এক মিনিটে ১৭টি ঘোস্ট পেপার বা ভূত জোলোকিয়া খেয়ে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড করলেন যুক্তরাষ্ট্রের এক ব্যক্তি। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড (জিডব্লিউআর) অনুসারে, গ্রেগরি ফস্টার নামে ক্যালিফোর্নিয়ার এক ব্যক্তি ৬০ সেকেন্ডে ১৭টি ভূত জোলোকিয়া (প্রচণ্ড ঝাল মরিচ) খেয়ে রেকর্ড ভেঙেছেন।
তিনি ২০২১ সালের নভেম্বরে সান ডিয়েগোয় এই রেকর্ড করেন। এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানা যায়, গত সোমবার ওই ব্যক্তিকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয় গিনেস কর্তৃপক্ষ।
ভূত জোলোকিয়া মরিচ বিশ্বের অন্যতম ঝাল মরিচ হিসেবে পরিচিত। এতে এক মিলিয়ন স্কোভিল হিট ইউনিট রয়েছে, যা মরিচ এবং অন্যান্য মসলাযুক্ত খাবারের ঝাঁজের পরিমাপ। এর মানে দাঁড়ায়, এক মিনিটে গ্রেগরি ফস্টার প্রায় ১৭ মিলিয়ন স্কোভিল হিট ইউনিট খেয়েছেন।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানা যায়, মিস্টার ফস্টার সব সময় মসলাদার খাবার পছন্দ করেন, এমনকি নিজের বাড়িতে মরিচ উৎপাদনও করেন। তিনি কয়েক দশক ধরে মসলাজাতীয় খাবারের জন্য নিজের সহনশীলতা বাড়িয়েছেন। এখন তিনি বিশ্বের সবচেয়ে ঝাল মরিচ খাওয়ার জন্য প্রস্তুত।
গ্রেগরি ফস্টার বলেন, ‘এই রেকর্ড গড়া নিজের এবং প্রচণ্ড ঝাল মরিচের প্রতি আমার ভালোবাসা কতটা তা দেখার জন্য একটি ব্যক্তিগত চ্যালেঞ্জ ছিল।’
এর আগে ২০১৭ সালে দ্রুততম সময়ে তিনটি ঝাল মরিচ খাওয়ার রেকর্ড ভাঙার পাশাপাশি ৮ দশমিক ৭২ সেকেন্ডে ছয়টি ক্যারোলিনা রিপার মরিচ শেষ করার ওয়ার্ল্ড রেকর্ডটিও গ্রেগরি ফস্টারের দখলে।

দীর্ঘ ও সুস্থ জীবনের রহস্য ঠিক কোথায় লুকিয়ে আছে? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে এবার ব্রাজিলের তিন সহোদরার ডিএনএ পরীক্ষা শুরু করেছেন বিজ্ঞানীরা। এই তিন বোনের সম্মিলিত বয়স ৩১৬ বছর, যাদের চলতি মাসেই গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস বিশ্বের সবচেয়ে প্রবীণ জীবিত ‘বোন ত্ৰয়ী’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
২ দিন আগে
বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর ও প্রভাবশালী প্রায় ২০০ জন মানুষ প্রতি বছর একটি অত্যন্ত গোপনীয় বৈঠকে মিলিত হন। তাঁরা সেখানে কী করেন? কী নিয়ে আলোচনা করেন? অতিথি তালিকাতেই বা কারা থাকেন? দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের চোখের আড়ালে থাকা এই সব কৌতুহলোদ্দীপক প্রশ্নের উত্তর এবার সামনে এসেছে একটি...
৩ দিন আগে
বিশ্বকাপের সব ১০৪টি ম্যাচ দেখার দায়িত্ব পেয়েছেন দুই ফুটবলভক্ত। ফক্স ওয়ানের বিশেষ এই উদ্যোগে তাঁরা পাচ্ছেন ৫০ হাজার ডলার করে পারিশ্রমিক। নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ারে বসেই চলছে তাঁদের ‘পূর্ণকালীন’ বিশ্বকাপ দেখা।
৩ দিন আগে
যুক্তরাজ্যের রাজনীতিতে গত এক দশকে এক চরম অস্থির সময় পার হয়েছে। ডাউনিং স্ট্রিট থেকে একে একে বিদায় নিয়েছেন ছয়জন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু এই রাজনৈতিক পালাবদলের ঝড়ের মধ্যেও ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটের একটি আসন রয়েছে সম্পূর্ণ অপরিবর্তিত।
৫ দিন আগে