বন ও বৃক্ষ সংরক্ষণ অধ্যাদেশ
আজকের পত্রিকা ডেস্ক

বনভূমির দখল প্রতিরোধ, বনভূমির ভিন্ন উদ্দেশ্যে ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ, বন ও বৃক্ষ সম্পদ যথাযথভাবে সংরক্ষণ এবং বনভূমির পরিমাণ হ্রাস রোধের লক্ষ্যে সরকার বন ও বৃক্ষ সংরক্ষণ অধ্যাদেশ, ২০২৬ জারি করেছে।
আজ বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) তথ্য বিবরণীতে এ অধ্যাদেশ জারির তথ্য জানানো হয়েছে।
১৯২৭ সালের বন আইনে সংরক্ষিত ও রক্ষিত বন ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন বিষয়াদি উল্লেখ রয়েছে, কিন্তু সংরক্ষিত ও রক্ষিত এলাকার বাইরে এবং গণপরিসরে যে বৃক্ষ সম্পদ রয়েছে তা সংরক্ষণের এবং বনভূমি সুরক্ষার বিষয়ে কোনো বিধিবিধান নেই। তা ছাড়া, বনভূমির ভিন্নরূপ ব্যবহার বা বন বিরুদ্ধ ব্যবহারের বিষয়েও কোনো বিধিবিধান নেই।
অধ্যাদেশে বলা হয়, প্রাকৃতিক বন কোনোভাবেই বন বিরুদ্ধ বা বন বহির্ভূত কাজে ব্যবহার করা যাবে না। তবে অন্যান্য বনভূমির ক্ষেত্রে শুধু অপরিহার্য জাতীয় প্রয়োজনে এবং বিকল্প না থাকলে নিরপেক্ষ পরিবেশগত ও সামাজিক প্রভাব মূল্যায়ন, ক্ষতিপূরণমূলক বনায়ন, বাস্তুতন্ত্রের ক্ষতি ও বিপদাপন্ন উদ্ভিদ-প্রাণীর ঝুঁকি বিবেচনা করে মন্ত্রিসভার অনুমোদন সাপেক্ষে বন বহির্ভূত ব্যবহার অনুমোদন দেওয়া যাবে।
অনুমোদন ব্যতীত বনভূমির বন বহির্ভূত বা বন বিরুদ্ধ ব্যবহার করলে সর্বোচ্চ তিন লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, এ আইনে দুটি তালিকা থাকবে, যার একটিতে কর্তন নিষিদ্ধ গাছের প্রজাতির বৃক্ষের নাম উল্লেখ থাকবে; যা কোনোক্রমেই কর্তন করা যাবে না। অন্য আর একটি তালিকায় বৃক্ষ সংরক্ষণ কর্মকর্তার অনুমতি সাপেক্ষে কর্তনযোগ্য বৃক্ষ প্রজাতির নাম উল্লেখ থাকবে। কর্তন নিষিদ্ধ প্রজাতির বৃক্ষ কর্তনের জন্য সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড এবং অনুমতি সাপেক্ষে কর্তনযোগ্য বৃক্ষ বিনা অনুমতিতে কর্তনের জন্য সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। উভয় ক্ষেত্রেই আদালত অপরাধীকে অতিরিক্ত দণ্ড হিসেবে ক্ষতিপূরণমূলক বনায়নের নির্দেশ দিতে পারবে।
এ ছাড়া কোনো বিধিবদ্ধ সংস্থা বা শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন ভূমির ভেতরে এক একরের কম বিচ্ছিন্ন বনভূমি থাকলে, অপরিহার্যতা ও জনস্বার্থ বিবেচনায় বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে সরকারি অনুমোদনক্রমে বিনিময়ের সুযোগ রাখা হয়েছে।
অধ্যাদেশে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত বৃক্ষ প্রজাতি (যেমন—আগর) ছাড়া অন্য কোনো বৃক্ষে পেরেক বা ধাতব বস্তু দিয়ে ক্ষতি করা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ বিধান লঙ্ঘন করলে সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড আরোপের কথা বলা হয়েছে।
এ ছাড়া এ আইনে বন অধিদপ্তরের দায়িত্ব ও কর্তব্য এবং বন ও বৃক্ষ সংরক্ষণে সাধারণ নাগরিকের করণীয় বিষয়েও স্পষ্ট বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

