
মাথাব্যথা হলেই আমরা চটজলদি একটা পেইনকিলার খেয়ে নিই। ব্যথা সাময়িকভাবে দূর হলেও দু-তিন দিন পর তা আবার একই রূপে ফিরে আসে। কিন্তু শরীর যখন বারবার মাথাব্যথার সংকেত দেয়, তখন তা শুধু পেইনকিলার দিয়ে চেপে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ নয়। আসল কারণ না খুঁজে শুধু ওষুধ খেলে এই চক্র চলতেই থাকে।

প্রযুক্তির ছোঁয়ায় আমাদের দৈনন্দিন জীবন এখন অনেকটাই স্ক্রিননির্ভর। বাজার করার তালিকা বানানো থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ নোট—সবকিছুতেই আমাদের আঙুল চলে কি-বোর্ডের ওপর। তবে সম্প্রতি মনস্তত্ত্ব ও নিউরোসায়েন্সের গবেষণায় দেখা গেছে, কম্পিউটারে টাইপ করার চেয়ে হাত দিয়ে লেখার মধ্যে মস্তিষ্কের এক দারুণ ক্ষমতা

মানুষ হাজার হাজার বছর ধরে ঘুমিয়েছে সূর্যের নিয়মে। সহজ কথায়, সূর্য ডুবলে অন্ধকার। অন্ধকার নেমে এলেই মস্তিষ্কের সংকেত—এবার ঘুমাতে হবে। আবার ভোরে আলো ফুটলে মস্তিষ্কই জানান দেয়, এবার জেগে ওঠো। এই ছন্দটার নাম সার্কাডিয়ান রিদম, অর্থাৎ শরীরের ভেতরের ঘড়ি। কয়েক হাজার বছরের বিবর্তনে এটা গড়ে উঠেছে

টাকার টানাটানি কেবল যে রাতের ঘুম কেড়ে নেয়, তা নয়। নিয়মিত অভাবের কারণে যে মানসিক যন্ত্রণা বা ‘স্ট্রেস’ তৈরি হয়, তা কি আমাদের মস্তিষ্কের গঠনকেও বদলে দিতে পারে? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের (ইউসিএল) একদল বিজ্ঞানী এক দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা চালান।