
দেশে দেশে, পথে পথে কত কিছুই হয় তার ইয়ত্তা নেই। কোথাও মানুষ ছুটছে জ্ঞানের পেছনে, কোথায় ছুটছে ক্ষমতার পেছনে। কেউ নিচ্ছে শিক্ষা, কেউবা আবার দিচ্ছে। কেউ রাজনীতি ছেড়ে হচ্ছেন শিক্ষক, আবার কেউ চাচ্ছেন শিক্ষকতা ছেড়ে রাজনীতিবিদ হতে। মানুষের চাওয়ার তো শেষ নেই! দেশ ও সংস্কৃতি ভেদে মানুষের চাওয়া তো আলাদা হতেই পারে।
জেসিন্ডা আরডার্ন। এই নাম বলার পর আর পরিচয়ের মনে হয় প্রয়োজন পড়ে না। প্রায় সবাই চিনে গেছেন। একজন সুন্দরী নারী কোনো এক দেশের প্রধানমন্ত্রী। তাঁর সৌন্দর্য আর নেতৃত্বগুণ তাঁকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। নিউজিল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা। যিনি কিছুদিন আগে অপারগতা ও পরিবারকে সময় দেওয়ার কথা বলে প্রধানমন্ত্রিত্ব ছেড়েছেন। এইটা একটা অবিশ্বাস্য ঘটনাই বটে! আমরা বরং ধরে নিতে পারি, মানবিকতার কিছু প্রদর্শনী করে তিনি খ্যাতি পেয়েছেন বটে, তবে বিচক্ষণ মানুষ নন মোটেই!
নিউজিল্যান্ডের মতো একটি দেশের প্রধানমন্ত্রিত্ব ছেড়ে দিয়ে উনি এখন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়বেন, সেই সঙ্গে পড়াবেনও। মানে প্রধানমন্ত্রী থেকে এবার মাস্টার হচ্ছেন তিনি। এটা নিঃসন্দেহেই অধঃপতন। অন্তত আমাদের কাছে তা–ই মনে হচ্ছে!
রাজনীতির উচ্চশিখর থেকে শিক্ষকতায় জেসিন্ডা। বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে নিশ্চয়ই আপনার হাসি পাচ্ছে! আমাদের কিছু মাস্টারের হাল দেখলেই তো বোঝা যায়! আর আমরা কোন দিক থেকে নিউজিল্যান্ডের থেকে পিছিয়ে? কিছু দুর্বল জায়গা থাকলেও শিগগিরই সেটা ছাই গুঁজে ঠিক করে ফেলব।
তো জেসিন্ডার এহেন কাণ্ডে মোকসেদ মাস্টারের খালি হাসিই পাচ্ছে। ঘুমাতে যাচ্ছেন জেসিন্ডার কথা মনে পড়ছে, ছাত্র পড়াতে গিয়ে, দুটো খাবার মুখে তুলতে গিয়েও গুমরে গুমরে হাসি উঠে আসছে। নাওয়া, খাওয়া, মাস্টারি কিছুই আর করে উঠতে পারছেন না মোকসেদ মাস্টার।
মাস্টার মানুষ, ক্লাসে গিয়ে গম্ভীর থাকার চেষ্টা করেন। কিন্তু মুখ টিপে রাখাই মুশকিল হয়ে যায়! জেসিন্ডাকে নিয়ে ভাবনাটা কোনোভাবেই তাড়াতে পারছেন না। তিনি খালি ভাবেন, এই নারীর বুদ্ধিশুদ্ধি কত কম! মনে মনে পুরুষতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গির একটা মোক্ষম প্রমাণ পেয়ে পৈশাচিক আনন্দও পাচ্ছেন।
তবে তাঁর আফসোস, আজ হলুদ দলে ভিড়ে গেলে তিনি কোথায় থাকতেন! জেসিন্ডার কথা ভেবে একটু করুণাও হয় তাঁর। আহা! বেচারা অবলা নারী!
