
২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল গান। বিভিন্ন শিল্পীর তৈরি প্রতিবাদী গানগুলো প্রাণসঞ্চার করেছিল আন্দোলনে। এবার জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে মৌলিক গানের প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। পৃষ্ঠপোষকতা করছে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেছেন, ফ্যাসিবাদী সরকার রাষ্ট্রের বিভিন্ন সাংবিধানিক ও স্বশাসিত প্রতিষ্ঠানকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করেছিল। যার ফলে গণতান্ত্রিক ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়েছিল।

বর্তমান বিশ্বে বিভাজন ও অসহিষ্ণুতার নানা বাস্তবতার বিপরীতে সংস্কৃতিই হতে পারে শান্তি, সহমর্মিতা ও মানবিক সংযোগের সবচেয়ে শক্তিশালী মাধ্যম। বৈচিত্র্য কখনো বিভেদের কারণ নয়; বরং তা সৌন্দর্য, সৃজনশীলতা ও ঐক্যের এক অনন্য শক্তি। এ ধরনের আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক আয়োজন দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া

সত্য যে কঠিন, কঠিনেরে আমি ভালোবাসিলাম, সে কখনো করে না বঞ্চনা।’ দেশের জনগণ অনেক কঠিন লড়াই-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে গিয়েছে। তারা কঠিনকে ভালোবেসেছিল। এই দীর্ঘ সংগ্রাম জনগণকে বঞ্চিত করেনি। তারা একটি নতুন সকালের দেখা পেয়েছে...