
কোনো খেলার মাঠে হঠাৎ বিষধর একটি সাপ ঢুকে পড়লে কেমন হবে বলুন তো? বেশ একটি ভীতিকর পরিবেশ তৈরি হবে, তাতে সন্দেহ নেই। ঠিক এমনটাই হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার একটি গলফ মাঠে। তা-ও সেটা যেনতেন সাপ নয়, কেপ কোবরা বা গোখরো। আফ্রিকা মহাদেশের বিষধর সাপগুলোর একটি এটি।
দৃশ্যটির ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করা হলে বেশ আলোড়ন তোলে। হঠাৎ গোখরোটি আবির্ভূত হয়ে খেলোয়াড়দের চমকে দেয়। গলফ কোর্সে খেলোয়াড়দের সাধারণ একটি দিনকে স্নায়ুবিধ্বংসী অভিজ্ঞতায় পরিণত করে সাপটি। এসব তথ্য জানা যায় ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে।
ব্যবসায়ী ও গলফার এলিথা পিচি ইনস্টাগ্রামে ভিডিওটি শেয়ার করে লেখেন, ‘কেপ কোবরাটি বক্সে (গলফ খেলার নির্দিষ্ট একটি জায়গা) ঢুকে পড়েছিল। আমি এখান থেকে (বল দিয়ে) সরাসরি ওটাকে আঘাত করতে যাচ্ছি।’
গোখরোটিকে গলফ কোর্সের একটি সাইনকে ক্রুদ্ধভাবে আঘাত করতে দেখা যায়। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের মধ্যে বিপুল সাড়া ফেলে।
গত শনিবার কেপটাউনের দক্ষিণ আফ্রিকার আটলান্টিক গলফ ক্লাবে এই কাণ্ড হয় বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক পোস্ট।
অবশ্য গোখরোটি শিকারি একটি প্রাণীকে এড়ানোর জন্যও মাঠে হাজির হতে পারে। ভিডিওটিতে একটি বেজিকেও দেখা যায়। কোবরার প্রধান প্রতিপক্ষগুলোর মধ্যে এটি একটি। সবুজ ঝোপঝাড়ের আড়ালে ছিল এটি।
একজন ব্যবহারকারী মন্তব্য করেছেন, ‘গলফ কোর্স তৈরি করে এমন একটি কিছু পেতে পারেন! পশুপ্রেমীরা কি জঙ্গলে প্রাণীদের বসবাসের জায়গায় একটি গলফ মাঠ তৈরি করা উপযুক্ত বলে মনে করেন? আসুন মরুভূমিকেও সবুজে পরিণত করার চেষ্টা চালিয়ে যাই।’ মন্তব্য করেন একজন ব্যবহারকারী।
‘আমি উল্লেখ করতে যাচ্ছি না যে পেছনে একটি বেজিও রয়েছে। সাপটি প্রাণ বাঁচাতে দৌড়াচ্ছিল।’ লেখেন অপর এক ব্যবহারকারী।
আরেক ব্যবহারকারী মন্তব্য করেন, প্রথমে প্রাণীটিকে একটি রাজ গোখরো মনে করেছিলেন। পরে বুঝতে পারেন এটি একটি বড় আকারের কেপ গোখরো।
গলফাররা ভাগ্যবান যে তাঁরা শীতল রক্তের এই প্রাণীটির কামড় খাননি। দক্ষিণ আফ্রিকার সবচেয়ে বিপজ্জনক সাপগুলোর একটি এটি। এই অঞ্চলে কেপ কোবরা ও ব্ল্যাক মামবা সবচেয়ে প্রাণঘাতী দংশনগুলোর জন্য দায়ী।
উচ্চমাত্রার নিউরোটক্সিক বিষের কারণে কেপ কোবরা অত্যন্ত বিপজ্জনক। তা ছাড়া ঘরবাড়িসহ অন্যান্য যেসব জায়গায় মানুষের আনাগোনা বেশি, সেখানে এদের অনুপ্রবেশের অভ্যাস আরও বেশি ঝুঁকি তৈরি করে।

কোনো খেলার মাঠে হঠাৎ বিষধর একটি সাপ ঢুকে পড়লে কেমন হবে বলুন তো? বেশ একটি ভীতিকর পরিবেশ তৈরি হবে, তাতে সন্দেহ নেই। ঠিক এমনটাই হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার একটি গলফ মাঠে। তা-ও সেটা যেনতেন সাপ নয়, কেপ কোবরা বা গোখরো। আফ্রিকা মহাদেশের বিষধর সাপগুলোর একটি এটি।
দৃশ্যটির ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করা হলে বেশ আলোড়ন তোলে। হঠাৎ গোখরোটি আবির্ভূত হয়ে খেলোয়াড়দের চমকে দেয়। গলফ কোর্সে খেলোয়াড়দের সাধারণ একটি দিনকে স্নায়ুবিধ্বংসী অভিজ্ঞতায় পরিণত করে সাপটি। এসব তথ্য জানা যায় ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে।
