
হাতে খমক, কণ্ঠে আধ্যাত্মিক গান। গ্রামের হাটবাজার কিংবা শহরের কোনো খোলা জায়গা—যেখানেই গান ধরেন, কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁকে ঘিরে ভিড় জমে যায়। কেউ দাঁড়িয়ে শোনেন, কেউ মাটিতে বসে পড়েন। তাঁর কণ্ঠে কখনো লালন, কখনো শাহ আবদুল করিম, আবার কখনো শাহ আলম সরকারের লোকগান। খমকের ছন্দে একের পর এক গান করে চলেন তিনি।

চুয়াডাঙ্গায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেছেন, দেশে উগ্রবাদী গোষ্ঠী থাকলেও তা টিকবে না। কারণ, এ দেশের মানুষ প্রকৃতিগতভাবেই প্রগতিশীল ও অসাম্প্রদায়িক। বাংলাদেশের সমাজের গভীরে যে অসাম্প্রদায়িকতা রয়েছে, তাকে জোর করে মুছে দেওয়া যাবে না।

সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেছেন, সংস্কৃতি একটি দেশের পরিচয় বিশ্বদরবারে তুলে ধরে। এ জন্য বর্তমান বিশ্বে সাংস্কৃতিক কূটনীতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংস্কৃতির মাধ্যমে একটি দেশের সঙ্গে অন্য দেশের মেলবন্ধন সম্ভব, যা অনেক সময় পররাষ্ট্রনীতি দিয়েও সম্ভব হয় না। মন্ত্রী খুলনাবাসীর দাবির পরিপ্রেক্ষ

২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল গান। বিভিন্ন শিল্পীর তৈরি প্রতিবাদী গানগুলো প্রাণসঞ্চার করেছিল আন্দোলনে। এবার জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে মৌলিক গানের প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। পৃষ্ঠপোষকতা করছে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়।