উত্তরণ
ফারজানা রহমান

প্রশ্ন: সেলফ ব্লেমিং কি মানসিক রোগ? এখান থেকে কীভাবে নিজেকে বের করে আনব? পরিবার-পরিজনের সঙ্গে আমার এই সমস্যার কারণে সম্পর্ক খারাপ হয়ে যাচ্ছে। প্রচণ্ড মানসিক চাপ নিয়ে দিন কাটাতে হচ্ছে। মিতুল, গাজীপুর
উত্তর: সেলফ ব্লেমিং বিষয়টি হলো, নিজেকে কারণে কিংবা অকারণে সব সময় দোষী বা দায়ী মনে করা। অর্থাৎ যেকোনো নেতিবাচক বিষয়ে নিজেকে অকারণে দায়ী করাই হলো সেলফ ব্লেমিং। তবে কখনো কখনো কিছু বিষয়ে ব্যক্তিগত ভুল সিদ্ধান্ত অথবা ভুল পদক্ষেপ পরবর্তীকালে অনেক সমস্যার জন্ম দিতে পারে। সে ক্ষেত্রে আত্মসমালোচনা করা যেতে পারে। তবে সেটা সেলফ ব্লেমিং নয়। সেই অর্থে সেলফ ব্লেমিং সব সময় সমস্যা নয়। যদি এর সঙ্গে ক্রমাগত নেতিবাচক চিন্তা থাকে, তবে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
যেমন সব দোষ আমার। আমাকে দিয়ে কিছু হবে না। আমি দোষী, আমি অনেক পাপ করেছি। জীবনে আমি কিছু করতে পারব না। নিজের দোষে শুধু আমার নয়, সবার অনেক ক্ষতি হয়ে যাবে। এ ধরনের নেতিবাচক চিন্তা গুরুতর মানসিক সমস্যা। দুশ্চিন্তা, বিষণ্নতা, উদ্বেগ, মাদকাসক্তি, ব্যক্তিত্বের সমস্যা কিংবা অন্য কোনো মানসিক রোগের কারণে এমন হতে পারে।
অনেক সময়, নিজেকে দোষ দেওয়া বা দায়ী করা এত মানসিক বিপর্যয় নিয়ে আসে যে সংশ্লিষ্ট মানুষটি আত্মহত্যার চিন্তা বা আত্মহত্যা করেও ফেলতে পারে। সেলফ ব্লেমিংয়ের কারণে পরিবার ও পেশাগত জীবনে সমস্যা হতে পারে।
সে জন্যই, আপনার বিষয়টি কোন পর্যায়ে আছে, তার গুরুত্ব বুঝে, মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের সাহায্য নিন। আশা করি, আপনার সমস্যার সুন্দর সমাধান হবে।
পরামর্শ দিয়েছেন: সহযোগী অধ্যাপক, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট, ঢাকা

প্রশ্ন: সেলফ ব্লেমিং কি মানসিক রোগ? এখান থেকে কীভাবে নিজেকে বের করে আনব? পরিবার-পরিজনের সঙ্গে আমার এই সমস্যার কারণে সম্পর্ক খারাপ হয়ে যাচ্ছে। প্রচণ্ড মানসিক চাপ নিয়ে দিন কাটাতে হচ্ছে। মিতুল, গাজীপুর
উত্তর: সেলফ ব্লেমিং বিষয়টি হলো, নিজেকে কারণে কিংবা অকারণে সব সময় দোষী বা দায়ী মনে করা। অর্থাৎ যেকোনো নেতিবাচক বিষয়ে নিজেকে অকারণে দায়ী করাই হলো সেলফ ব্লেমিং। তবে কখনো কখনো কিছু বিষয়ে ব্যক্তিগত ভুল সিদ্ধান্ত অথবা ভুল পদক্ষেপ পরবর্তীকালে অনেক সমস্যার জন্ম দিতে পারে। সে ক্ষেত্রে আত্মসমালোচনা করা যেতে পারে। তবে সেটা সেলফ ব্লেমিং নয়। সেই অর্থে সেলফ ব্লেমিং সব সময় সমস্যা নয়। যদি এর সঙ্গে ক্রমাগত নেতিবাচক চিন্তা থাকে, তবে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
যেমন সব দোষ আমার। আমাকে দিয়ে কিছু হবে না। আমি দোষী, আমি অনেক পাপ করেছি। জীবনে আমি কিছু করতে পারব না। নিজের দোষে শুধু আমার নয়, সবার অনেক ক্ষতি হয়ে যাবে। এ ধরনের নেতিবাচক চিন্তা গুরুতর মানসিক সমস্যা। দুশ্চিন্তা, বিষণ্নতা, উদ্বেগ, মাদকাসক্তি, ব্যক্তিত্বের সমস্যা কিংবা অন্য কোনো মানসিক রোগের কারণে এমন হতে পারে।
অনেক সময়, নিজেকে দোষ দেওয়া বা দায়ী করা এত মানসিক বিপর্যয় নিয়ে আসে যে সংশ্লিষ্ট মানুষটি আত্মহত্যার চিন্তা বা আত্মহত্যা করেও ফেলতে পারে। সেলফ ব্লেমিংয়ের কারণে পরিবার ও পেশাগত জীবনে সমস্যা হতে পারে।
সে জন্যই, আপনার বিষয়টি কোন পর্যায়ে আছে, তার গুরুত্ব বুঝে, মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের সাহায্য নিন। আশা করি, আপনার সমস্যার সুন্দর সমাধান হবে।
পরামর্শ দিয়েছেন: সহযোগী অধ্যাপক, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট, ঢাকা

সামাজিক প্ল্যাটফর্ম ‘মন জানালা’। ৪০ পেরোনো নারীর মন, শরীর আর ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে ভাবার আকাঙ্ক্ষাকে কেন্দ্র ‘থেমে যাওয়া নয়, সময় এখন এগিয়ে যাবার’ শিরোনামে বিশেষ সেশনের আয়োজন করে। ১৬ জানুয়ারি রাজধানীর বাংলামোটরে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
১ দিন আগে
বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের ইচ্ছা থাকলেও আর্থসামাজিক বাধা ও প্রেক্ষাপটের কারণে নির্বাচনে বেশিসংখ্যক নারী প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া যাচ্ছে না। রাজনীতির মাঠে, বিশেষ করে নির্বাচনে পেশিশক্তি ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা—বড় নিয়ামক হয়ে দাঁড়ায়। নারীরা এ ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকেন।
৩ দিন আগে
লৈঙ্গিক সমতা শুধু একটি সামাজিক আদর্শ নয়, এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান চাবিকাঠি। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম ২০২৫ সালের সর্বশেষ প্রতিবেদন জানিয়েছে, বিশ্বজুড়ে লৈঙ্গিক বৈষম্য বর্তমানে ৬৮ দশমিক ৮ শতাংশ দূর হয়েছে। তবে বর্তমান অগ্রগতির গতি বজায় থাকলে পূর্ণ সমতা অর্জনে বিশ্বকে আরও ১২৩
৪ দিন আগে
বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের ইতিহাসে এক অনন্য নাম ড. রাজিয়া বানু। ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান রচনার জন্য যে ৩৪ সদস্যের খসড়া কমিটি গঠন করা হয়েছিল, তিনি ছিলেন সেই কমিটির একমাত্র নারী সদস্য। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন প্রণয়নে অবিস্মরণীয় অবদান রেখে গেছেন তিনি।
৪ দিন আগে