন নিষেধাজ্ঞাকে যুদ্ধের শামিল বলে আখ্যায়িত করেছেন।
কাস্টেলাম ডট এআইয়ের তথ্য অনুযায়ী নিষেধাজ্ঞা পাওয়ার তালিকায় বিশ্বের শীর্ষ ৫টি দেশগুলো হলো:
রাশিয়া: গত ২২ ফেব্রুয়ারির আগে রাশিয়ার আগে নিষেধাজ্ঞা ছিল ২ হাজার ৭৫৪ টি। এরপর দেশটির ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্ররা। এখন দেশটির নিষেধাজ্ঞার সংখ্যা ৫ হাজার ৫৩০ টি।
ইরান: রাশিয়ার পরই বিশ্বের সবচেয়ে বেশি নিষেধাজ্ঞা পাওয়া দেশের নাম ইরান। দেশটির নিষেধাজ্ঞার সংখ্যা ৩ হাজার ৬১৬ টি। গত দশকে ইরানের বিতর্কিত পারমাণবিক কর্মসূচি এবং সন্ত্রাসবাদে সমর্থনের অভিযোগে পশ্চিমারা এসব নিষেধাজ্ঞা দেয়।
সিরিয়া: কাস্টেলাম ডট এআইয়ের তথ্য অনুযায়ী বিশ্বের সবচেয়ে বেশি নিষেধাজ্ঞা পাওয়ার দেশের তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে সিরিয়া। দেশটিতে গৃহযুদ্ধের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া এবং সুইজারল্যান্ডসহ বেশ কয়েকটি অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা। এই নিষেধাজ্ঞাগুলো বেশির ভাগই ২০১১ সালের পরে আরোপ করা
হয়েছে। সিরিয়ার বিরুদ্ধে ২ হাজার ৬০৮টি নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
উত্তর কোরিয়া: পারমাণবিক এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির জন্য ২০০৬ সাল থেকেই জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞার মধ্যে রয়েছে দেশটি। এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে উত্তর কোরিয়ার বিভিন্ন ব্যক্তি এবং কোম্পানিও অন্তর্ভুক্ত। উত্তর কোরিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞার সংখ্যা ২ হাজার ৭৭ টি।
ভেনেজুয়েলা: দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশটির বিরুদ্ধে ৬৫১টি নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞাগুলো ২০১৭ সাল থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দেশটি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। সাবেক মাদুরো সরকার সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী কোম্পানি এবং তেল সংস্থাগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্র।

বিশ্বের সবচেয়ে নিষেধাজ্ঞা পাওয়া দেশের তালিকায় শীর্ষে চলে এসেছে রাশিয়া। বৈশ্বিক নিষেধাজ্ঞা পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা কাস্টেলাম ডট এআইয়ের বরাত দিয়ে এমনটি জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
সেখানে বলা হয়েছে, ইউক্রেনে হামলা চালানোর আগে গত ২২ ফেব্রুয়ারি রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্ররা। রাশিয়ার আগে নিষেধাজ্ঞা ছিল ২ হাজার ৭৫৪ টি। আর ২২ ফেব্রুয়ারির পর এখন দেশটির নিষেধাজ্ঞার সংখ্যা ৫ হাজার ৫৩০ টি।
পুতিন নিষেধাজ্ঞাকে যুদ্ধের শামিল বলে আখ্যায়িত করেছেন।
কাস্টেলাম ডট এআইয়ের তথ্য অনুযায়ী নিষেধাজ্ঞা পাওয়ার তালিকায় বিশ্বের শীর্ষ ৫টি দেশগুলো হলো:
রাশিয়া: গত ২২ ফেব্রুয়ারির আগে রাশিয়ার আগে নিষেধাজ্ঞা ছিল ২ হাজার ৭৫৪ টি। এরপর দেশটির ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্ররা। এখন দেশটির নিষেধাজ্ঞার সংখ্যা ৫ হাজার ৫৩০ টি।
ইরান: রাশিয়ার পরই বিশ্বের সবচেয়ে বেশি নিষেধাজ্ঞা পাওয়া দেশের নাম ইরান। দেশটির নিষেধাজ্ঞার সংখ্যা ৩ হাজার ৬১৬ টি। গত দশকে ইরানের বিতর্কিত পারমাণবিক কর্মসূচি এবং সন্ত্রাসবাদে সমর্থনের অভিযোগে পশ্চিমারা এসব নিষেধাজ্ঞা দেয়।
সিরিয়া: কাস্টেলাম ডট এআইয়ের তথ্য অনুযায়ী বিশ্বের সবচেয়ে বেশি নিষেধাজ্ঞা পাওয়ার দেশের তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে সিরিয়া। দেশটিতে গৃহযুদ্ধের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া এবং সুইজারল্যান্ডসহ বেশ কয়েকটি অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা। এই নিষেধাজ্ঞাগুলো বেশির ভাগই ২০১১ সালের পরে আরোপ করা
হয়েছে। সিরিয়ার বিরুদ্ধে ২ হাজার ৬০৮টি নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
উত্তর কোরিয়া: পারমাণবিক এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির জন্য ২০০৬ সাল থেকেই জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞার মধ্যে রয়েছে দেশটি। এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে উত্তর কোরিয়ার বিভিন্ন ব্যক্তি এবং কোম্পানিও অন্তর্ভুক্ত। উত্তর কোরিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞার সংখ্যা ২ হাজার ৭৭ টি।
ভেনেজুয়েলা: দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশটির বিরুদ্ধে ৬৫১টি নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞাগুলো ২০১৭ সাল থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দেশটি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। সাবেক মাদুরো সরকার সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী কোম্পানি এবং তেল সংস্থাগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্র।

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
২ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
২ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৬ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৬ ঘণ্টা আগে