
চারদিকে দ্বীপ আর সমুদ্রঘেরা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ৪০ হাজার বছর আগে মানুষ কেবল টিকে থাকছিল না, বরং তারা গভীর সমুদ্রে গিয়ে শিকার করছিল বড়সড়, দ্রুতগতির মাছ। যেমন: টুনা ও হাঙর। এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য তুলে ধরা হয়েছে নতুন এক গবেষণায়।

সমুদ্রের নীরব ঘাতক হিসেবে পরিচিত হাঙর। কারণ অন্যান্য মাছের মতো শব্দ উৎপাদনকারী অঙ্গ এদের নেই। তবে এক নতুন গবেষণায় প্রথমবারের মতো বিজ্ঞানীরা প্রমাণ করেছেন যে, বেলুন ফাটানোর মতো শব্দ তৈরি করতে পারে এক প্রজাতির হাঙর।

২০২৪ সালে হাঙরের আক্রমণের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। মঙ্গলবার প্রকাশিত নতুন পরিসংখ্যান অনুসারে, বছরটিতে বিশ্বে হাঙরের মোট ৪৭টি আক্রমণ নথিভুক্ত হয়েছে। এ হিসাবে আগের বছরের তুলনায় গত বছর অন্তত ২২টি আক্রমণ কম হয়েছে। আর গত ১০ বছরের গড়ে ৭০টির আক্রমণের তুলনায় পরিসংখ্যানটি অনেক নিচে।

২০২০ সালের অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটসে অবস্থিত কেপ কড উপদ্বীপ অঞ্চলে সন্তানসম্ভবা পোরবিগল হাঙরের শরীরে শনাক্তকরণ যন্ত্র স্থাপন করেছিলেন বিজ্ঞানীরা। মূলত এর বাসস্থান এবং গতিবিধি জানাই ছিল এর লক্ষ্য।