আসলেই তো, জেসিন্ডা এত বোকা কেন? যেখানে আমরা দেখে এসেছি বা আসছি যে, শিক্ষকতা ছেড়ে অনেকেই প্রাণপণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন একটু রাজনীতিতে ঢোকার জন্য। কত জনকেই তো বলতে দেখা গেছে যে শিক্ষকতার এ চেয়ার আমি চাই না, আমি অমুক রাজনৈতিক দলের অঙ্গসংগঠনের চেয়ার চাই। আমার অন্তরে, মনে প্রাণে সবকিছুতেই ওই চেয়ার। আমি দায়িত্ব পেলে জাদুর কাঠির মতো পরিবর্তন করে ফেলব তার চেহারা। কিন্তু যেখানে শিক্ষকতা করছেন তাও আবার শিক্ষকদের চরান বা প্রতিষ্ঠানের সর্বময় কর্তা হয়েও সেটার চেহারার কিঞ্চিৎ পরিবর্তন করতে পারেননি বা পারছেন না।
শুধু কি এক দুইজনকে দেখে আমরা অভ্যস্ত? না। এই সংখ্যা অনেক। অনেকেই তো পার্টটাইম শিক্ষক, ফুলটাইম রাজনীতিক।
এখন প্রশ্ন আসতেই পারে যে নিউজিল্যান্ডের মতো দেশের সর্বোচ্চ পদ ছেড়ে একজন শিক্ষকতায় যাচ্ছে আর অন্য দেশে শিক্ষকতার চেয়ার ছেড়ে দিয়ে কোনো রাজনৈতিক দলের অঙ্গ সংগঠনে যোগ দিতে মনোবাসনা ব্যক্ত করছেন। কেন?
আমার এই কেন প্রশ্ন শুনে এবার আপনি হাসছেন, তাই তো? ভাবছেন কী বোকা! এটাও জানে না। কেন তারা শিক্ষকতা ছেড়ে রাজনীতিতে যেতে চায়। হয়তো মনে মনে বলছেনও যে আরে ভাই, এখানে মধু আছে, মধু। হাত বাড়ালেই পাওয়া যায়। শিক্ষকতায় কি আর সেই মধু পাওয়া যায় নাকি। মধুর আশায়, মধুর লোভে শাহিন হয়ে বসে থাকে এসব শিক্ষকেরা।
এবার প্রশ্ন উঠতে পারে যে, নিউজিল্যান্ডের রাজনীতিতে কি মধু নেই? নাকি মধুর সন্ধান পাননি অথবা মধুই দেখেননি জেসিন্ডা। তাই এমন সিদ্ধান্ত। যেখানে আমাদের অনেক শ্রদ্ধাভাজন শিক্ষকের চেয়ার ছেড়ে রাজনীতির চেয়ার নিতে মরিয়া, সেখানে জেসিন্ডা বোকার মতো প্রধানমন্ত্রিত্ব ছেড়ে শিক্ষকতার চেয়ারে। তাঁরা সমস্বরে বলছেন, জেসিন্ডা কত বোকা!

মুম্বাইয়ের গুণ্ডাভালি মেট্রো স্টেশনের এক আদা রঙের বিড়ালকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে মজার এক কাণ্ড। যাত্রীরা মজা করে তাকে চাকরি দেওয়ার দাবি তুলতেই মেট্রো কর্তৃপক্ষও সেই রসিকতায় সায় দিয়ে বিড়ালটির নাম দিয়েছে ‘চিফ ফেলাইন অফিসার।’
১৭ ঘণ্টা আগে
জাপানের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট ফুজিতে সাত বছর বয়সী ছেলেকে একা ফেলে চলে গিয়েছিলেন বাবা। শিশুটির কাছে কেবল একটি কোমল পানীয় এবং সামান্য কিছু হালকা খাবার (স্ন্যাকস) ছিল। কুয়াশাচ্ছন্ন ও বৃষ্টিমুখর আবহাওয়ার মধ্যে ২ হাজার মিটারের (৬,৫০০ ফুট) বেশি উচ্চতায় একটি বেঞ্চে শিশুটি একা বসে ছিল।
২ দিন আগে
রেস্তোরাঁয় খাওয়া শেষে বিল দেওয়ার পর ফেরত আসা খুচরা টাকাটা অনেক সময়ই সার্ভ করে যাওয়া ওয়েটারকে দিয়ে দেই আমরা। যাকে বলা হয় টিপস। কোথাও কোনো সেবা গ্রহণের পর টিপস দেওয়া আমাদের স্বাভাবিক কার্যক্রমে পরিণত হয়েছে। অবশ্য এখন ‘সার্ভিস ফি’ হিসেবে বিলের কাগজেই একটি চার্জ যুক্ত করা থাকে।
৫ দিন আগে
কুকুর-বিড়াল বা পোষা প্রাণী নিয়ে প্রতিযোগিতার বিষয়টি নতুন নয়। তবে এই প্রতিযোগিতাটি কিছুটা ব্যতিক্রমীই! এই প্রতিযোগিতায় বাছাই করা হয় বিশ্বের সবচেয়ে কুৎসিত দেখতে কুকুরটিকে। আর এ প্রতিযোগিতার ৫০তম আসরটি আয়োজিত হয়েছিল এ বছর।
৮ দিন আগে