নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

তৃণমূলে সাংগঠনিক কার্যক্রম বৃদ্ধির ক্ষেত্রে তরুণদের সম্পৃক্ততা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম। গতকাল মঙ্গলবার বেলা ৩টায় অনুষ্ঠিত এক আয়োজনে এ কথা বলেন তিনি।
বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের উদ্যোগে আনোয়ারা বেগম মুনিরা খান মিলনায়তনে ‘তরুণী নেতৃত্ব বিকাশের লক্ষ্যে কর্মশালা’বিষয়ক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজনে নিজেদের দলীয় কাজ উপস্থাপন করেন অংশগ্রহণকারী তরুণীরা। যেখানে নারী অধিকার সম্পর্কে অনলাইনে প্রচার-প্রচারণা বৃদ্ধি, সংগঠনকে শক্তিশালী করতে বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর নারী-পুরুষদের নিয়ে কর্মশালার আয়োজন, নারীবান্ধব সংগঠনকে তৃণমূলে সাংগঠনিক নেতৃত্ব বৃদ্ধি, নিজ নিজ কমিউনিটির চাহিদা সম্পর্কে তরুণীদের স্বচ্ছ ধারণা, প্রযুক্তিতে সব লিঙ্গীয় বৈশিষ্ট্যের মানুষের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করার বিষয়গুলো উঠে এসেছে। এ ছাড়া অনলাইনে ও অফলাইনে নারীবিদ্বেষী প্রচারণা বন্ধে নজরদারি নিশ্চিতকরণ, নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় নারী-পুরুষসহ সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করা, নারী আন্দোলনকর্মীসহ সব নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সিদ্ধান্ত গ্রহণে নারীর সক্রিয় অংশগ্রহণ বিষয়ে নারীবান্ধব গবেষণার আহ্বান জানান তাঁরা। রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে নারী নেতৃত্বের অংশগ্রহণ বাড়ানোর বিষয়টিও উঠে এসেছে তরুণীদের কাজের মধ্য দিয়ে।
বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ফওজিয়া মোসলেম বলেন, তরুণীদের নেতৃত্ব ও ক্ষমতায়নকে ত্বরান্বিত করতে এবং নিজ প্রত্যাশা পূরণে তরুণীদেরই অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। আত্মমর্যাদা প্রতিষ্ঠা ও রক্ষায় তরুণীদের সচেষ্ট থাকার আহ্বান জানান তিনি এ সময়। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু বলেন, আজকের কর্মশালায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে নারী আন্দোলন সম্পর্কে তরুণদের ভাবনা, নারী আন্দোলনে তরুণদের নেতৃত্বদান, নারীবিরোধী সংস্কৃতির পরিবর্তন করে কীভাবে নারী-পুরুষের সমতাপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ কাজ করতে পারে এবং নারী আন্দোলনকে কীভাবে সংগঠিত করা যায়, সেসব বিষয়ে অংশগ্রহণকারী তরুণীদের সুচিন্তিত মতামত এবং সুপারিশগুলো উপস্থাপিত হবে। ওই আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের নেত্রীবৃন্দ, সম্পাদকমণ্ডলী, বহ্নিশিখা, নিঃসংকোচ ফাউন্ডেশনের তরুণী প্রতিনিধি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীবৃন্দ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবৃত্তি সংসদের সদস্য, রিসার্চ সোসাইটি, গবেষণা সংসদের সদস্য, জেলা শাখার তরুণী সংগঠক এবং কর্মকর্তারা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক উম্মে সালমা বেগম।

