
দেড় যুগ পর গাজীপুরের কালীগঞ্জ থেকে রাজধানীর গুলিস্তান রুটে পুনরায় সরাসরি বাস সার্ভিস চালু হয়েছে। সরাসরি যাতায়াত ব্যবস্থা ফিরে পাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরলেও নতুন করে চালু হওয়া বাসের মান ও অতিরিক্ত ভাড়া নিয়ে জনমনে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

পটুয়াখালীর বাউফল-ঢাকা রুটে কয়েকটি পরিবহন একীভূত হয়ে ‘যৌথ দশমিনা এক্সপ্রেস’ চালুর পর বাসের সংখ্যা ৭০-৮০ থেকে ৩০-৪০-এ নেমে এসেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। যাত্রীরা দীর্ঘ অপেক্ষা, সিট সংকট ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ করেছেন।

মৌলভীবাজার জেলা মোটর গ্রুপ মালিক পক্ষের বিরুদ্ধে হবিগঞ্জ-সিলেট বিরতিহীন বাস চলাচলে বাধা ও বাস আটকে রাখার প্রতিবাদে ডাকা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে। প্রশাসনের আশ্বাস ও সাধারণ যাত্রীদের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে মঙ্গলবার গভীর রাতে ধর্মঘট প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর ফলে বুধবার

ঢাকা মহানগরীতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) বাস সার্ভিস বাড়াতে নতুন রুট পারমিট দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। একই সঙ্গে ভাড়া নির্ধারণ করবে সংশ্লিষ্ট বাসমালিক কিংবা কোম্পানিগুলো। এ ছাড়া ঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা আনতে ‘কন্ট্রাক্ট সিস্টেম’ তুলে দিয়ে কাউন্টারভিত্তিক বাস সার্ভিস চালুর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।