দেশের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হতে পারে এমন ৫৪টি চীনা অ্যাপ নিষিদ্ধ করেছে ভারত। দেশটির ইলেকট্রনিকস ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই অ্যাপগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করার অভিযোগ রয়েছে। অ্যাপগুলোর মাধ্যমে রিয়েল টাইম ডাটার অপব্যবহার করা হচ্ছে এবং তথ্যগুলো শত্রুদেশের সার্ভারগুলোতে পাঠানো হচ্ছে।
ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিষিদ্ধ অ্যাপের তালিকায় রয়েছে সুইট সেলফি এইচডি, বিউটি ক্যামেরা-সেলফি ক্যামেরা, গারেনা ফ্রি ফায়ার-ইলুমিনেট, ভিভা ভিডিও এডিটর, টেনসেন্ট এক্সরিভার, অনমিওজি অ্যারেনা, অ্যাপলক, ডুয়েল স্পেস লাইট ইত্যাদি।
এর আগে গত বছরের জুনে দেশের সার্বভৌমত্ব এবং নিরাপত্তার জন্য হুমকির কথা উল্লেখ করে বহুল ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্ল্যাটফর্ম টিকটক, উইচ্যাট এবং হ্যালোসহ ৫৯টি চীনা মোবাইল অ্যাপ নিষিদ্ধ করেছিল ভারত। তখন ইলেকট্রনিকস ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৬৯-এ ধারায় অ্যাপগুলো নিষিদ্ধ করা হলো।
২০২০ সালের মে মাসে চীনের সঙ্গে ভারতের সীমান্ত উত্তেজনা শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত ৩২১টি চীনা অ্যাপের ব্যবহার বন্ধ করল ভারত।
পূর্ব লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় চীনা সৈন্যদের সঙ্গে সংঘর্ষে ২০ জন ভারতীয় সৈন্য নিহত হওয়ার কয়েক দিন পর ২০২০ সালের জুন মাসে চীনা অ্যাপের ওপর প্রথম দফা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল ভারত।

বর্তমান বিশ্বে তথ্য অনুসন্ধানের প্রধান মাধ্যম হয়ে উঠছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই। কিন্তু এই এআই কতটা নির্ভুল? বিবিসি সাংবাদিক টমাস জার্মেইনের সাম্প্রতিক একটি গবেষণা চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এনেছে। তিনি প্রমাণ করেছেন, একটি তুচ্ছ মিথ্যা ব্লগ পোস্টের মাধ্যমেও বিশ্বের বড় বড় এআই চ্যাটবটগুলোকে অনায়াসেই...
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) এনইআইআর (ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার) সিস্টেমের টেস্ট রানের (পরীক্ষামূলক চালু) কারণে কিছু গ্রাহকের মোবাইল সংযোগে সাময়িক বিঘ্ন ঘটতে পারে।
৬ ঘণ্টা আগে
২০৩০ সালের মধ্যে কম্পিউটিং খাতে প্রায় ৬০০ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করার পরিকল্পনা করছে ওপেনএআই। চ্যাটজিপিটি নির্মাতা সংস্থা আইপিওর প্রস্তুতি নিচ্ছে, যা কোম্পানির মূল্য সর্বোচ্চ ১ ট্রিলিয়ন ডলার পর্যন্ত বাড়াতে পারে।
২০ ঘণ্টা আগে
চীনের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান বাইটড্যান্সের তৈরি নতুন এআই মডেল ‘সিড্যান্স ২.০’ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। তবে এটি কী করতে পারে আলোচনা তা নিয়ে নয়, বরং ভবিষ্যতে হলিউডের মতো সৃজনশীল শিল্পের ওপর এর কী প্রভাব পড়তে পারে তা নিয়েই তৈরি হয়েছে উদ্বেগ।
২ দিন আগে