তৃণমূলে সাংগঠনিক কার্যক্রম বৃদ্ধির ক্ষেত্রে তরুণদের সম্পৃক্ততা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম। গতকাল মঙ্গলবার বেলা ৩টায় অনুষ্ঠিত এক আয়োজনে এ কথা বলেন তিনি।
বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের উদ্যোগে আনোয়ারা বেগম মুনিরা খান মিলনায়তনে ‘তরুণী নেতৃত্ব বিকাশের লক্ষ্যে কর্মশালা’বিষয়ক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজনে নিজেদের দলীয় কাজ উপস্থাপন করেন অংশগ্রহণকারী তরুণীরা। যেখানে নারী অধিকার সম্পর্কে অনলাইনে প্রচার-প্রচারণা বৃদ্ধি, সংগঠনকে শক্তিশালী করতে বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর নারী-পুরুষদের নিয়ে কর্মশালার আয়োজন, নারীবান্ধব সংগঠনকে তৃণমূলে সাংগঠনিক নেতৃত্ব বৃদ্ধি, নিজ নিজ কমিউনিটির চাহিদা সম্পর্কে তরুণীদের স্বচ্ছ ধারণা, প্রযুক্তিতে সব লিঙ্গীয় বৈশিষ্ট্যের মানুষের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করার বিষয়গুলো উঠে এসেছে। এ ছাড়া অনলাইনে ও অফলাইনে নারীবিদ্বেষী প্রচারণা বন্ধে নজরদারি নিশ্চিতকরণ, নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় নারী-পুরুষসহ সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করা, নারী আন্দোলনকর্মীসহ সব নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সিদ্ধান্ত গ্রহণে নারীর সক্রিয় অংশগ্রহণ বিষয়ে নারীবান্ধব গবেষণার আহ্বান জানান তাঁরা। রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে নারী নেতৃত্বের অংশগ্রহণ বাড়ানোর বিষয়টিও উঠে এসেছে তরুণীদের কাজের মধ্য দিয়ে।
বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ফওজিয়া মোসলেম বলেন, তরুণীদের নেতৃত্ব ও ক্ষমতায়নকে ত্বরান্বিত করতে এবং নিজ প্রত্যাশা পূরণে তরুণীদেরই অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। আত্মমর্যাদা প্রতিষ্ঠা ও রক্ষায় তরুণীদের সচেষ্ট থাকার আহ্বান জানান তিনি এ সময়। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু বলেন, আজকের কর্মশালায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে নারী আন্দোলন সম্পর্কে তরুণদের ভাবনা, নারী আন্দোলনে তরুণদের নেতৃত্বদান, নারীবিরোধী সংস্কৃতির পরিবর্তন করে কীভাবে নারী-পুরুষের সমতাপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ কাজ করতে পারে এবং নারী আন্দোলনকে কীভাবে সংগঠিত করা যায়, সেসব বিষয়ে অংশগ্রহণকারী তরুণীদের সুচিন্তিত মতামত এবং সুপারিশগুলো উপস্থাপিত হবে। ওই আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের নেত্রীবৃন্দ, সম্পাদকমণ্ডলী, বহ্নিশিখা, নিঃসংকোচ ফাউন্ডেশনের তরুণী প্রতিনিধি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীবৃন্দ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবৃত্তি সংসদের সদস্য, রিসার্চ সোসাইটি, গবেষণা সংসদের সদস্য, জেলা শাখার তরুণী সংগঠক এবং কর্মকর্তারা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক উম্মে সালমা বেগম।

বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের ইচ্ছা থাকলেও আর্থসামাজিক বাধা ও প্রেক্ষাপটের কারণে নির্বাচনে বেশিসংখ্যক নারী প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া যাচ্ছে না। রাজনীতির মাঠে, বিশেষ করে নির্বাচনে পেশিশক্তি ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা—বড় নিয়ামক হয়ে দাঁড়ায়। নারীরা এ ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকেন।
১৬ ঘণ্টা আগে
লৈঙ্গিক সমতা শুধু একটি সামাজিক আদর্শ নয়, এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান চাবিকাঠি। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম ২০২৫ সালের সর্বশেষ প্রতিবেদন জানিয়েছে, বিশ্বজুড়ে লৈঙ্গিক বৈষম্য বর্তমানে ৬৮ দশমিক ৮ শতাংশ দূর হয়েছে। তবে বর্তমান অগ্রগতির গতি বজায় থাকলে পূর্ণ সমতা অর্জনে বিশ্বকে আরও ১২৩
২ দিন আগে
বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের ইতিহাসে এক অনন্য নাম ড. রাজিয়া বানু। ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান রচনার জন্য যে ৩৪ সদস্যের খসড়া কমিটি গঠন করা হয়েছিল, তিনি ছিলেন সেই কমিটির একমাত্র নারী সদস্য। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন প্রণয়নে অবিস্মরণীয় অবদান রেখে গেছেন তিনি।
২ দিন আগে
বাংলাদেশ হাইকোর্ট সম্প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছেন, যেটি মুসলিম পারিবারিক আইনসংক্রান্ত বহুবিবাহের প্রক্রিয়া। এই রায়ে হাইকোর্ট মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ অনুযায়ী একজন ব্যক্তির বিয়ে বহাল থাকা অবস্থায় দ্বিতীয় বিয়ে করতে হলে ‘সালিশি কাউন্সিলের লিখিত অনুমতি’ নিতে হবে, এমন বিধান
২ দিন আগে