ব্যবসায়ী ও গলফার এলিথা পিচি ইনস্টাগ্রামে ভিডিওটি শেয়ার করে লেখেন, ‘কেপ কোবরাটি বক্সে (গলফ খেলার নির্দিষ্ট একটি জায়গা) ঢুকে পড়েছিল। আমি এখান থেকে (বল দিয়ে) সরাসরি ওটাকে আঘাত করতে যাচ্ছি।’
গোখরোটিকে গলফ কোর্সের একটি সাইনকে ক্রুদ্ধভাবে আঘাত করতে দেখা যায়। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের মধ্যে বিপুল সাড়া ফেলে।
গত শনিবার কেপটাউনের দক্ষিণ আফ্রিকার আটলান্টিক গলফ ক্লাবে এই কাণ্ড হয় বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক পোস্ট।
অবশ্য গোখরোটি শিকারি একটি প্রাণীকে এড়ানোর জন্যও মাঠে হাজির হতে পারে। ভিডিওটিতে একটি বেজিকেও দেখা যায়। কোবরার প্রধান প্রতিপক্ষগুলোর মধ্যে এটি একটি। সবুজ ঝোপঝাড়ের আড়ালে ছিল এটি।
একজন ব্যবহারকারী মন্তব্য করেছেন, ‘গলফ কোর্স তৈরি করে এমন একটি কিছু পেতে পারেন! পশুপ্রেমীরা কি জঙ্গলে প্রাণীদের বসবাসের জায়গায় একটি গলফ মাঠ তৈরি করা উপযুক্ত বলে মনে করেন? আসুন মরুভূমিকেও সবুজে পরিণত করার চেষ্টা চালিয়ে যাই।’ মন্তব্য করেন একজন ব্যবহারকারী।
‘আমি উল্লেখ করতে যাচ্ছি না যে পেছনে একটি বেজিও রয়েছে। সাপটি প্রাণ বাঁচাতে দৌড়াচ্ছিল।’ লেখেন অপর এক ব্যবহারকারী।
আরেক ব্যবহারকারী মন্তব্য করেন, প্রথমে প্রাণীটিকে একটি রাজ গোখরো মনে করেছিলেন। পরে বুঝতে পারেন এটি একটি বড় আকারের কেপ গোখরো।
গলফাররা ভাগ্যবান যে তাঁরা শীতল রক্তের এই প্রাণীটির কামড় খাননি। দক্ষিণ আফ্রিকার সবচেয়ে বিপজ্জনক সাপগুলোর একটি এটি। এই অঞ্চলে কেপ কোবরা ও ব্ল্যাক মামবা সবচেয়ে প্রাণঘাতী দংশনগুলোর জন্য দায়ী।
উচ্চমাত্রার নিউরোটক্সিক বিষের কারণে কেপ কোবরা অত্যন্ত বিপজ্জনক। তা ছাড়া ঘরবাড়িসহ অন্যান্য যেসব জায়গায় মানুষের আনাগোনা বেশি, সেখানে এদের অনুপ্রবেশের অভ্যাস আরও বেশি ঝুঁকি তৈরি করে।

জাপানের টোকিওতে ঐতিহ্যবাহী নববর্ষের মাছ নিলামে ইতিহাস গড়ল একটি বিশালাকার ব্লুফিন টুনা। সোমবার (৫ জানুয়ারি) ভোরে টোকিওর টয়োসু ফিশ মার্কেটে অনুষ্ঠিত নিলামে বিক্রি হওয়া ওই প্যাসিফিক ব্লুফিন টুনাটির ওজন ছিল ২৪৩ কেজি।
১১ ঘণ্টা আগে
নতুন বছরের দ্বিতীয় দিনেই বিশ্বজুড়ে চরম উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। ষোড়শ শতাব্দীর বিখ্যাত ফরাসি জ্যোতিষী ও চিকিৎসক মিশেল দে নস্ত্রাদামুস (১৫০৩-৬৬) ২০২৬ সালের ভবিষ্যদ্বাণীগুলো এখন নতুন করে আলোচনায়। তিনি অ্যাডলফ হিটলারের উত্থান, ৯/১১-এর সন্ত্রাসী হামলা এবং সাম্প্রতিক কোভিড-১৯ মহামারির নির্ভুল...
৪ দিন আগে
২০২৬ সাল শুরু হতেই নস্ত্রাদামুসের অনুসারীরা এই বছরকে ঘিরে নতুন কিছু ভয়াবহ ভবিষ্যদ্বাণী প্রকাশ করেছেন। ১৫০০ শতকে জন্ম নেওয়া ফরাসি জ্যোতিষী এবং চিকিৎসক মিশেল দ্য নস্ত্রাদোম (নস্ত্রাদামুস) অ্যাডলফ হিটলারের উত্থান, ১১ সেপ্টেম্বরের হামলা এবং কোভিড-১৯ মহামারির মতো আধুনিক যুগের অনেক...
৪ দিন আগে
একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখলেন, একটা ই-মেইল এসেছে যার ‘সাবজেক্ট’ অপশনে লেখা ‘টার্মিনেশন লেটার’। ঘুম ঘুম চোখে এই ই-মেইল দেখলে স্বাভাবিকভাবেই ঘুম তো থাক, অন্য সব ভাবনাও হারাম হয়ে যাওয়ার কথা! তখন ভাবনায় আসবে ঠিক কি কারণে চাকরি থেকে ছাঁটাই হতে হলো!
৯ দিন আগে