বনভূমির দখল প্রতিরোধ, বনভূমির ভিন্ন উদ্দেশ্যে ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ, বন ও বৃক্ষ সম্পদ যথাযথভাবে সংরক্ষণ এবং বনভূমির পরিমাণ হ্রাস রোধের লক্ষ্যে সরকার বন ও বৃক্ষ সংরক্ষণ অধ্যাদেশ, ২০২৬ জারি করেছে।
আজ বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) তথ্য বিবরণীতে এ অধ্যাদেশ জারির তথ্য জানানো হয়েছে।
১৯২৭ সালের বন আইনে সংরক্ষিত ও রক্ষিত বন ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন বিষয়াদি উল্লেখ রয়েছে, কিন্তু সংরক্ষিত ও রক্ষিত এলাকার বাইরে এবং গণপরিসরে যে বৃক্ষ সম্পদ রয়েছে তা সংরক্ষণের এবং বনভূমি সুরক্ষার বিষয়ে কোনো বিধিবিধান নেই। তা ছাড়া, বনভূমির ভিন্নরূপ ব্যবহার বা বন বিরুদ্ধ ব্যবহারের বিষয়েও কোনো বিধিবিধান নেই।
অধ্যাদেশে বলা হয়, প্রাকৃতিক বন কোনোভাবেই বন বিরুদ্ধ বা বন বহির্ভূত কাজে ব্যবহার করা যাবে না। তবে অন্যান্য বনভূমির ক্ষেত্রে শুধু অপরিহার্য জাতীয় প্রয়োজনে এবং বিকল্প না থাকলে নিরপেক্ষ পরিবেশগত ও সামাজিক প্রভাব মূল্যায়ন, ক্ষতিপূরণমূলক বনায়ন, বাস্তুতন্ত্রের ক্ষতি ও বিপদাপন্ন উদ্ভিদ-প্রাণীর ঝুঁকি বিবেচনা করে মন্ত্রিসভার অনুমোদন সাপেক্ষে বন বহির্ভূত ব্যবহার অনুমোদন দেওয়া যাবে।
অনুমোদন ব্যতীত বনভূমির বন বহির্ভূত বা বন বিরুদ্ধ ব্যবহার করলে সর্বোচ্চ তিন লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, এ আইনে দুটি তালিকা থাকবে, যার একটিতে কর্তন নিষিদ্ধ গাছের প্রজাতির বৃক্ষের নাম উল্লেখ থাকবে; যা কোনোক্রমেই কর্তন করা যাবে না। অন্য আর একটি তালিকায় বৃক্ষ সংরক্ষণ কর্মকর্তার অনুমতি সাপেক্ষে কর্তনযোগ্য বৃক্ষ প্রজাতির নাম উল্লেখ থাকবে। কর্তন নিষিদ্ধ প্রজাতির বৃক্ষ কর্তনের জন্য সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড এবং অনুমতি সাপেক্ষে কর্তনযোগ্য বৃক্ষ বিনা অনুমতিতে কর্তনের জন্য সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। উভয় ক্ষেত্রেই আদালত অপরাধীকে অতিরিক্ত দণ্ড হিসেবে ক্ষতিপূরণমূলক বনায়নের নির্দেশ দিতে পারবে।
এ ছাড়া কোনো বিধিবদ্ধ সংস্থা বা শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন ভূমির ভেতরে এক একরের কম বিচ্ছিন্ন বনভূমি থাকলে, অপরিহার্যতা ও জনস্বার্থ বিবেচনায় বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে সরকারি অনুমোদনক্রমে বিনিময়ের সুযোগ রাখা হয়েছে।
অধ্যাদেশে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত বৃক্ষ প্রজাতি (যেমন—আগর) ছাড়া অন্য কোনো বৃক্ষে পেরেক বা ধাতব বস্তু দিয়ে ক্ষতি করা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ বিধান লঙ্ঘন করলে সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড আরোপের কথা বলা হয়েছে।
এ ছাড়া এ আইনে বন অধিদপ্তরের দায়িত্ব ও কর্তব্য এবং বন ও বৃক্ষ সংরক্ষণে সাধারণ নাগরিকের করণীয় বিষয়েও স্পষ্ট বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

আইনি জটিলতায় পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনের নির্বাচন ‘আপাতত’ স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। আদালতের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে এই দুই আসনে ভোট গ্রহণ আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র সফরে গেছেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান। স্থানীয় সময় গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি (ইউএসটিআর) অ্যাম্বাসেডর জেমিসন গ্রিয়ারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। এ ছাড়া তিনি সহকারী ইউএসটিআর জনাব ব্রেন্ডন লিঞ্চের সঙ্গেও পৃথক বৈঠক করেন।
৬ ঘণ্টা আগে
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পুলিশের লুট হওয়া ১ হাজার ৩৩৫টি আগ্নেয়াস্ত্র এখনো উদ্ধার হয়নি। গোয়েন্দা সংস্থা বলছে, এসব অস্ত্র অপরাধী চক্রের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে। হত্যা, ডাকাতি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও ঠিকাদারি নিয়ন্ত্রণের একাধিক ঘটনায় পুলিশের লুণ্ঠিত অস্ত্র ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে।
১২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ১৫৩ জন প্রার্থীর কাছে বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে। তাঁদের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রার্থী। এ ছাড়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় পার্টি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন...
১২ ঘণ্টা আগে