উত্তরণ

প্রশ্ন: সেলফ ব্লেমিং কি মানসিক রোগ? এখান থেকে কীভাবে নিজেকে বের করে আনব? পরিবার-পরিজনের সঙ্গে আমার এই সমস্যার কারণে সম্পর্ক খারাপ হয়ে যাচ্ছে। প্রচণ্ড মানসিক চাপ নিয়ে দিন কাটাতে হচ্ছে। মিতুল, গাজীপুর
উত্তর: সেলফ ব্লেমিং বিষয়টি হলো, নিজেকে কারণে কিংবা অকারণে সব সময় দোষী বা দায়ী মনে করা। অর্থাৎ যেকোনো নেতিবাচক বিষয়ে নিজেকে অকারণে দায়ী করাই হলো সেলফ ব্লেমিং। তবে কখনো কখনো কিছু বিষয়ে ব্যক্তিগত ভুল সিদ্ধান্ত অথবা ভুল পদক্ষেপ পরবর্তীকালে অনেক সমস্যার জন্ম দিতে পারে। সে ক্ষেত্রে আত্মসমালোচনা করা যেতে পারে। তবে সেটা সেলফ ব্লেমিং নয়। সেই অর্থে সেলফ ব্লেমিং সব সময় সমস্যা নয়। যদি এর সঙ্গে ক্রমাগত নেতিবাচক চিন্তা থাকে, তবে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
যেমন সব দোষ আমার। আমাকে দিয়ে কিছু হবে না। আমি দোষী, আমি অনেক পাপ করেছি। জীবনে আমি কিছু করতে পারব না। নিজের দোষে শুধু আমার নয়, সবার অনেক ক্ষতি হয়ে যাবে। এ ধরনের নেতিবাচক চিন্তা গুরুতর মানসিক সমস্যা। দুশ্চিন্তা, বিষণ্নতা, উদ্বেগ, মাদকাসক্তি, ব্যক্তিত্বের সমস্যা কিংবা অন্য কোনো মানসিক রোগের কারণে এমন হতে পারে।
অনেক সময়, নিজেকে দোষ দেওয়া বা দায়ী করা এত মানসিক বিপর্যয় নিয়ে আসে যে সংশ্লিষ্ট মানুষটি আত্মহত্যার চিন্তা বা আত্মহত্যা করেও ফেলতে পারে। সেলফ ব্লেমিংয়ের কারণে পরিবার ও পেশাগত জীবনে সমস্যা হতে পারে।
সে জন্যই, আপনার বিষয়টি কোন পর্যায়ে আছে, তার গুরুত্ব বুঝে, মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের সাহায্য নিন। আশা করি, আপনার সমস্যার সুন্দর সমাধান হবে।
পরামর্শ দিয়েছেন: সহযোগী অধ্যাপক, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট, ঢাকা

ইরানের ধূলিধূসরিত রাজপথ আজ শুধু প্রতিবাদের সাক্ষী নয়। বর্তমান আন্দোলনের জের ধরে একে মানুষের রক্তেভেজা ইতিহাসের দলিলও বলা চলে। ২০২৬ সালের শুরুতে ইরানের ইস্পাহান, গোরগান এবং তেহরানের রাজপথ প্রকম্পিত হয়েছে স্লোগানে। এই আন্দোলনে পুরুষের পাশাপাশি কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়ে যাচ্ছেন নারীরা।
১ দিন আগে
প্রশ্ন: আমার বয়স ১৭ বছর। আমি ইন্টারমিডিয়েট সেকেন্ড ইয়ারে পড়ি। বাড়িতে থাকি। আব্বু, আম্মু অন্য জেলায় চাকরি করেন, ভাইয়া ঢাকায় পড়াশোনা করে। দাদিদের সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই। কলেজে যাই, বাসায় আসি, রান্না করি, বাসার অন্যান্য কাজ করি, ঘুমাই। সামনে আমার পরীক্ষা, পড়াশোনায় ফোকাস রাখার চেষ্টা করি।
১ দিন আগে
নারীর নিরাপত্তা ও অধিকার প্রশ্নে বর্তমানে বাংলাদেশ এক কঠিন সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। বিবিএস, ইউএনএফপিএ, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এবং বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সাম্প্রতিক তথ্যমতে, ঘরে-বাইরে এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নারীর প্রতি সহিংসতা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। ঘরের ভেতরে এই নির্যাতনের মাত্রা ভয়াবহ রূপ নিয়েছে।
১ দিন আগে
দেড় শ বছর আগে একজন নারীর চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন দেখা ছিল সমাজের চোখে এক বিশাল ধৃষ্টতা। সেই ধৃষ্টতা দেখিয়েছিলেন সোফিয়া জ্যাকস-ব্লেক। তিনি কঠিন সময়েও পিছু হটেননি। অপমানকে পুঁজি করে জনমত গঠন করে প্রমাণ করেছিলেন, চিকিৎসা পেশায় নারীদের প্রয়োজনীয়তা কতটা জরুরি।
১ দিন আগে