ক্যানসার চিকিৎসায় নতুন সাফল্যের দেখা পেয়েছেন নিউজিল্যান্ডের একদল গবেষক। গবেষণা সাময়িকী সেল-এ প্রকাশিত এক নিবন্ধে বলা হয়েছে, এলএফএ-১ প্রোটিন ও ম্যাগনেশিয়াম একসঙ্গে যুক্ত হয়ে ক্যানসারযুক্ত বা ক্যানসার সংক্রমিত কোষ (টি-সেল) নির্মূল করতে পারে। নিউজিল্যান্ডের বাসেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ডা. ক্রিস্টোফ হেস যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্য সাময়িকী মেডিকেল নিউজ টুডেকে বলেন, তাঁরা ইঁদুরের ওপর পরীক্ষা চালিয়ে এই সাফল্য পেয়েছেন। ম্যাগনেশিয়াম একটি গুরুত্বপূর্ণ রোগপ্রতিরোধী অস্ত্র। এটি ঘাতক কোষ টি-সেলের বিরুদ্ধে কাজ করে বলে দাবি করেছেন ডা. ক্রিস্টোফ হেস।
গবেষকেরা ইঁদুরের ওপর দুটি ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল দিয়েছিলেন। ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের তথ্যের সঙ্গে পূর্ববর্তী তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখেছেন, ম্যাগনেশিয়ামের ঘনত্ব কমে গেলে ক্যানসরকোষের দ্রুত বৃদ্ধি ঘটে। শুধু তাই নয়, ম্যাগনেশিয়ামের ঘাটতি রয়েছে এমন ইঁদুরের শরীরে ইনফ্লুয়েঞ্জা ও অন্যান্য ভাইরাস দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। সুতরাং ক্যানসরকোষ প্রতিরোধে ম্যাগনেশিয়াম অনন্য ভূমিকা রাখতে পারে।
ডা. হেস এখন টিউমার মাইক্রোএনভায়রনমেন্ট বৃদ্ধি রোধে ম্যাগনেশিয়াম কাজ করে কি না, তা নিয়ে গবেষণা করছেন। তিনি টিউমারে ইনজেকশনের মাধ্যমে ম্যাগনেশিয়াম-সমৃদ্ধ লিপিড অণু প্রবেশ করিয়ে এ গবেষণা করছেন। এ ছাড়া ম্যাগনেশিয়াম সম্পূরক ইমিউনো-থেরাপির ব্যবহার করে ফলাফলকে উন্নত করা যায় কি না, তা নিয়েও গবেষণা করছেন ডা. হেসের গবেষণা দল।
বাদামে সবচেয়ে বেশি ম্যাগনেশিয়াম পাওয়া যায়। এ ছাড়া কুমড়ার বীজ, সূর্যমুখীর বীজ, সামুদ্রিক মাছ যেমন—টুনা, সার্ডিন, ম্যাকেরেল ইত্যাদিতেও পর্যাপ্ত পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম পাওয়া যায়। চিকিৎসকেরা মনে করছেন, সুস্থ থাকার জন্য আমাদের নিয়মিত ম্যাগনেশিয়ামযুক্ত খাবার খাওয়া উচিত।

হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে দুই মাসের মধ্যে মৃত্যুর সংখ্যা ৪০০ ছাড়িয়ে গেল। রোগটির প্রকোপ ঠেকাতে টিকাদান কর্মসূচি চললেও আক্রান্ত আর মৃত্যুর সংখ্যা কমার কোনো লক্ষণ এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান নয়। এই অবস্থায় হামের প্রাদুর্ভাবকে ‘স্বাস্থ্যের জরুরি অবস্থা’ ঘোষণা বা মহামারি হিসেবে বিবেচনায় নিয়ে সমন্বিত জরুরি...
৭ ঘণ্টা আগে
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৩৫ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন।
১১ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম শনাক্ত হয়েছে ২০৫ জনের। একই সময়ে হামের উপসর্গ দেখা গেছে ১ হাজার ৫০৩ জনের। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ২৭৮ জন।
১৪ ঘণ্টা আগে
একসময়ের ‘হামমুক্ত’ জাপানে পুনরায় এই ভাইরাসের থাবা জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। এপ্রিলের শেষ নাগাদ ৪৩৬ জন আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা কেবল একটি সাধারণ প্রাদুর্ভাব নয়, বরং এটি জাপানের গোষ্ঠীগত রোগ প্রতিরোধক্ষমতার (হার্ড ইমিউনিটি) দুর্বলতাকে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে।
২০ ঘণ্টা আগে