নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বছর দুয়েক আগেও শারমিন আক্তারকে তাঁর এলাকার খুব বেশি মানুষ চিনত না। কিন্তু এখন এই তরুণী হয়ে উঠেছেন কুতুবদিয়া দ্বীপের মৎস্যজীবী পরিবারের নারীদের প্রিয় মুখ। গ্রামের নারীদের জন্য মৌলিক শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা, আয়বর্ধনমূলক বিভিন্ন কার্যক্রমে তাদের অংশগ্রহণ, বসতবাড়িতে শাকসবজি চাষ, সঞ্চয় ও পুষ্টি বিষয়ে সচেতনতা তৈরির দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংস্থা ইউএসএআইডির ইকোফিশ-২ প্রকল্পে কমিউনিটি ভলান্টিয়ার হিসেবে কাজ করছেন শারমিন।
গত সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে ইকোফিশ-২ প্রকল্পের রেজাল্ট শেয়ারিং এবং ফেজ আউট কর্মশালায় এসেছিলেন তিনি।
শারমিন আক্তার বলেন, ‘কমিউনিটি ভলান্টিয়ার হিসেবে নিজের এলাকার মানুষকে নিয়ে কাজ করতে পারাকে আমি আসলে একটা বড় সুযোগ হিসেবে দেখি। আমার কাজের জন্যই এখন গ্রামের মানুষ আমাকে চেনেন, সম্মান করেন। প্রয়োজনীয় পরামর্শের জন্য আসেন। একদম অপরিচিত একজন মানুষ থেকে আমি এখন সবার প্রিয় শারমিন আপা।’
ইকোফিশ-২ প্রকল্পটি উপকূল ও সাগরের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের পাশাপাশি দেশের উপকূলীয় অঞ্চলের প্রান্তিক মৎস্যজীবী পরিবারের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে। মৎস্য অধিদপ্তর, বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশন, বাংলাদেশ ফিশারিজ রিসার্চ ইনস্টিটিউট, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে পরিচালিত হয় প্রকল্পটি। কক্সবাজারের জোন অব রেজিলিয়েন্স, মেঘনা নদীর মোহনা এবং নিঝুম দ্বীপের সামুদ্রিক সুরক্ষিত এলাকার ১৫ হাজার মৎস্যজীবী পরিবারের ৭২ হাজারের বেশি মানুষ এই প্রকল্প থেকে উপকৃত হয়েছে। এই প্রকল্প গত পাঁচ বছরে ৪২৯টি ফিশারিজ কনজারভেশন গ্রুপের ১৫ হাজারের বেশি মৎস্যজীবীকে প্রশিক্ষিত করেছে; যা মৎস্যজীবীদের উপকূলীয় সম্পদের প্রতি দায়িত্বশীল করার পাশাপাশি তাদের ক্ষমতায়নে কাজ করছে।
এই প্রকল্প বিভিন্ন আয়বর্ধনমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নারীদের ক্ষমতায়নের পাশাপাশি বিভিন্ন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেছে। এ ছাড়া প্রকল্পটি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়িয়ে তুলেছে এবং ২২২টি উইমেন ইনকাম অ্যান্ড নিউট্রিশন গ্রুপের মাধ্যমে সঞ্চয়ের অভ্যাস গড়ে তুলেছে। এর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল, নারীরা তাদের পরিবারের অর্থনীতিতে যেন কিছুটা অবদান রাখতে পারে।
ইকোফিশ-২ প্রকল্পের রেজাল্ট শেয়ারিং এবং ফেজ আউট কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। তিনি বলেন, ‘আমাদের নারীরা যদি স্বাবলম্বী হয়, তাহলে তাদের আর বসে থাকতে হবে না, পাখা মেলে উড়তে পারবে।’
ইকোফিশ-২ প্রকল্পের বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা সরকারের পক্ষ থেকে এজেন্সিগুলোকে অনুরোধ করব, এই প্রকল্পের কাজটা যেন কোনোভাবেই বন্ধ না হয়। এটা যেন চলমান থাকে।’

বছর দুয়েক আগেও শারমিন আক্তারকে তাঁর এলাকার খুব বেশি মানুষ চিনত না। কিন্তু এখন এই তরুণী হয়ে উঠেছেন কুতুবদিয়া দ্বীপের মৎস্যজীবী পরিবারের নারীদের প্রিয় মুখ। গ্রামের নারীদের জন্য মৌলিক শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা, আয়বর্ধনমূলক বিভিন্ন কার্যক্রমে তাদের অংশগ্রহণ, বসতবাড়িতে শাকসবজি চাষ, সঞ্চয় ও পুষ্টি বিষয়ে সচেতনতা তৈরির দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংস্থা ইউএসএআইডির ইকোফিশ-২ প্রকল্পে কমিউনিটি ভলান্টিয়ার হিসেবে কাজ করছেন শারমিন।
গত সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে ইকোফিশ-২ প্রকল্পের রেজাল্ট শেয়ারিং এবং ফেজ আউট কর্মশালায় এসেছিলেন তিনি।
