ম্যারিল্যান্ডের কেমব্রিজে ১৯৫০ এবং ১৯৬০-এর দিকে বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলন গড়ে ওঠে। এর নেতৃত্বে ছিলেন গ্লোরিয়া রিচার্ডসন। তিনি কেমব্রিজ নন-ভায়োলেন্ট অ্যাকশন কমিটির নেতৃত্ব দেন। গ্লোরিয়া আইনি পরিবর্তনের চেয়ে কৃষ্ণাঙ্গদের দৈনন্দিন জীবনের বাস্তব উন্নয়নের ওপর বেশি জোর দিতেন।
১৯৬৩ সালে কেমব্রিজে দাঙ্গা দমনে ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েন করা হয়। সেখানে এক সৈন্যের বেয়নেট বা বন্দুকের সঙিন সরিয়ে দেওয়ার একটি স্থিরচিত্র তাঁকে বৈপ্লবিক নেত্রী হিসেবে অমর করে রেখেছে। নারীর অধিকার ও ক্ষমতায়নের পক্ষে লড়াইয়ের ক্ষেত্রে ইতিহাসে ‘মার্চ অন ওয়াশিংটন’ একটি গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন। ১৯৬৩ সালের সেই ঐতিহাসিক মঞ্চে যে কয়েকজন নারীনেত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল, গ্লোরিয়া ছিলেন তাঁদের অন্যতম। তবে তাঁকে দীর্ঘ বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়নি। শুধু পরিচয় করিয়ে দিয়েই আড়াল করতে চাওয়া হয়। এর প্রতিবাদে তিনি আন্দোলনের পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতার কাঠামোর সমালোচনা করেছিলেন।
গ্লোরিয়া রিচার্ডসন তাঁর নিজের আদর্শে চলতেন। অহিংস আন্দোলনের চেয়ে আত্মরক্ষার অধিকারের প্রতি তাঁর সমর্থনের কারণে অনেক সময় মূলধারার নেতাদের সঙ্গে তাঁর মতপার্থক্য তৈরি হতো। তাঁকে অনেকেই নাগরিক অধিকার আন্দোলনের ‘বিস্মৃত নেত্রী’ হিসেবে উল্লেখ করেন। কারণ, তিনি প্রচলিত প্রচারণার চেয়ে মাঠপর্যায়ের কঠোর সংগ্রামে বেশি বিশ্বাসী ছিলেন। গ্লোরিয়া রিচার্ডসনের জন্ম ১৯২২ সালের ৬ মে। ২০২১ সালের ১৫ জুলাই তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

১৫০৭ সালে ক্যাথরিন অব অ্যারগন স্পেনের দূত হয়ে ইংল্যান্ডের মাটিতে পা রাখেন। এরপর ১৫২৯ সালে ফ্রান্সের লুই অব স্যাভয় এবং অস্ট্রিয়ার মার্গারেট মিলে ইতিহাসের বিখ্যাত ‘লা পেক্স দেস দামেস’ বা নারীদের শান্তিচুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। তখন পর্যন্ত বিশ্বরাজনীতিতে ‘জেন্ডার ইকুয়ালিটি’ শব্দটির জন্ম হয়নি।
২১ ঘণ্টা আগে
আমি একজন উদ্যোক্তা। ছয় বছর ধরে রেজিনের পণ্য তৈরি ও বিপণন করছি। পণ্যের ডিজাইন নিজেই করি। সেগুলো কীভাবে কপিরাইট করে নিতে পারি?
১ দিন আগে
বিশ্বকাপ ফুটবলে (পুরুষ) সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড ছুঁয়েছেন আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি। কিন্তু জানেন কি, কার রেকর্ড ভাঙলেন তিনি? নারী ও পুরুষ ফুটবলারদের মধ্যে পাঁচটি ভিন্ন বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোল করা প্রথম ফুটবলার ব্রাজিলিয়ান মার্তা ভিয়েরা দা সিলভা। ২০০৩, ২০০৭, ২০১১, ২০১৫, ২০১৯ ও ২০২৩ সালের নারী বিশ্বকাপে
১ দিন আগে
বিশ শতকের সর্বশেষ নোবেল বিজয়ী মারিয়া গোয়েপার্ট মায়ার। তিনি জার্মান বংশোদ্ভূত এক আমেরিকান পদার্থবিজ্ঞানী। নোবেলজয়ী এই পদার্থবিজ্ঞানীর গবেষণার মূল ভিত্তি ছিল পরমাণু।
১ দিন আগে