
মানব মস্তিষ্ক বোঝার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা হলো, মস্তিষ্কের ভেতরেই একজন ‘মানুষের’ টিকে থাকা। কারণ মানুষ জীবিত থাকা অবস্থায় তার মস্তিষ্কের গ্রে ম্যাটার বা ধূসর পদার্থ নিয়ে বিজ্ঞানীরা ইচ্ছেমতো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে পারেন না। ফলে মস্তিষ্ক কীভাবে বিকশিত হয়, কীভাবে এর বিভিন্ন অংশের মধ্যে সংযোগ তৈরি হয়...

ইঁদুরের মস্তিষ্কে সচল মানব কোষ সফলভাবে রূপান্তর ও স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের স্নায়ুবিজ্ঞানীরা। তাঁরা আশা করছেন, যেসব মানসিক ও স্নায়ুবিক বিকাশজনিত রোগ কেবল মানুষের মধ্যেই দেখা যায়, সেগুলোর সম্ভাব্য চিকিৎসা পদ্ধতি এখন থেকে গবেষণাগারের এসব ইঁদুরের ওপর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা সম্ভব হবে।

ইংল্যান্ডের বেডফোর্ডশায়ারের বাসিন্দা রিস হিবার্ট দুই সন্তানের বাবা। ৪৮ বছর বয়সী পেশায় গ্রাহকসেবা ব্যবস্থাপক। দেড় বছর আগেও সুস্থ ও সবল ছিলেন তিনি। প্রতিদিন দুপুরের খাবারের বিরতিতে তিনি দুই মাইল হাঁটতেন। এমনই একদিন হাঁটার সময় তিনি রাস্তায় অচেতন হয়ে পড়েন এবং খিঁচুনি শুরু হয়।

মাথাব্যথা হলেই আমরা চটজলদি একটা পেইনকিলার খেয়ে নিই। ব্যথা সাময়িকভাবে দূর হলেও দু-তিন দিন পর তা আবার একই রূপে ফিরে আসে। কিন্তু শরীর যখন বারবার মাথাব্যথার সংকেত দেয়, তখন তা শুধু পেইনকিলার দিয়ে চেপে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ নয়। আসল কারণ না খুঁজে শুধু ওষুধ খেলে এই চক্র চলতেই থাকে।