শারমিন আক্তার বলেন, ‘কমিউনিটি ভলান্টিয়ার হিসেবে নিজের এলাকার মানুষকে নিয়ে কাজ করতে পারাকে আমি আসলে একটা বড় সুযোগ হিসেবে দেখি। আমার কাজের জন্যই এখন গ্রামের মানুষ আমাকে চেনেন, সম্মান করেন। প্রয়োজনীয় পরামর্শের জন্য আসেন। একদম অপরিচিত একজন মানুষ থেকে আমি এখন সবার প্রিয় শারমিন আপা।’
ইকোফিশ-২ প্রকল্পটি উপকূল ও সাগরের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের পাশাপাশি দেশের উপকূলীয় অঞ্চলের প্রান্তিক মৎস্যজীবী পরিবারের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে। মৎস্য অধিদপ্তর, বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশন, বাংলাদেশ ফিশারিজ রিসার্চ ইনস্টিটিউট, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে পরিচালিত হয় প্রকল্পটি। কক্সবাজারের জোন অব রেজিলিয়েন্স, মেঘনা নদীর মোহনা এবং নিঝুম দ্বীপের সামুদ্রিক সুরক্ষিত এলাকার ১৫ হাজার মৎস্যজীবী পরিবারের ৭২ হাজারের বেশি মানুষ এই প্রকল্প থেকে উপকৃত হয়েছে। এই প্রকল্প গত পাঁচ বছরে ৪২৯টি ফিশারিজ কনজারভেশন গ্রুপের ১৫ হাজারের বেশি মৎস্যজীবীকে প্রশিক্ষিত করেছে; যা মৎস্যজীবীদের উপকূলীয় সম্পদের প্রতি দায়িত্বশীল করার পাশাপাশি তাদের ক্ষমতায়নে কাজ করছে।
এই প্রকল্প বিভিন্ন আয়বর্ধনমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নারীদের ক্ষমতায়নের পাশাপাশি বিভিন্ন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেছে। এ ছাড়া প্রকল্পটি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়িয়ে তুলেছে এবং ২২২টি উইমেন ইনকাম অ্যান্ড নিউট্রিশন গ্রুপের মাধ্যমে সঞ্চয়ের অভ্যাস গড়ে তুলেছে। এর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল, নারীরা তাদের পরিবারের অর্থনীতিতে যেন কিছুটা অবদান রাখতে পারে।
ইকোফিশ-২ প্রকল্পের রেজাল্ট শেয়ারিং এবং ফেজ আউট কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। তিনি বলেন, ‘আমাদের নারীরা যদি স্বাবলম্বী হয়, তাহলে তাদের আর বসে থাকতে হবে না, পাখা মেলে উড়তে পারবে।’
ইকোফিশ-২ প্রকল্পের বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা সরকারের পক্ষ থেকে এজেন্সিগুলোকে অনুরোধ করব, এই প্রকল্পের কাজটা যেন কোনোভাবেই বন্ধ না হয়। এটা যেন চলমান থাকে।’

বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের ইচ্ছা থাকলেও আর্থসামাজিক বাধা ও প্রেক্ষাপটের কারণে নির্বাচনে বেশিসংখ্যক নারী প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া যাচ্ছে না। রাজনীতির মাঠে, বিশেষ করে নির্বাচনে পেশিশক্তি ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা—বড় নিয়ামক হয়ে দাঁড়ায়। নারীরা এ ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকেন।
১ দিন আগে
লৈঙ্গিক সমতা শুধু একটি সামাজিক আদর্শ নয়, এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান চাবিকাঠি। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম ২০২৫ সালের সর্বশেষ প্রতিবেদন জানিয়েছে, বিশ্বজুড়ে লৈঙ্গিক বৈষম্য বর্তমানে ৬৮ দশমিক ৮ শতাংশ দূর হয়েছে। তবে বর্তমান অগ্রগতির গতি বজায় থাকলে পূর্ণ সমতা অর্জনে বিশ্বকে আরও ১২৩
৩ দিন আগে
বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের ইতিহাসে এক অনন্য নাম ড. রাজিয়া বানু। ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান রচনার জন্য যে ৩৪ সদস্যের খসড়া কমিটি গঠন করা হয়েছিল, তিনি ছিলেন সেই কমিটির একমাত্র নারী সদস্য। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন প্রণয়নে অবিস্মরণীয় অবদান রেখে গেছেন তিনি।
৩ দিন আগে
বাংলাদেশ হাইকোর্ট সম্প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছেন, যেটি মুসলিম পারিবারিক আইনসংক্রান্ত বহুবিবাহের প্রক্রিয়া। এই রায়ে হাইকোর্ট মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ অনুযায়ী একজন ব্যক্তির বিয়ে বহাল থাকা অবস্থায় দ্বিতীয় বিয়ে করতে হলে ‘সালিশি কাউন্সিলের লিখিত অনুমতি’ নিতে হবে, এমন বিধান
৩ দিন আগে