ইন্টারনেটে কোনো কিছু আপলোড হয়ে গেলে তা সরিয়ে ফেলা বেশ কঠিন। যদিও কিছু অ্যাপ বিষয়টি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। জনপ্রিয় ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম হোয়াটসঅ্যাপ গত বছর বার্তা মুছে ফেলার জন্য একটি ফিচার চালু করেছিল।
বিজনেস ইনসাইডারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হোয়াটসঅ্যাপের চালু করা ওই ফিচারের মাধ্যমে বার্তা মুছে ফেলার জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া যায়। ওই সময় পার হয়ে গেলে বার্তাটি নিজেই মুছে যায়।
আপনি যদি কাউকে অস্থায়ী বার্তা পাঠানোর পর তার কোনো চিহ্ন রাখতে না চান, তবে এই ফিচার আপনার জন্যই। অ্যান্ড্রয়েড, আইফোন, ম্যাক বা পিসিতে হোয়াটসঅ্যাপ ইউজাররা সহজেই এই ফিচার ব্যবহার করতে পারবেন। বার্তা মুছে ফেলতে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীরা এক দিন, সাত দিন বা ৯০ দিনের সময়সীমা বেঁধে দিতে পারেন।
যেভাবে হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা মুছে ফেলা যাবে:
১) আপনার হোয়াটসঅ্যাপে কারও সঙ্গে কথোপকথন বের করুন ।
২) যার সঙ্গে কথোপকথন চালিয়ে যাচ্ছেন, তার নাম বা ফোন নম্বরে ক্লিক করুন।
৩) স্ক্রল করে নিচ থেকে বার্তা মুছে ফেলার অপশন বা ডিজঅ্যাপিয়ারিং মেসেজ নির্বাচন করুন ।
৪) কত সময়ের মাঝে বার্তা মুছে ফেলতে চান, তার সময়সীমা নির্ধারণ করুন। এটি হতে পারে ২৪ ঘণ্টা, ৭ দিন বা ৯০ দিন ।
৫) আপনার নির্বাচন করা সময় সেভ করে রাখতে ওপরের বাঁ কোণে অ্যারো চিহ্নে ক্লিক করুন ।
একবার এই অপশন চালু করলে হোয়াটসঅ্যাপ কথোপকথনে যুক্ত থাকা প্রত্যেককে একটি নোটিফিকেশন পাঠাবে। আপনি যদি এই অপশন বন্ধ করতে চান, তবে একই ধরনের পদ্ধতির মাধ্যমে সময়সীমা নির্বাচনের পরিবর্তে ‘অফ’ বাটন ক্লিক করতে হবে।
আরও পড়ুন:

বিশ্বের শীর্ষ ধনকুবের ইলন মাস্কের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপ এক্স গত সোমবার থেকে যুক্তরাষ্ট্রে তাদের প্রিমিয়াম ও প্রিমিয়াম প্লাস গ্রাহকদের জন্য ‘এক্স মানি’ নামের ব্যাংকিং সেবা চালু করেছে। প্ল্যাটফর্মটিকে ‘এভরিথিং অ্যাপ’ বা সবকাজের কাজী অ্যাপে পরিণত করার যে স্বপ্ন এই বহুমাত্রিক বিলিয়নেয়ার এতদিন দেখে...
১ ঘণ্টা আগে
প্রাতিষ্ঠানিক সনদের দিন ফুরিয়ে আসছে কি না, সে বিষয়ে অনেক বিতর্ক হতে পারে। কিন্তু যেটি বিতর্কের ঊর্ধ্বে উঠেছে, তা হলো টিকে থাকতে হলে দক্ষতা বাড়ানোর বিকল্প নেই। অন্তত এই এআইয়ের যুগে সে রকম কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না।
২ ঘণ্টা আগে
প্রযুক্তি খাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এক বড় বিপ্লব এনে দিলেও শুরু থেকে বিশ্বজুড়ে এটি নেতিবাচক আলোচনায় ছিল। আর সেই আলোচনার শুরু হয়েছিল কর্মসংস্থানে মানুষের অনিশ্চয়তার বিষয়টি দিয়ে। ২০২৬ সালে এসে সেই আশঙ্কা যেন বাস্তবে রূপ নিচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে
বিশ্বজুড়ে শিশু-কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষা, সাইবার বুলিং প্রতিরোধ এবং প্রযুক্তি আসক্তি কমাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপ্রাপ্তবয়স্কদের প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ কিংবা সীমিত করার একটি আন্তর্জাতিক প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে